Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
June 30, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, JUNE 30, 2026
টোকিও থেকে উত্তরা: বাংলাদেশে জাপানি বুকশপ কিনোকুনিয়ার সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার গল্প

ফিচার

অনিম শামস
18 June, 2026, 06:05 pm
Last modified: 18 June, 2026, 06:21 pm

Related News

  • ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে এশিয়ার কোম্পানিগুলোর এসি বিক্রি বেড়েছে
  • বাংলাদেশে শাখা খুলতে আগ্রহী জাপানের এমইউএফজি ব্যাংক
  • ৫০ বছরে প্রথমবারের মতো বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি বাড়াল জাপান
  • ২০১১ সালের শক্তিশালী ভূমিকম্পে পূর্ব দিকে সরে গিয়েছিল গোটা জাপান
  • স্টেডিয়ামের পাশাপাশি ঘর পরিষ্কারের কাজেও হাত লাগান: বিশ্বকাপে গ্যালারি পরিষ্কার করে ভাইরাল হওয়া সমর্থকদের প্রতি জাপানি নারীরা

টোকিও থেকে উত্তরা: বাংলাদেশে জাপানি বুকশপ কিনোকুনিয়ার সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার গল্প

কিনোকুনিয়া থাইল্যান্ডের পরিচালক বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি না যে এখানে পাঠক সংখ্যা কমছে। যদি প্রথাগত বই পড়ার অভ্যাস কিছুটা কমেও থাকে, তবে সেটি একটি বৈশ্বিক পরিস্থিতি, কেবল ঢাকার কোনো একক সমস্যা নয়।’
অনিম শামস
18 June, 2026, 06:05 pm
Last modified: 18 June, 2026, 06:21 pm
ছবি: টিবিএস

শতবর্ষী এক রিটেইল জায়ান্ট, যার পদচিহ্ন টোকিও থেকে নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত বিস্তৃত। সেই বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠানটি যখন দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের প্রথম গন্তব্য হিসেবে ঢাকাকে বেছে নেয়, তখন স্থানীয় বাজারে তা বড় ধরনের এক আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেই উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমে বইয়ের প্রতি আপনার ন্যূনতম আগ্রহ থাকলেও, আপনার ফিড নিশ্চিতভাবেই 'বুকস কিনোকুনিয়া বাংলাদেশ'-এর নান্দনিক সব ভিডিওতে (রিলস) সয়লাব হয়ে আছে।

উত্তরা সেন্টারপয়েন্টে সাধারণের জন্য খোলার অপেক্ষায় থাকা এই আউটলেটে গতকাল পা রাখতেই স্পষ্ট হয়ে উঠল তাদের এই যাত্রার বিশালত্ব। কিনোকুনিয়ার বৈশ্বিক ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটগুলোর আদলেই এখানে প্রতিটি শেলফ সুনিপুণভাবে সাজানো হচ্ছে।

দৃশ্যত, এটি বর্তমান ঢাকার সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন বুকস্টোর—এ নিয়ে কোনো তর্কের সুযোগ নেই। এখানে রয়েছে বিশ্বমানের প্রিমিয়াম বই এবং উচ্চমানের স্টেশনারি পণ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার, যা স্থানীয় সাধারণ বাজারে সচরাচর পাওয়া যায় না। পরিচিত কিছু বই এখানে থাকলেও, সেগুলোর দামের ক্ষেত্রে আকাশ-পাতাল পার্থক্য চোখে পড়ার মতো।

আগামীকাল (১৯ জুন) দোকানটির দরজা সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে এবং আপনি ইন্টারনেটে এর মনোমুগ্ধকর পরিবেশের অগণিত ছবি দেখতে পাবেন। কিন্তু নান্দনিক বিপণনের বাইরে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়—ঢাকার মতো বাজারে সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর ও প্রিমিয়াম মূল্যের এমন একটি ব্যবসায়িক মডেল কি সত্যিই টিকে থাকতে পারবে? আর সাধারণ পাঠকদের জন্যই বা এটি কী নিয়ে আসছে?

আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি যখন তরুণদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ কমছে বলে ধারণা করা হয়। পাশাপাশি দীর্ঘকাল ধরে সস্তা স্থানীয় মুদ্রণ বা পাইরেটেড বইয়ের ওপর নির্ভরশীল বাজারে পাঠকদের মধ্যে বেশি দামে বই কেনার প্রবণতাও ঐতিহাসিকভাবে কম। এমন এক বাস্তবতায় একটি উচ্চমূল্যের 'ফিক্সড-প্রাইস' মডেল কীভাবে স্থায়ী জায়গা করে নেবে?

ছবি: টিবিএস

নান্দনিক আবরণের আড়ালে থাকা ব্যবসায়িক কৌশল বুঝতে আমি কথা বলেছি কিনোকুনিয়ার দুজন বৈশ্বিক প্রতিনিধির সঙ্গে, যাদের এই প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা এক দশকেরও বেশি। উদ্বোধনের আগের ব্যস্ততার মাঝেও তাদের মধ্যে দুটি বিষয় স্পষ্ট ফুটে উঠছিল—বাংলাদেশের বিকাশমান পাঠকসমাজে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক অবদান রাখার বিষয়ে অকৃত্রিম আশাবাদ এবং 'ইউনাইটেড গ্রুপ'-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা, যাদের অংশীদারিত্বে এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ পেয়েছে।

বইয়ের শেলফগুলোর মাঝ দিয়ে হাঁটার সময় আমাদের কথোপকথনের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাজার সক্ষমতা। যখন আমি প্রশ্ন তুললাম—বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস যখন প্রায় বিলুপ্তির পথে, তখন কিনোকুনিয়া এখানে কতটুকু সফল হবে? এর উত্তরে কিনোকুনিয়া থাইল্যান্ডের পরিচালক হিরোইয়োশি কাগেয়ামা তাৎক্ষণিক দ্বিমত পোষণ করেন।

তিনি বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি না যে এখানে পাঠক সংখ্যা কমছে। যদি প্রথাগত বই পড়ার অভ্যাস কিছুটা কমেও থাকে, তবে সেটি একটি বৈশ্বিক পরিস্থিতি, কেবল ঢাকার কোনো একক সমস্যা নয়।'

অন্যদিকে, কিনোকুনিয়া মালয়েশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কোইচিরো সাতোমি আরও বাস্তবসম্মত ও তথ্যনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি জানান, দুই বছর আগে ইউনাইটেড গ্রুপের কাছ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর থেকেই তারা বাজার বিশ্লেষণ করছেন, তবে এ বিষয়ে সঠিক পরিসংখ্যানের অভাব রয়েছে।

সাতোমি অকপটে স্বীকার করেন, 'সত্যি বলতে, বাংলাদেশে পাঠকসংখ্যা আসলে কমছে কি না তা আমাদের জানা নেই, কারণ এ সংক্রান্ত কোনো পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই। আমরা বুকস্টোরটি খোলার পর মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে এটি বোঝার চেষ্টা করব। এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে কিছু বলা ঠিক হবে না, কারণ আমাদের কাছে সেই তথ্য নেই।'

ছবি: টিবিএস

ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের পাঠক সমাজ পাইরেটেড পেপারব্যাক, আনঅফিসিয়াল প্রিন্ট বা সস্তা সংস্করণের ওপর নির্ভরশীল। এমন এক বাজারে প্রিমিয়াম মূল্যের মডেল নিয়ে আসা কেন কার্যকর হবে?

