Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
July 21, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, JULY 21, 2026
আমেরিকার এআই যুদ্ধযন্ত্রে মানুষের লাগাম টানার কোনো নিয়ম নেই

আন্তর্জাতিক

ব্রায়ান হাডসন, এশিয়া টাইমস
05 July, 2026, 07:55 pm
Last modified: 05 July, 2026, 08:15 pm

Related News

  • বিশ্বকাপে স্পেনের জয়ে যুদ্ধের মধ্যে মিলল সাময়িক স্বস্তি, আনন্দে মাতল গাজাবাসী
  • চীনের মুনশট আনলো নতুন এআই মডেল, প্রযুক্তিখাতের শেয়ারদরে বড় ধস
  • রাশিয়ার অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গুদামে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিহত ৮
  • স্বর্ণের দাম কমছে কেন এবং আরো কমার সম্ভাবনা কতটুকু?
  • ঢাবির এআই কোর্সে মনোনীত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩০ কর্মকর্তার সবাই পুরুষ, ‘নিরাপত্তা’ ইস্যুতে বাদ পড়লেন নারীরা

আমেরিকার এআই যুদ্ধযন্ত্রে মানুষের লাগাম টানার কোনো নিয়ম নেই

সামরিক ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের পক্ষে যারা সওয়াল করেন, তাদের যুক্তি হলো— এর উন্নত তথ্য ও দ্রুত বিশ্লেষণ হামলাকে আরও নিখুঁত করে তুলতে পারে।
ব্রায়ান হাডসন, এশিয়া টাইমস
05 July, 2026, 07:55 pm
Last modified: 05 July, 2026, 08:15 pm

ইরান যুদ্ধের সময় মিনাবে বাচ্চাদের স্কুলের ট্রাজেডি-ই দেখিয়েছে, পেন্টাগন যথেষ্ট মানব তদারকির সুযোগ না রেখেই এআই- এর যথেচ্ছে ব্যবহার করছে যুদ্ধের ময়দানে। প্রতীকী ছবি: এশিয়া টাইমস

গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর- পেন্টাগন যখন প্যালানটিয়ারের তৈরি 'ম্যাভেন স্মার্ট সিস্টেম'কে তাদের একটি আনুষ্ঠানিক স্থায়ী সামরিক কর্মসূচি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর মাধ্যমে পেন্টাগন কেবল একটি সফটওয়্যারকেই অনুমোদন দেয়নি। বরং এমন একটি এআই প্ল্যাটফর্মকে দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে গ্রহণ করে, যা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু বা টার্গেট শনাক্ত করার জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ, ড্রোন, রাডার, সেন্সর এবং গোয়েন্দা প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করতে পারে।

ইরানের ওপর চালানো আমেরিকার সাড়ে ১৩ হাজার হামলার প্রায় সবকটিতেই এই 'ম্যাভেন' সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এই স্থায়ী সংস্করণের মূল উদ্দেশ্য হলো— এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি বাজেট বা তহবিল সুরক্ষিত করা এবং সমগ্র সামরিক বাহিনীতে এর ব্যবহার ছড়িয়ে দেওয়া।

পেন্টাগনের এই সিদ্ধান্তটি এমন সময়ে আসে, যখন যুক্তরাষ্ট্র নিজেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাবে অবস্থিত 'শাজারেহ তাইয়্যেবাহ' বালিকা বিদ্যালয়ে চালানো হামলার তদন্ত করছিল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, এই হামলার জন্য সম্ভবত মার্কিন বাহিনীই দায়ী ছিল। তবে পেন্টাগন এখনো কোনো চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি।

ইরানির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, এই হামলায় ১৫৫ থেকে ১৭৫ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই স্কুলশিক্ষার্থী এবং শিক্ষক। এখন বড় প্রশ্ন হলো—যে সামরিক ব্যবস্থাকে তথ্য প্রাপ্তি থেকে সরাসরি অ্যাকশন বা হামলায় রূপান্তরের গতি বাড়ানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের এমন মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির পর সেই ব্যবস্থার গতি ধীর বা স্থগিত করার জন্য কেন একই রকম সুনির্দিষ্ট ও প্রকাশ্য কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই?

