Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
July 07, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, JULY 07, 2026
বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তৃত রোগ মানসিক সমস্যা: আক্রান্ত ১২০ কোটি মানুষ

আন্তর্জাতিক

আরটি
24 May, 2026, 03:35 pm
Last modified: 24 May, 2026, 03:49 pm

Related News

  • মানসিক হাসপাতাল কোনো ‘চিড়িয়াখানা’ নয়, নয় কোনো ‘বিনোদন’ এর জায়গা
  • দেশে বাড়ছে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, চিকিৎসা সেবা অপ্রতুল
  • যেভাবে মাত্র ৫ মিনিটে ‘স্ট্রেস’ কমাবেন
  • পাতালঘরে ১০ হাজার মস্তিষ্ক: মানব মস্তিষ্কের রহস্যময় সংগ্রহশালা 
  • প্রতিভাবানরা কেন মানসিক রোগ ও বিষণ্ণতায় বেশি ভোগে?

বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তৃত রোগ মানসিক সমস্যা: আক্রান্ত ১২০ কোটি মানুষ

গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি বেড়েছে অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার এবং মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার।
আরটি
24 May, 2026, 03:35 pm
Last modified: 24 May, 2026, 03:49 pm
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্যবিষয়ক বিজ্ঞান সাময়িকী 'ল্যানসেট'-এর এক নতুন গবেষণায় একটি চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। তাতে বলা হচ্ছে, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তৃত রোগ ইবোলা বা হ্যান্টাভাইরাস নয়; বরং তা হলো নানা ধরনের মানসিক রোগ। বর্তমানে বিশ্বের ১২০ কোটির বেশি মানুষ কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।  

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১২০ কোটি মানুষ কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগেছেন, যা ১৯৯০ সালের তুলনায় ৯৫ শতাংশ বেশি। এই গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি বেড়েছে অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার ( উদ্বেগজনিত সমস্যা ) এবং মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার (মারাত্মক বিষণ্নতা )। রোগ দুটি যথাক্রমে ১৫৮ ও ১৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, এই দুটি রোগই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তৃত মানসিক সমস্যা হিসেবে রূপ নিয়েছে।

সবচেয়ে সাধারণ মানসিক রোগ 

ল্যানসেটের গবেষণায় চিহ্নিত ১২টি সবচেয়ে সাধারণ মানসিক রোগ হলো:

  • অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারস 
  • মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার 
  • ডিসথাইমিয়া  
  • বাইপোলার ডিসঅর্ডার 
  • সিজোফ্রেনিয়া 
  • অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারস 
  • কন্ডাক্ট ডিসঅর্ডার
  • এডিএইচডি 
  • অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা 
  • বুলিমিয়া নার্ভোসা 
  • ইডিওপ্যাথিক ডেভেলপমেন্টাল ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅ্যাবিলিটি (আইডিআইডি)
  • এছাড়াও অন্যান্য মানসিক রোগ

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কারা?

গবেষকদের মতে, এডিএইচডি এবং আইডিআইডি নামের দুটি রোগের হার কিছুটা কমলেও (যথাক্রমে ১.৮% ও ১৬.৪% কমেছে), বাকি রোগগুলো জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। তবে এই বৃদ্ধির প্রভাব সবার ওপর সমানভাবে পড়েনি। গবেষণার ১২টি রোগের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নারীদের আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি। 

যেমন—বিষণ্নতা, উদ্বেগ, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, অ্যানোরেক্সিয়া বা বুলিমিয়ায় নারীদের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। অন্যদিকে, এডিএইচডি, অটিজম বা অবাধ্যতার মতো সমস্যাগুলো পুরুষ বা ছেলেদের মাঝে বেশি দেখা যায়।

ছবি: সংগৃহীত

গবেষণায় প্রথমবারের মতো এমন একটি তথ্য বেরিয়ে এসেছে যে, ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের ওপরেই মানসিক রোগের সবচেয়ে বড় চাপটা যাচ্ছে।