এ প্রসঙ্গে কাগেয়ামা বলেন, 'বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং এখানকার তরুণ প্রজন্ম অত্যন্ত গতিশীল। আশা করা যায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।'

কিনোকুনিয়ার কাছে মুনাফার চেয়ে বড় লক্ষ্য হলো বাজারের একটি কাঠামোগত শূন্যতা পূরণ করা।

কাগেয়ামা আরও যোগ করেন, 'আমরা এখানে যে ধরনের অনন্য সংগ্রহ নিয়ে এসেছি—বিশেষ করে যেসব বই বাংলাদেশে অন্য কোথাও পাওয়া যায় না—তা বিবেচনা করলে আমি নিশ্চিত যে, এসব বই যারা কিনবেন সেই পাঠকদের কাছ থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পাব।'

কিনোকুনিয়া বৈচিত্র্যের কথা বললেও অভিজ্ঞ পাঠকরা জানেন, ঢাকার সঠিক নেটওয়ার্ক জানা থাকলে যেকোনো বই খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এমনকি 'বুকওয়ার্ম', 'বাতিঘর' কিংবা 'দ্য রিডিং ক্যাফে'র মতো পরিচিত জায়গাগুলোতেও ইংরেজি বইয়ের ভালো সংগ্রহ রয়েছে।

একটি ব্যক্তিগত উদাহরণ দেওয়া যাক—কয়েক মাস আগে আমি 'বুকওয়ার্ম' থেকে পেঙ্গুইন ক্লাসিকস-এর 'দ্য কাউন্ট অফ মন্টিক্রিস্টো' বইটি কিনেছিলাম প্রায় ৮৫০ টাকায়। কিনোকুনিয়ায় হুবহু সেই একই বই (যা কানাডায় মুদ্রিত) ২ হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

দামের এই বিশাল পার্থক্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতোমি ব্যাখ্যা করেন যে, তাদের পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ আলাদা।

সাতোমি বলেন, 'বইগুলো দেখতে একই মনে হলেও আসলে এগুলো এক নয়। আমাদের বেশিরভাগ বই ভারত বা স্থানীয় পরিবেশকদের কাছ থেকে আসে না। আমরা সরাসরি যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের মূল হাব থেকে এগুলো আমদানি করি।'

আমদানির এই মাধ্যম দাম এবং সংগ্রহের—উভয় ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলে। সাতোমি আরও যোগ করেন, "আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন, আমাদের বইগুলোর আইএসবিএন নম্বর পুরোপুরি আলাদা। আঞ্চলিক ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এড়িয়ে চলায় আমরা এমন সব বইয়ের সংগ্রহ রাখতে পারি যা ভারতীয় বা স্থানীয় বাজারে মেলা ভার।"

তবে আমদানিকৃত বইয়ের আকাশচুম্বী দামের ভিড়ে একটি ব্যতিক্রম বিষয় হলো বাংলা সাহিত্য।

কিনোকুনিয়া যদিও মূলত ইংরেজি বইয়ের জন্য পরিচিত, তবে তারা বাংলা বইয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারমূল্যই দাবি করছে—যা তাদের আমদানিকৃত পাশ্চাত্য সাহিত্যের ঠিক বিপরীত।

উদ্বোধনের আগে সাধারণ মানুষের আগ্রহের বড় কারণ হলো জেনারেশন-জেড এবং তাদের প্রিয় 'অ্যানিমে' ও 'মাঙ্গা'র বিশাল সংগ্রহ। সাতোমি এ বিষয়ে অত্যন্ত গর্বিত। স্থানীয় অন্যান্য দোকানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা তাদের নেই, তবে সরাসরি জাপানি রিটেইল চেইন হওয়ায় তাদের সংগ্রহের পরিমাণ এবং মান অনেক বেশি শক্তিশালী বলে জানান তিনি। মাঙ্গা গ্যালারির বর্ণিল প্রচ্ছদ যে কোনো ভক্তকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানে আটকে রাখার জন্য যথেষ্ট।

একটি বিভাগ আমরা এখনো পরখ করে দেখিনি, সেটি হলো স্টেশনারি। আগামীকাল উদ্বোধনের পর পাঠকরা নিজেরাই হয়তো এই রহস্যের উন্মোচন করবেন।

প্রাথমিক সাড়া দেখেই বোঝা যাচ্ছে কিনোকুনিয়ার এই চ্যালেঞ্জ সফল হতে যাচ্ছে। উদ্বোধনী সপ্তাহান্তের জন্য ভিজিটর রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালু করার কয়েক দিনের মধ্যেই কয়েক হাজার স্লট বুক হয়ে গেছে।

