জ্বালানি সরবরাহের উৎস খুঁজছে সরকার, রেশনিং শুরু
হাজারো মাইল দূরের একটি যুদ্ধ দ্রুতই বাংলাদেশের জন্য জ্বালানি সংকটে রূপ নিচ্ছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায়—যার পেছনে রয়েছে ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ—ঢাকাকে জ্বালানি ও গ্যাস রেশনিং শুরু করতে বাধ্য করেছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবে অস্থির স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি ও পরিশোধিত তেল জোগাড়ে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।
এর প্রভাব ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান। পেট্রোল পাম্পগুলোতে উদ্বিগ্ন গ্রাহকদের ভিড়, যাদের অনেকে আগাম জ্বালানি মজুত করছেন। গ্যাস সংকটে সার কারখানাগুলো উৎপাদন বন্ধ করে দিচ্ছে, আর জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা উপসাগরীয় সরবরাহকারীদের কাছ থেকে ব্যাহত এলএনজি চালানগুলোর বিকল্প সরবরাহ খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক টিবিএসকে বলেন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো: এরফানুল হক টিবিএসকে বলেন, "মার্চ মাসে আমাদের যতগুলো এলএনজি কার্গো আসার কথা— তারমধ্যে ২ কার্গো এলএনজি নিয়ে সমস্যা হয়েছে। এই দুই কার্গো এলএনজি আমরা স্পট মার্কেট থেকে সংগ্রহ করার জন্য ইতোমধ্যে বুকিং দিয়েছি। আশা করছি, সময়মতো দেশে পৌঁছাবে। এই কার্গো দুটো সময়মতো দেশে আসলে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। আর সময়মতো না পৌঁছালে আমরা সার ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেশনিং করব।"
জ্বালানি আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল বাংলাদেশ, যার বড় অংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে আগামী সপ্তাহগুলোতে অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি চালান সময়মতো পৌঁছাবে কি না—তা নিয়ে নতুন করে সংশয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে সেচের মৌসুমে জ্বালানি চাহিদা বাড়ছে, শিল্পে গ্যাস সরবরাহ এরমধ্যেই অনিয়মিত, আর ঈদের আগে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় পরিবারগুলোও উদ্বিগ্ন। সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে, শিল্প উৎপাদন ধীর হয়ে যেতে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।
ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ ১০ শতাংশ কমানো
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে, সরকার পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি বরাদ্দ ১০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস সরবরাহ ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) কমানো হচ্ছে। সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি ছাড়া বাকি সব সার কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মজুতদারি ও চোরাচালান ঠেকাতে নজরদারি দল (ভিজিল্যান্স টিম) মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাম্প মালিকদের ড্রাম বা কনটেইনারে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মজুতও দ্রুত কমে যাচ্ছে। ডিজেলের মজুত নেমে এসেছে মাত্র ৯ দিনের সরবরাহে, অকটেনের মজুত ১৫ দিন, আর ফার্নেস অয়েলের মজুত আছে ৬০ দিনের—যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ছিল ৯৩ দিনের।
বিপিসির পরিচালক (অপারেশন্স ও পরিকল্পনা) এ কে এম আজাদুর রহমান বলেন, যেসব দেশের সাথে বাংলাদেশের জিটুজি চুক্তি রয়েছে, তাদের কাছে কিছু বাড়তি কার্গো রয়েছে। সেগুলো আনার চেষ্টা চলছে।
পাশাপাশি জরুরি আমদানির জন্য সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন এবং আফ্রিকার সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে আরামকো সৌদি আরবের বাইরে থেকে পরিশোধিত তেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
সরকার নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ কমানো, কারপুলিং করা এবং ঘরে গ্যাসের ব্যবহার সীমিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও নিজ দপ্তরে অর্ধেক বাতি বন্ধ রেখে এবং এসি ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করে প্রতীকীভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন।