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভাষায়, ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য একটি "এরর বাজেট" (ভুল করার সর্বোচ্চ সীমা) বা সুরক্ষাকবচ থাকে। যখন কোনো পরিষেবা বা সিস্টেমের ত্রুটি একটি নির্দিষ্ট সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন সমস্যাটি পুরোপুরি চিহ্নিত এবং সমাধান না করা পর্যন্ত নতুন কোনো সংস্করণ বা রিলিজ স্থগিত রাখা হয়। যুদ্ধ অবশ্য কোনো সাধারণ সফটওয়্যার নয়।

কিন্তু ওয়াশিংটনের এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রিত সামরিক অভিযানে, বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট এআই টুলগুলোর ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ, তথ্য-উপাত্তের স্বাধীন পর্যালোচনা কিংবা হামলার পেছনে থাকা সিদ্ধান্তগুলোর কোনো প্রকাশ্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে না।

সামরিক ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের পক্ষে যারা সওয়াল করেন, তাদের যুক্তি হলো— এর উন্নত তথ্য ও দ্রুত বিশ্লেষণ হামলাকে আরও নিখুঁত করে তুলতে পারে। তাত্ত্বিকভাবে এটি সম্ভব। কিন্তু নিখুঁত হওয়া এমন কোনো গুণ নয় যা একটি সফটওয়্যারের মধ্যে এমনিতেই চলে আসে। এটি নির্ভর করে তথ্যের গুণগত মান ও তা কতটা হালনাগাদ বা নতুন, সিস্টেমটি ঠিক কোন জিনিসকে সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করছে এবং মানুষের কাছে তার প্রদত্ত আউটপুট বা ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করার মতো পর্যাপ্ত সময় আছে কি না, তার ওপর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনোই কোনো পুরনো বা পক্ষপাতদুষ্ট তথ্যকে পরম সত্যে রূপান্তর করতে পারে না। এটি বড়জোর ভুল তথ্যকে আরও দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে দিতে পারে।

মানবাধিকার সংস্থা– হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) সতর্ক করে বলেছে, গাজায় ইসরায়েলের ব্যবহৃত ডিজিটাল টুল বা এআই সিস্টেমগুলো মূলত অসম্পূর্ণ তথ্য এবং আনুমানিক হিসাবের ওপর নির্ভর করেছিল, যা বেসামরিক নাগরিকদের জীবনকে আরও বেশি ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। এর মানে এই নয় যে, সামরিক ক্ষেত্রে এআই-এর প্রতিটি ব্যবহারই বেআইনি। শিক্ষাটি হলো—কোনো ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া সিদ্ধান্তের গতি যদি এআই দিয়ে বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তবে কেউ তা ধরার আগেই এর পরিণতি বহুগুণ ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এই ধরনের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রায়শই একটি পরিচিত আশ্বাস দেওয়া হয় যে, "সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় মানুষ তো যুক্ত থাকছেই"। কিন্তু এই আশ্বাস আসলে সমস্যার সমাধান করে না। কোনো ব্যক্তি যখন শুধুমাত্র এআই সিস্টেম এর দেওয়া চূড়ান্ত সুপারিশ বা নির্দেশনা দেখেন, যার পেছনে থাকা তথ্যের উৎস বা ট্রেইল পরীক্ষা করার কোনো সুযোগ তার থাকে না এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ঘণ্টার বদলে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় পান, তখন তার পক্ষে অর্থপূর্ণ বা স্বাধীন বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এই অবস্থায়, এআই সরাসরি ট্রিগার না টিপেও যেকোনো মারাত্মক হামলার রূপরেখা নির্ধারণ করে দিতে পারে। কোন বিষয়টিকে জরুরি হিসেবে দেখাতে হবে, কোন মানুষ বা স্থানটি লক্ষ্যবস্তুর তালিকার শীর্ষে উঠবে এবং কোন তথ্যগুলো একেবারেই সামনে আনা হবে না—তা মূলত এআই সিস্টেমের মাধ্যমেই নির্ধারিত হচ্ছে।

ইরানের ওপর সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান এই উদ্বেগকে আরও বাস্তব ও তাৎক্ষণিক করে তুলেছে। গোপন গোয়েন্দা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, সম্ভাব্য স্থানাঙ্ক বা কো-অর্ডিনেট প্রস্তাব করা, লক্ষ্যবস্তুগুলোর র‍্যাংকিং বা অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং যে পরিকল্পনা করতে একসময় কয়েক সপ্তাহ লাগত, সেটিকে রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক অপারেশনে রূপান্তর করতে ম্যাভেন এবং অ্যানথ্রোপিকের তৈরি ক্লড এআই ব্যবহার করা হয়েছে। এর মানে এই নয় যে, এআই নিজেই স্বাধীনভাবে প্রতিটি লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করেছে কিংবা এআই-সমর্থিত প্রতিটি হামলাই বেআইনি ছিল।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স পরবর্তীতে এক প্রতিবেদনে জানায় যে, প্যালানটিয়ার কোম্পানিকে ম্যাভেন সিস্টেম থেকে অ্যানথ্রোপিকের প্রযুক্তি বাদ দেওয়ার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তবে মূল ও বড় বিষয়টি এখনো অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে: পেন্টাগন এমন সব সিস্টেমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে, যা মূলত বলপ্রয়েরোগ বা হামলার আগে মানুষের চিন্তা-ভাবনা ও বিবেচনার সময়টুকুকে চরমভাবে সংকুচিত করছে বা কেড়ে নিচ্ছে।