২০৪টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দেশেই মানসিক রোগীর সংখ্যা বাড়লেও, পশ্চিমা বা উন্নত দেশগুলোতেই এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। 'মানসিক রোগের কারণে হারানো জীবনকাল'-এর একটি মাপকাঠি ব্যবহার করে গবেষকরা দেখেছেন, নেদারল্যান্ডসে প্রতি ১ লাখে প্রায় ৩ হাজার ৫৫৫ জন মানসিক রোগে ভুগছেন, যেখানে ভিয়েতনামে এই হার মাত্র ১ হাজার ৩০২ জন।

মাঝারি আয়ের দেশগুলোতে গড়ে প্রতি ১ লাখে প্রায় ১ হাজার ৮৫৩ জন মানুষ মানসিক সমস্যায় ভুগলেও, উন্নত ও ধনী দেশগুলোতে এই হার প্রতি লাখে ২ হাজার ১৮৪ জন!

কেন বাড়ছে মানসিক রোগ?

এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান গবেষক ড. ডামিয়ান স্যান্টোমাউরো সিএনএনকে বলেন, 'এর পেছনে অনেকগুলো কারণ জড়িয়ে আছে, যেগুলো আলাদা করে চিহ্নিত করা সত্যিই বেশ কঠিন।' তবে তার সহকর্মী ড. রবার্ট ট্রেস্টম্যান একটি মূল কারণের কথা উল্লেখ করে বলেন, 'মানসিক রোগ নিয়ে মানুষের মনে যে ভয় ছিল তা এখন অনেকটাই কমে গেছে। মানুষ মুখ বুজে কষ্ট সহ্য করার চেয়ে এখন নিজের সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে।'

তবে যেখানে ড. ট্রেস্টম্যান এই বৃদ্ধিতে মানুষের সচেনতাকে বড় করে দেখছেন, সেখানে অনেকেই মনে করেন, মূলত অতিরিক্ত রোগ নির্ণয় বা 'ওভার-ডায়াগনোসিস'-এর কারণেই এই সংখ্যাটা এত বেশি দেখাচ্ছে।

অতিরিক্ত রোগ নির্ণয় 

ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবায় (এনএইচএস) ২০১৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মানসিক রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। ২০১৩ সালে সংখ্যাটি ছিল ৪০ লাখের সামান্য কম, যা ২০২৫ সালে বেড়ে প্রায় ৯০ লাখে দাঁড়িয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ করে অটিজম এবং এডিএইচডির কারণেই এই সংখ্যা এতটা বেড়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। গত ডিসেম্বরে তিনি বলেছিলেন, 'অতিরিক্ত মাত্রায় এই রোগগুলো নির্ণয় করা হচ্ছে।' এ বিষয়টি নিয়ে একটি সরকারি পর্যালোচনা বা রিভিউয়ের নির্দেশও দেন তিনি।

এ বিষয়ে বিবিসি ৭৫০ জন ব্রিটিশ ডাক্তারের একটি ছোট জরিপ করেছিল। তাদের মধ্যে ৪৪২ জনই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের সাথে একমত পোষণ করেন। অন্যদিকে, মাত্র ৮১ জন ডাক্তার মনে করেন যে মানসিক রোগের এখনও আন্ডার-ডায়াগনোসিস বা কম নির্ণয় হচ্ছে।

এক ডাক্তার বিবিসিকে বলেন, 'আমরা যেন ভুলে যেতে শুরু করেছি যে, জীবন অনেক কঠিন হতে পারে। কষ্ট পাওয়া বা মন ভাঙাটা খুব সাধারণ ও স্বাভাবিক একটি বিষয়, যার সাথে আমাদের লড়াই করে বেঁচে থাকতে শিখতে হবে।'