এদিকে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম ইতিমধ্যেই ৩৫ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও বাড়াচ্ছে। শিল্পখাতের নেতারা সতর্ক করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন ঘটলে উৎপাদন ও রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ অবস্থায়, বিজিএমইএ জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানিতে শুল্ক, কর ও ভ্যাট মওকুফের আহ্বান জানিয়েছে।
চোরাচালান ও জ্বালানি মজুতকরণ ঠেকাতে নজরদারি
জ্বালানি বিভাগ—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জ্বালানি তেল পাচার ও অবৈধ মজুদ বন্ধে জেলা প্রশাসনকে সীমন্তবর্তী অঞ্চলে বিজিবিসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়াও বিপিসি কর্তৃক তিনটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে জেলাভিত্তিক ও অঞ্চলভিত্তিক ভিজিল্যান্স টিম গঠন করে সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছে।
অন্যদিকে খোলাবাজারে জ্বালানি তেল বিক্রয় বন্ধ এবং বিপিসি কর্তৃক সরবরাহকৃত চার্টে উল্লিখিত বরাদ্দ সীমার মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলো জ্বালানি তেল সরবরাহ করছে কিনা—সে বিষয়ে মনিটরিংয়ের জন্য জেলা প্রশাসকদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাম্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠক
গতকাল বিকেলে পেট্রোলপাম্প মালিক সমিতির সাথে অনলাইনে একটি বৈঠক করেছে বিপিসি। বৈঠকে পাম্পগুলোকে ড্রামে ও কনটেইনারে তেল বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকদের স্বাভাবিক চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি সাজ্জাদ করিম কাবুল টিবিএসকে বলেন, "পাম্পগুলো যাতে বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী তেল বিক্রি করে—সেটিই বিপিসির মূল বক্তব্য। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে কোনো ক্রেতাকে তেল দেব না—একথা পেট্রোলপাম্প বলতে পারে না। সেজন্য আমরা বলেছি সরকার যাতে বিষয়টি ঠিকমতো প্রচার করে, যাতে গ্রাহকরাও বুঝতে পারে এখন বাড়তি তেল নেওয়া যাবে না। পাশাপাশি কোন ধরনের গ্রাহক একবারে সর্বোচ্চ কতটা তেল নিতে পারবে—সে বিষয়ে নির্দেশনা জারির জন্য সমিতির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।"
তিনি বলেন, তেলের সরবরাহ ঠিক না থাকলে অনেক পাম্প বন্ধ হয়ে যাবে।
এদিকে রাজধানীর কয়েকটি পাম্পে জ্বালানি সংকট দেখা গেছে। ছয়টি পাম্পে জরিপে দেখা যায়, চারটিতে কোনো জ্বালানি নেই এবং অন্য দুটিতে গ্রাহকপ্রতি মাত্র ৫০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে।
গাবতলীতে কোনো জ্বালানি পাওয়া যায়নি। আর যেখানে সরবরাহ ছিল সেখানে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। এক মোটরসাইকেল চালক জানান, তেল কিনতে তাকে প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।
এলএনজি চালানেও চাপ
সূত্রগুলো জানিয়েছে, স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানির জন্য সরকারের ২৩টি আন্তর্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে মাস্টার সেল অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট রয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, মার্চ মাসে ৭ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা ছিল। এরমধ্যে কাতার থেকে ৬ কর্গো ও এঙ্গোলা থেকে এক কার্গো আসার কথা ছিল। কাতার দুটি কার্গো দিতে পারবে না বলে জানিয়েছে। সেই দুই কার্গো এখন স্পট মার্কেট থেকে সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানি গানভোর ও ভিটোল এশিয়ার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বলেন, "এপ্রিল মাসে পাঁচটি এলএনজি কার্গো হুরমুজ প্রণালি দিয়ে আসার কথা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেগুলো সময়মতো আসবে বলে সরবরাহকারীরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আর পরিস্থিতির অবনতি হলে অষ্ট্রেলিয়া, এঙ্গোলা, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে যাতে এলএনজি সংগ্রহ করা যায় সেবিষয়ে আলোচনা চলছে।"