মিনাবের সেই ট্র্যাজেডি প্রমাণ করে যে, তথ্য বিশ্লেষণ আর সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতিকে একটি পরম গুণ হিসেবে বিবেচনা করার মানবিক মূল্য কতটা চড়া ও ভয়াবহ হতে পারে। আক্রান্ত সেই স্কুলটির একটি পাবলিক ওয়েবসাইট ছিল, সেখানে শিক্ষার্থীদের ছবি পোস্ট করা হতো এবং স্যাটেলাইটের চিত্রেও এটি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা সম্ভবত পুরোনো গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করেছিলেন।

এই নির্দিষ্ট হামলার ক্ষেত্রে এআই-এর সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী ছিল, তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে তথ্য-উপাত্তগুলো স্পষ্টতই স্কুলটিকে তার সংলগ্ন সামরিক ক্যাম্প বা কম্পাউন্ড থেকে আলাদা করে দেখাতে ব্যর্থ হয়। আর পেন্টাগনও প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা করেনি, এই ভুলটি কীভাবে টার্গেটিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত রূপ নিল। এটি কেবল কোনো কারিগরি ত্রুটি নয়, এটি সরাসরি জবাবদিহিতার বড় সংকট।

মার্কিন কংগ্রেসের উচিত এআই-সমর্থিত লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি বেসামরিক বা আইনি বিরতির নিয়ম (সিভিলিয়ান স্টপ রুল) প্রতিষ্ঠা করা। বেসামরিক নাগরিকদের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া মাত্রই সমজাতীয় মিশনগুলোতে সংশ্লিষ্ট এআই সিস্টেমের ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করা উচিত; একই সঙ্গে তথ্য ও অনুমোদন ভাগের একটি স্বাধীন পর্যালোচনা ও এআই সিস্টেমটির ভূমিকা নিয়ে জনসাধারণের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়াও বাধ্যতামূলক করা দরকার।

তার অর্থ অবশ্য এটাও নয় যে, প্রতিটি বেসামরিক হতাহতকেই অপরাধের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হবে কিংবা সামরিক ক্ষেত্রে এআই-এর সমস্ত ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। এর আসল মানে হলো— কোনো ডেটাবেস, কোনো ঠিকাদার বা কমান্ডারের একটি সিদ্ধান্ত কোনো বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে ভূমিকা রেখেছিল কি না, তা জানার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে মাসের পর মাস— গোপনীয়তার অন্ধকারে বসে অপেক্ষা করতে হবে না।

মার্কিন কংগ্রেস অবশ্য কিছু বিস্তৃত সুরক্ষাকবচ বা গার্ডরেল নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। প্রতিনিধি পরিষদের আর্মড সার্ভিসেস কমিটির ২০২৭ অর্থবছরের প্রতিরক্ষা বিলে পেন্টাগনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন তারা তাদের এআই নীতিমালার পরিধি এমন সমস্ত সিস্টেমে প্রসারিত করে— যা অপারেশনাল পরিকল্পনা, লক্ষ্যবস্তু উন্নয়ন, অস্ত্র নির্বাচন এবং আক্রমণাত্মক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।

এটি অবশ্যই একটি ইতিবাচক সূচনা। তবে এটি কোনো 'সিভিলিয়ান স্টপ রুল' বা বেসামরিক থামার নিয়ম নয়। এটি কোনো ধ্বংসাত্মক বা বা মর্মান্তিক ঘটনার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো সিস্টেমকে থামিয়ে দেয় না, কিংবা জনসাধারণের কাছে জবাবদিহিতার নিশ্চয়তা দেয় না।

সিভিলিয়ান স্টপ রুল থাকলে তা মূলত যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইনকেই আরও শক্তিশালী করবে। প্রচলিত আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, লক্ষ্যবস্তু যাচাই করতে ও বেসামরিক নাগরিকদের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করতে সামরিক বাহিনীকে সম্ভাব্য সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আর যখন এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে কোনো লক্ষ্যবস্তু সামরিক নয় বা কোনো হামলা বেআইনি হতে পারে, তখন সেই হামলা বাতিল বা স্থগিত করার স্পষ্ট নির্দেশও এই আইনে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ইতিমধ্যে এআই সিস্টেমগুলোর নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা বা আইনি সম্মতির ক্ষেত্রে কোনো উদ্বেগ দেখা দিলে আফটার-অ্যাকশন রিভিউ (হামলা-পরবর্তী পর্যালোচনা) এবং পুনরায় পরীক্ষা করা বা সিস্টেমটি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সুপারিশ করেছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা ও একাডেমিক কাজও একই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গবেষক রেনাতো উলফ এআই-সমর্থিত লক্ষ্যবস্তু যাচাইকরণের প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ সতর্কতার ওপর জোর দিয়েছেন। অন্যদিকে জেসিকা ডরসি সতর্ক করে বলেছেন, কম্পিউটেশনাল বা কৃত্রিম ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় মানুষের বিচারবুদ্ধি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। কোনো এআই-চালিত প্রক্রিয়া যদি কেবল গতিকে পুরস্কৃত করার কারণে লক্ষ্যবস্তু যাচাইকরণকে আরও কঠিন করে তোলে, তবে সেই সমস্যাটি আসলে বিদ্যমান আইনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই নামান্তর।

