Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
June 07, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, JUNE 07, 2026
যুদ্ধের পর চীনের সঙ্গে আরও নৈকট্য বাড়াতে প্রস্তুত উপসাগরীয় দেশগুলো

আন্তর্জাতিক

এশিয়া টাইমস
20 April, 2026, 09:10 pm
Last modified: 20 April, 2026, 09:17 pm

Related News

  • ২৪ বিলিয়ন ডলারের অবরুদ্ধ সম্পদ ছাড়লেই কেবল চুক্তি সম্ভব: ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি
  • অবশেষে বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেল ইরানের ফুটবল দল
  • এখনও মোজতবার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়নি, তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই: ট্রাম্প
  • আমি না থাকলে এখন ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প
  • হরমুজ এড়াতে তেলের বিকল্প পাইপলাইন নির্মাণের আলোচনায় উপসাগরীয় দেশগুলো

যুদ্ধের পর চীনের সঙ্গে আরও নৈকট্য বাড়াতে প্রস্তুত উপসাগরীয় দেশগুলো

যুদ্ধের সময় প্রতিটি উপসাগরীয় দেশই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। এই বাস্তবতা তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, নিরাপত্তার জন্য চোখ বুজে আর কেবল ওয়াশিংটনের ওপর ভরসা করা যায় না।
এশিয়া টাইমস
20 April, 2026, 09:10 pm
Last modified: 20 April, 2026, 09:17 pm
ইরান যুদ্ধের আগে চীনা নেতা শি জিনপিং ও সৌদি আরবের মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: হ্যান্ডআউট / এসপিএ

ইরান যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলে এক বিশাল ধাক্কা দিয়েছে। গত প্রায় এক শতাব্দী ধরে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার মূলে থাকা দুটি মূল ধারণাকেই নাড়িয়ে দিয়েছে এই যুদ্ধ।

এতদিন উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতির চাকা ঘুরত এক ধরনের স্থিতিশীলতার ওপর ভর করে।

করমুক্ত সুবিধা, ব্যবসার নমনীয় নিয়মকানুন আর আধুনিক স্টার্টআপ কালচার এই স্থিতিশীলতাকে আরও মজবুত করেছিল।

অন্যদিকে, নিরাপত্তার জন্য তারা পুরোপুরি নির্ভর করত 'তেলের বিনিময়ে নিরাপত্তা' নামের এক পুরোনো চুক্তির ওপর। আমেরিকার ছড়ানো সামরিক ঘাঁটি আর অত্যাধুনিক অস্ত্রের ওপর ভর করেই টিকে ছিল এই অঞ্চলের নিরাপত্তা বলয়।

কিন্তু প্রায় দুই মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ সবকিছু ওলটপালট করে দিয়েছে। যুদ্ধের সময় প্রতিটি উপসাগরীয় দেশই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে।

এই বাস্তবতা তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, নিরাপত্তার জন্য চোখ বুজে আর কেবল ওয়াশিংটনের ওপর ভরসা করা যায় না। বাধ্য হয়েই এই অঞ্চলের দেশগুলো এখন নতুন কোনো রক্ষাকর্তার খোঁজে প্রাচ্যের দিকে, বিশেষ করে চীনের দিকে তাকাতে শুরু করেছে।

যুদ্ধের পর টিকে থাকার জন্য কেবল নতুন পথ খোঁজাই নয়, বরং তা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো খাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাব জাদুকরীভাবে বেড়েছে। তাই সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে চীনকেই এখন সবচেয়ে ভরসার জায়গা বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৩ সালে জিসিসি সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের সফরের পর এই সম্পর্ক এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

গত বছর চীন ও জিসিসি-এর মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার, যা প্রমাণ করে চীন এখন এই অঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার।

আগে এই বিনিয়োগ কেবল জ্বালানি ও বন্দর প্রকল্পেই সীমাবদ্ধ থাকলেও, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি উভয় পক্ষকেই আরও গভীর সম্পর্কের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

এই অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ মূলত তিনটি খাতের ওপর নির্ভর করবে। প্রথমটি হলো পরিবেশবান্ধব বা সবুজ জ্বালানি।

এই খাতে চীন এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী; বিশ্বব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ৮০ শতাংশই তাদের হাতে।

২০২৫ সালে চীনের বায়ুবিদ্যুৎ যন্ত্রের রপ্তানি প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে, আর ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি) উৎপাদনের ৭০ শতাংশই এখন তাদের দখলে। চীনের এই আধিপত্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল-নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যের সঙ্গে দারুণভাবে মিলে যায়। বিওয়াইডি বা গিলির মতো চীনা কোম্পানির হাত ধরে তারা নিজেদের বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতকে বদলে ফেলতে চায়।

সহযোগিতার দ্বিতীয় ক্ষেত্রটি হলো 'ব্রিকস প্লাস'। এটি এমন এক প্ল্যাটফর্ম, যা ভবিষ্যতে পশ্চিমা আর্থিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ডলারের দাপট কমিয়ে পুরোপুরি ইউয়ান-ভিত্তিক বাণিজ্যে যাওয়া কঠিন হলেও নতুন ব্যবস্থার পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে।

উদাহরণস্বরূপ, চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত 'এমব্রিজ' প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমা মধ্যস্থতাকারী ব্যাংক ছাড়াই ডিজিটাল মুদ্রায় আন্তঃসীমান্ত লেনদেনের পরীক্ষা চালাচ্ছে।