২০২২ সালের এক গবেষণায় অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক জানান যে, চিকিৎসকরা সাধারণ কিছু আচরণকেও রোগ বা প্যাথোলজি হিসেবে চিহ্নিত করে রোগ নির্ণয়ের সংজ্ঞাকে অতিরঞ্জিত করে ফেলেছেন। যেমন—আগে একটি ছেলে ক্লাসে শান্ত হয়ে না বসলে তা নিয়ে খুব বেশি চিন্তার কিছু ছিল না, কিন্তু আজকাল সে সহজেই এডিএইচডির রোগী বলে চিহ্নিত হচ্ছে।

ওষুধ কোম্পানিগুলোর 'মহা-বাণিজ্য'

বিবিসির সঙ্গে কথা বলা চিকিৎসকদের একজন বলেন, 'আমরা খুব দ্রুত অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট বা বিষণ্নতা দূর করার ওষুধ লিখে দিই, যদিও আমরা জানি যে এটি হয়তো শুধু সাময়িকভাবে কাজে আসবে এবং রোগটিকে পুরোপুরি সারাবে না।' 'দ্য ফার্মাসিউটিক্যাল জার্নাল'-এর হিসাব মতে, ২০২২ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের প্রায় ১৪.৭ শতাংশ মানুষের অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের প্রেসক্রিপশন রয়েছে। আর ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী বাচ্চাদের এই ওষুধ সেবনের পরিমাণ অন্তত ৪১ শতাংশ বেড়েছে। ২০০০ থেকে ২০২০ সালের মাঝে ইউরোপীয় ইউনিয়নে এই অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ১৪৭ শতাংশ। একই সময়ে আমেরিকায় এই হার বেড়েছে ৬৫ শতাংশ।

এসব পরিসংখ্যানে শুধু একটি বিষয়ই পরিষ্কার হয়—তা হলো, ওষুধ কোম্পানিগুলোর পকেটে যাচ্ছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা! 'ফরচুন' ম্যাগাজিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টের বাজার ১৮.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। ফরচুন আরও জানিয়েছে, 'রোগ নির্ণয় বাড়ানোর মাধ্যমে বড় বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদের লাভের অঙ্ক ফুলেফেঁপে তুলছে।' এর কারণ হিসেবে তারা বলে, 'মুনাফাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে মানসিক রোগের ব্যাপারে যে সচেতনা তৈরি করছে, তা প্রকারান্তরে বাজারের চাহিদাকেই বাড়িয়ে দিচ্ছে।'

আশির দশকের শুরুতে, এই বিশাল ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। তারা চাপ দেয় যেন ডিপ্রেশন কে সাময়িক মন খারাপ হিসেবে না দেখে বরং একটি 'ডিসঅর্ডার' হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যার জন্য ওষুধের প্রয়োজন! এরপর, কোম্পানিগুলো তাদের বানানো 'এসএসআরআই' নামক নতুন এক ধরনের অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধের কার্যকারিতা প্রমাণের জন্য লাখ লাখ ডলার ঢেলে গবেষণায় সাহায্য করতে শুরু করল।

সাধারণ বিষণ্ণতারোধী ওষুধের বোতল ছবি: জো রেডল

আধুনিক অনেক গবেষণায়ই দেখা গেছে, ওই সময় এই ওষুধের প্রাথমিক কার্যকারিতার অনেক পরীক্ষাই ওষুধ কোম্পানির দ্বারা প্রভাবিত ছিল। শুধু তা-ই নয়—গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন , ফরেস্ট ল্যাবরেটরিজ এবং তাকেদার মতো বড় বড় ওষুধ কোম্পানির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগও ওঠে যে, তারা অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট বিক্রির জন্য ডাক্তারদের ঘুষ দিয়েছিল। ২০১২ সালের এক ঐতিহাসিক চুক্তিতে গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনকে ৩ বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলার জরিমানা গুনতে হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তারা তাদের 'প্যাক্সিল' ও 'ওয়েলবুট্রিন' ওষুধ লেখার বিনিময়ে ডাক্তারদের জন্য ভালো রেস্তোরাঁ ও হোটেলে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।