প্যালানটিয়ার হয়তো সহজেই বলতে পারে যে তারা কেবল প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করেছে। পেন্টাগন বলতে পারে সফটওয়্যার তো শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। আর একজন অপারেটর হয়তো অজুহাত দেবেন যে তার কাছে তথ্যগুলো আগেই র‍্যাংকিং করে বা সাজানো অবস্থায় এসেছিল।

কিন্তু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়ে যারা স্বজন হারানোর বেদনায় কাঁদছেন, কে দায়ী—তার কোনো স্পষ্ট উত্তর তাদের কাছে নেই। ওয়াশিংটন যতদিন না জনসাধারণের কাছে দৃশ্যমান একটি 'সিভিলিয়ান স্টপ রুল' তৈরি করছে, ততদিন এই "নিখুঁত যুদ্ধ" (প্রিসিশন ওয়ারফেয়ার) কেবল একটি প্রযুক্তিগত শব্দবন্ধ হিসেবেই রয়ে যাবে; যা আসলে একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে আড়াল করে। যার পরিণতি হচ্ছে— হামলার আগেই থামার, লক্ষ্যবস্তু পরীক্ষা করার এবং নিজের ভুলের জন্য জবাবদিহি করার কোনো কার্যকর উপায় ছাড়াই— অন্ধের মতো বলপ্রয়োগের গতিকে বাড়িয়ে যাওয়া।


লেখক: ব্রায়ান হাডসন একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং স্বাধীন সাংবাদিক।

 

Related Topics

টপ নিউজ / মতামত

এআই / পেন্টাগন / যুদ্ধ / মিনাব

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম
    মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম
  • ছবি: সংগৃহীত
    মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ, চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের
  • ছবি: টিবিএস
    ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে
  • ম্যাচের পর বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওটামেন্ডি ও রদ্রি। ছবি: বিবিসি
    'তোমরা পুরো সপ্তাহ রেফারিং নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করেছো': হারের পর স্পেনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টাইন ফুটবলার ওটামেন্ডির ক্ষোভ
  • মূল্য নির্ধারণের আইনি জটিলতায় আটকে শত শত নতুন ওষুধ, স্থবির বিনিয়োগ
    মূল্য নির্ধারণের আইনি জটিলতায় আটকে শত শত নতুন ওষুধ, স্থবির বিনিয়োগ

Related News

  • বিশ্বকাপে স্পেনের জয়ে যুদ্ধের মধ্যে মিলল সাময়িক স্বস্তি, আনন্দে মাতল গাজাবাসী
  • চীনের মুনশট আনলো নতুন এআই মডেল, প্রযুক্তিখাতের শেয়ারদরে বড় ধস
  • রাশিয়ার অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গুদামে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিহত ৮
  • স্বর্ণের দাম কমছে কেন এবং আরো কমার সম্ভাবনা কতটুকু?
  • ঢাবির এআই কোর্সে মনোনীত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩০ কর্মকর্তার সবাই পুরুষ, ‘নিরাপত্তা’ ইস্যুতে বাদ পড়লেন নারীরা

Most Read

1
মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম
অর্থনীতি

মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে জনতা ব্যাংকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কার্যক্রম

2
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ, চার প্রতিষ্ঠানের ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

3
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে

4
ম্যাচের পর বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওটামেন্ডি ও রদ্রি। ছবি: বিবিসি
খেলা

'তোমরা পুরো সপ্তাহ রেফারিং নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করেছো': হারের পর স্পেনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টাইন ফুটবলার ওটামেন্ডির ক্ষোভ

5
মূল্য নির্ধারণের আইনি জটিলতায় আটকে শত শত নতুন ওষুধ, স্থবির বিনিয়োগ
অর্থনীতি

মূল্য নির্ধারণের আইনি জটিলতায় আটকে শত শত নতুন ওষুধ, স্থবির বিনিয়োগ

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]