তৃতীয় ক্ষেত্রটি হলো চীনের স্বপ্নের যোগাযোগ প্রকল্প 'চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিসিই)'। ৬২ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প মূলত মালাক্কা প্রণালির ওপর চীনের নির্ভরতা কমানোর এক কৌশল।

সিপিসিই এবং গোয়াদার বন্দরে বিনিয়োগ করে উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের সামুদ্রিক পথগুলোকে মধ্য এশিয়ার স্থলপথের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে।

এর ফলে তারা নতুন বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। বিশেষ করে যখন চীন তার মোট অপরিশোধিত তেলের ৪২ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে।

তবে এই ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখাও রয়েছে। বিশেষ করে সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের আকাশ-পাতাল পার্থক্যের কথা ভাবলে এটি স্পষ্ট হয়।

যুদ্ধ হয়তো তাদের একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে, তবে এর মানে এই নয় যে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে চীনকে আপন করে নেবে।

উপসাগরীয় নেতারা বেশ বাস্তববাদী। এক নির্ভরতার শিকল ছিঁড়ে তারা অন্য শিকল পরতে রাজি নন। আর এক্ষেত্রে নিরাপত্তা খাতটিই সবচেয়ে বড় বাধা।

এই অঞ্চলে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার সেনার উপস্থিতি রয়েছে। কেবল কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতেই রয়েছে ১০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা।

এর বিপরীতে চীনের সামরিক উপস্থিতি জিবুতির একটি মাত্র ঘাঁটিতেই সীমাবদ্ধ। এমনকি অস্ত্র কেনাবেচার ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের ধারেকাছে নেই চীন।

সিপ্রি-র মতে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের মোট অস্ত্র আমদানির ৫৪ শতাংশই এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

চীনা ড্রোনগুলো শর্তমুক্ত হওয়ায় আকর্ষণীয় হলেও, তারা এখনো মার্কিনদের মতো সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিতে পারে না।

যুদ্ধ-পরবর্তী এই বাস্তবতার অর্থ এই নয় যে ওয়াশিংটন থেকে মুখ ফিরিয়ে বেইজিংয়ের দিকে ছুটতে হবে।

বরং এটি হলো কৌশলগত স্বাধীনতা অর্জনের এক চেষ্টা। উপসাগরীয় দেশগুলো চীনকে নতুন আমেরিকা হিসেবে দেখছে না, বরং একটি প্রয়োজনীয় ঢাল বা 'ব্যাকআপ' হিসেবে ভাবছে।

পশ্চিমা আধিপত্যের বিকল্প খোঁজার মানে কাউকে সরিয়ে দেওয়া নয়; বরং নিজেদের দীর্ঘমেয়াদী টিকে থাকার জন্য আরও মজবুত একটি ভিত্তি তৈরি করা।

পুরনো 'তেলের বিনিময়ে নিরাপত্তা' চুক্তি যেখানে আর কাজ করছে না, সেখানে চীনের দিকে এই ঝোঁক মূলত বদলে যাওয়া বিশ্বব্যবস্থার প্রতি এক সুচিন্তিত ও বাস্তববাদী পদক্ষেপ মাত্র।

Related Topics

টপ নিউজ

উপসাগরীয় দেশ / ইরান যুদ্ধ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    আসন্ন বাজেটে বড় কর ছাড় পাচ্ছে সোলার, ইভি ও ইলেকট্রনিক্স খাত
  • ছবি: সংগৃহীত
    তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব বাংলাদেশের
  • ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
    প্রত্যাবাসনের জন্য নাগরিকত্ব যাচাই দ্রুত করতে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আহ্বান 
  • ঘটনাস্থলে পাঠানো উদ্ধারকারী দল নিহতদের গণকবরে দাফন করে। ছবি: আগাদেজ গভর্নরেটের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
    সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় প্রাণ গেল প্রায় ৫০ জনের
  • ছবি: সংগৃহীত
    সময় টিভি, বিটিভি ও টি স্পোর্টসে দেখা যাবে ফিফা বিশ্বকাপ
  • ছবি: রয়টার্স
    ‘বহু বছর ধরে আমেরিকার কাছ থেকে ফায়দা তুলেছে ভারত, এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে’: ট্রাম্প

Related News

  • ২৪ বিলিয়ন ডলারের অবরুদ্ধ সম্পদ ছাড়লেই কেবল চুক্তি সম্ভব: ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি
  • অবশেষে বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেল ইরানের ফুটবল দল
  • এখনও মোজতবার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়নি, তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই: ট্রাম্প
  • আমি না থাকলে এখন ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প
  • হরমুজ এড়াতে তেলের বিকল্প পাইপলাইন নির্মাণের আলোচনায় উপসাগরীয় দেশগুলো

Most Read

1
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

আসন্ন বাজেটে বড় কর ছাড় পাচ্ছে সোলার, ইভি ও ইলেকট্রনিক্স খাত

2
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব বাংলাদেশের

3
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
আন্তর্জাতিক

প্রত্যাবাসনের জন্য নাগরিকত্ব যাচাই দ্রুত করতে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আহ্বান 

4
ঘটনাস্থলে পাঠানো উদ্ধারকারী দল নিহতদের গণকবরে দাফন করে। ছবি: আগাদেজ গভর্নরেটের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
আন্তর্জাতিক

সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় প্রাণ গেল প্রায় ৫০ জনের

5
ছবি: সংগৃহীত
খেলা

সময় টিভি, বিটিভি ও টি স্পোর্টসে দেখা যাবে ফিফা বিশ্বকাপ

6
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

‘বহু বছর ধরে আমেরিকার কাছ থেকে ফায়দা তুলেছে ভারত, এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে’: ট্রাম্প

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]