ল্যানসেটের গবেষণায় যে ১২টি রোগের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে কেবল কন্ডাক্ট ডিসঅর্ডার বাদে সবগুলোর জন্যই প্রেসক্রিপশনের ওষুধ লাগে। ফলে এই রোগগুলো বারবার ডায়াগনোস করা হলে ওষুধ কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক স্বার্থই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে।

'আধুনিক জীবন' মানসিক স্বাস্থ্যের শত্রু

মানসিক রোগ বিস্তারের পেছনে ওভার-ডায়াগনোসিস এবং ওষুধ কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক লালসার কথা যেমন সত্যি, তেমনি অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন—আধুনিক জীবনযাপন নিজেই আমাদেরকে অসুস্থ করে তুলছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যালেক্স কুরমি গত বছর 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ এক চমৎকার ব্যাখ্যা দেন।

তিনি লেখেন, আদিম যুগে মানুষ একটি ছোট নিবিড় দলের সঙ্গে মিলেমিশে থাকত এবং শিকারে সময় পার করত। সেখানে এক ধরনের আত্মিক যোগাযোগ ছিল। কিন্তু এখন মানুষ ইটপাথরের শহরে নিজেদের বন্দি করে ফেলছে এবং কায়িক পরিশ্রমহীন জীবন যাপন করছে। পাশাপাশি তারা রাসায়নিক মেশানো খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে এবং সারাদিন খারাপ খবরের নেতিবাচক সংবাদ তাদের চারপাশ ঘিরে ধরছে।

২০১২ সালের 'ডিপ্রেশন এজ এ ডিসিজ অব মর্ডানিটি' নামের এক গবেষণায় বলা হয়েছিল, 'বর্তমান মানুষ প্রয়োজনের বেশি খাচ্ছে, কিন্তু কোনো শারীরিক পরিশ্রম করছে না। রোদ কম পাওয়ায় পুষ্টির ঘাটতি, ঘুমের অভাব, আর চারপাশ থেকে একা হয়ে যাওয়ার কারণে মানুষ ধীরে ধীরে অসুস্থ হচ্ছে।' ওই গবেষণায় আরও মজার একটি কথা বলা হয়েছিল—একটি দেশের 'মাথাপিছু আয়' যত বেশি, সেখানে 'মুড ডিসঅর্ডারে' আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তত বেশি!

ল্যানসেট-এর গবেষণা জানাচ্ছে যে, কোভিড-১৯ মহামারির পর এই মানসিক রোগীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। কারণ লকডাউন, একাকীত্ব, বেকারত্ব এবং প্রবল মানসিক চাপ সে সময় দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষকে একেবারে ভেঙে দিয়েছিল।

আধুনিক যুগের কিছু জিনিস সরাসরি মানুষের মনের স্বাস্থ্যে যে ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে, তার একটি বড় প্রমাণ হচ্ছে—সোশ্যাল মিডিয়া। প্রায় ১৪৩টি গভীর ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সাথে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি বা খাওয়ার অনীহার মতো রোগের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার কিশোর-কিশোরীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের 'সার্জন জেনারেল' সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, যেসব কিশোর-কিশোরী দৈনিক ৩ ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, তাদের দুশ্চিন্তা আর বিষণ্নতার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ। গত বছর পিউ রিসার্চ-এর এক সমীক্ষায় দেখা যায়, আমেরিকার কিশোর-কিশোরীদের প্রায় অর্ধেকই মনে করে, সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এতে কি চিন্তিত হওয়া উচিত?