স্বীকার করতেই হয়, প্রিমিয়াম মূল্যের কারণে কিনোকুনিয়া হয়তো সাধারণ ক্রেতার প্রাত্যহিক গন্তব্য হবে না। তবে উত্তরায় বিশ্বমানের এই লিটারারি ল্যান্ডমার্কের উপস্থিতি একটি বড় বার্তা দেয়—আন্তর্জাতিক মানের বই বিপণন নেটওয়ার্কে ঢাকার নাম যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটি একটি শক্তিশালী প্রথম পদক্ষেপ।

Related Topics

টপ নিউজ

জাপান / বুকশপ / টোকিও / কিনোকুনিয়া

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফ্রান্সের চামোনিক্সে প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে মুখে পানির ঝাপটা দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। ২৫ জুন, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
    অসহনীয় গরমেও ইউরোপে এসির ব্যবহার এত কম কেন?
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    ব্যবসার ৭ খাতে ব্যাংক হিসাব খোলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক হলো বিআইএন দাখিল
  • জাপানের মেয়র শোকো কাওয়াতা। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস
    জাপানের ইতিহাসে প্রথম মাতৃত্বকালীন ছুটি নিচ্ছেন একজন মেয়র; মানতে পারছেন না কিছু পুরুষ
  • জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী/ফাইল ছবি
    দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় পুরনোদের ফেরার সুযোগ থাকছে না
  • ফ্রান্সের প্যারিসে আইফেল টাওয়ারের কাছে ট্রোকাদেরো ফোয়ারায় নেমে তীব্র গরম থেকে স্বস্তি নিচ্ছেন মানুষ। ছবি: গনজালো ফুয়েন্তেস
    প্রাণঘাতী দাবদাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ফ্রান্স
  • সংসদ ভবন। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    অর্থবিল পাস: করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, থাকছে না কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

Related News

  • ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে এশিয়ার কোম্পানিগুলোর এসি বিক্রি বেড়েছে
  • বাংলাদেশে শাখা খুলতে আগ্রহী জাপানের এমইউএফজি ব্যাংক
  • ৫০ বছরে প্রথমবারের মতো বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি বাড়াল জাপান
  • ২০১১ সালের শক্তিশালী ভূমিকম্পে পূর্ব দিকে সরে গিয়েছিল গোটা জাপান
  • স্টেডিয়ামের পাশাপাশি ঘর পরিষ্কারের কাজেও হাত লাগান: বিশ্বকাপে গ্যালারি পরিষ্কার করে ভাইরাল হওয়া সমর্থকদের প্রতি জাপানি নারীরা

Most Read

1
ফ্রান্সের চামোনিক্সে প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে মুখে পানির ঝাপটা দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। ২৫ জুন, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

অসহনীয় গরমেও ইউরোপে এসির ব্যবহার এত কম কেন?

2
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ব্যবসার ৭ খাতে ব্যাংক হিসাব খোলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক হলো বিআইএন দাখিল

3
জাপানের মেয়র শোকো কাওয়াতা। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস
আন্তর্জাতিক

জাপানের ইতিহাসে প্রথম মাতৃত্বকালীন ছুটি নিচ্ছেন একজন মেয়র; মানতে পারছেন না কিছু পুরুষ

4
জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী/ফাইল ছবি
অর্থনীতি

দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় পুরনোদের ফেরার সুযোগ থাকছে না

5
ফ্রান্সের প্যারিসে আইফেল টাওয়ারের কাছে ট্রোকাদেরো ফোয়ারায় নেমে তীব্র গরম থেকে স্বস্তি নিচ্ছেন মানুষ। ছবি: গনজালো ফুয়েন্তেস
আন্তর্জাতিক

প্রাণঘাতী দাবদাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ফ্রান্স

6
সংসদ ভবন। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

অর্থবিল পাস: করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, থাকছে না কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]