তিনি বলেন, এসব দেশের সাথে পেট্রোবাংলাও আলোচনা করছে। পাশাপাশি স্পট মার্কেট থেকে সংগ্রহ নিশ্চিত করার জন্য যেসব প্রতিষ্ঠানের সাথে মাস্টার সেল অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট রয়েছে, তাদের সাথেও আলোচনা চলছে। "ফলে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে এখনই বড় ধরনের সংকটের আশংকা নেই।"
জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ের আহ্বান
এদিকে জ্বালানি তেল সাশ্রয়ে দেশের মানুষকে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত পরিবহার করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার না করে গণপরিবহন ব্যবহার করা এবং সম্ভব হলে শেয়ারিং বা কার-পুলিং ব্যবস্থা অবলম্বনের অনুরোধ করেছে সরকার। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে সব সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও দেশের সকল সচেতন নাগরিককে জ্বালানি সাশ্রয়মুলক ব্যবস্থা অবিলম্বে গ্রহণের অনুরোধ করছে সরকার।
প্রাকৃতিক গ্যাস সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় বলেছে, রান্না ও অন্যান্য কাজে গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ের জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার করতে হবে। গ্যাস পাইপলাইন ও বার্নার নিয়মিত পরীক্ষা করে গ্যাসের লিকেজজনিত অপচয় রোধ করতে হবে, এবং অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে।
দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ করে মন্ত্রণালয় বলেছে, সব সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে অফিস চলাকালীন ও অফিস-পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং অতিরিক্ত জ্বালানির ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
নিজেই উদাহরণ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার দপ্তরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগের অংশ হিসেবে কক্ষের ৫০ শতাংশ বাতি বন্ধ রাখার পাশাপাশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করেছেন।
এলএনজির দাম বেড়েছে ৩৫ শতাংশ
দেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী টিবিএসকে বলেন, এলএনজির দাম ৩৫ শতাংশ বেড়েছে, এলপিজির দামও সাড়ে ১০ শতাংশের বেশি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বিশ্বব্যাপী মজুত কমে আসায় দাম আরও বাড়তে পারে। "বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ জ্বালানি উপসাগরীয় অঞ্চল দিয়ে যায়। হরমুজ প্রণালির যেকোনো ধরনের অবরোধ দাম আরও বাড়বে। সরবরাহও টানটান—এ অবস্থায় কেউ দামও বলতে চাইছে না।"
তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের মতো এশিয়ার দেশগুলো, যারা উপসাগরীয় জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল, বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে। সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে যেতে পারে এবং জ্বালানি পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।"
তবে তিনি আশাবাদও ব্যক্ত করে বলেছেন, "আমি মনে করি হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকবে না। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্ব জ্বালানিপণ্যে এত উচ্চমূল্যের চাপ দীর্ঘদিন সহ্য করতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ, কোনো সমাধান আসবে।"
জ্বালানি আমদানিতে শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব বিজিএমইএ সভাপতির
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)-এর প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হাসান খান টিবিএসকে বলেন, "আমাদের কাঁচামাল আমদানির উৎস ও তৈরি পোশাকের ক্রেতা দেশগুলোতে এই যুদ্ধের প্রভাব কম। তাই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল আমদানি ও রপ্তানিতে কোন ব্যাঘাত ঘটবে না।"
"তবে এই যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং এটি হলে পোশাক উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং রপ্তানি কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।"
তিনি বলেন, সরকার বাড়তি দামে তেল-গ্যাস আমদানি করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে দাম বাড়ালে তার ভার শিল্প নিতে পারবে না। এক্ষেত্রে তেল-গ্যাস আমদানির উপর বিভিন্ন স্তরে বিদ্যমান শুল্ক-কর ও ভ্যাট সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করেন তিনি।