এর সহজ উত্তর হলো—'পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে'। দেশের জিডিপি বৃদ্ধির সাথে মানসিক রোগের ঝুঁকির সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ভুলে গেলে চলবে না যে, এই ধনী দেশগুলোই বড় ওষুধ কোম্পানির মূল লক্ষ্য। সেখানে একটু মন খারাপ হলেই চিকিৎসকেরা তড়িঘড়ি করে রোগ হিসেবে আখ্যা দেন আর ওষুধের বস্তা হাতে তুলে দেন!

তবে হ্যাঁ, মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার সমাধান আমাদের আশেপাশেই আছে। স্ক্রিন ব্যবহারের সময় কমানো এবং সোশ্যাল মিডিয়ার থেকে একটু দূরে থাকা, ভালো ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, নিয়ম করে হাঁটা বা ব্যায়াম করা, বন্ধু এবং পরিবারের সাথে শক্ত সম্পর্ক বজায় রাখা—এর সবই আমাদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখে। এসব নিয়ম মেনে চললে হয়তো আমাদের বড় কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে চিন্তিত হওয়ার আর প্রয়োজন পড়বে না।

Related Topics

টপ নিউজ

মানসিক সমস্যা / বিস্তৃত রোগ / মানসিক রোগ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: সংগৃহীত
    ছবি মুক্তির পরপরই সরকারি নিষেধাজ্ঞা; ভক্তদের ডাউনলোড করা কপি ছড়িয়ে দিতে বললেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ
  • ৬ জুলাই, ২০২৬; হামাস সরকারের গণমাধ্যম দপ্তরের প্রধান ইসমাইল আল থাওয়াবতা মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ছবি: এএফপি
    গাজায় নিজেদের শাসন কাঠামো ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা হামাসের
  • টিবিএস ইলাস্ট্রেশন
    জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল ও মিটার ভাড়া নিয়ে বিভ্রান্তি: দাপ্তরিক ভুল স্বীকার করে যে ব্যাখ্যা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    মঙ্গলবার টানা ১৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
  • ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত
    বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে: উয়েফা
  • কোলাজ: টিবিএস
    ১০ হাজার কোটির বাজার! ঢাকায় যেভাবে ডালপালা মেলছে বোটক্স ও ফিলারের ‘অ্যাস্থেটিক অর্থনীতি’

Related News

  • মানসিক হাসপাতাল কোনো ‘চিড়িয়াখানা’ নয়, নয় কোনো ‘বিনোদন’ এর জায়গা
  • দেশে বাড়ছে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, চিকিৎসা সেবা অপ্রতুল
  • যেভাবে মাত্র ৫ মিনিটে ‘স্ট্রেস’ কমাবেন
  • পাতালঘরে ১০ হাজার মস্তিষ্ক: মানব মস্তিষ্কের রহস্যময় সংগ্রহশালা 
  • প্রতিভাবানরা কেন মানসিক রোগ ও বিষণ্ণতায় বেশি ভোগে?

Most Read

1
ছবি: সংগৃহীত
বিনোদন

ছবি মুক্তির পরপরই সরকারি নিষেধাজ্ঞা; ভক্তদের ডাউনলোড করা কপি ছড়িয়ে দিতে বললেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ

2
৬ জুলাই, ২০২৬; হামাস সরকারের গণমাধ্যম দপ্তরের প্রধান ইসমাইল আল থাওয়াবতা মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

গাজায় নিজেদের শাসন কাঠামো ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা হামাসের

3
টিবিএস ইলাস্ট্রেশন
বাংলাদেশ

জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল ও মিটার ভাড়া নিয়ে বিভ্রান্তি: দাপ্তরিক ভুল স্বীকার করে যে ব্যাখ্যা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ

4
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

মঙ্গলবার টানা ১৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

5
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত
খেলা

বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে: উয়েফা

6
কোলাজ: টিবিএস
ফিচার

১০ হাজার কোটির বাজার! ঢাকায় যেভাবে ডালপালা মেলছে বোটক্স ও ফিলারের ‘অ্যাস্থেটিক অর্থনীতি’

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]