Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
June 06, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, JUNE 06, 2026
মার্কিন অবরোধের মাঝেই খালি জাহাজ ভিড়ছে ইরানের বন্দরে, লাখ লাখ ব্যারেল তেল ভরে বন্দরও ছাড়ছে

আন্তর্জাতিক

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
18 April, 2026, 02:25 pm
Last modified: 18 April, 2026, 02:27 pm

Related News

  • মার্কিন নৌ অবরোধে যেভাবে তেল থেকে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব হারাচ্ছে ইরান
  • হরমুজ নিয়ে মার্কিন চাপ উপেক্ষা করেই ইরানের সাথে সম্পর্ক রাখছে ওমান
  • ‘বহু বছর ধরে আমেরিকার কাছ থেকে ফায়দা তুলেছে ভারত, এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে’: ট্রাম্প
  • এখনও মোজতবার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়নি, তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই: ট্রাম্প
  • ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করল হিজবুল্লাহ

মার্কিন অবরোধের মাঝেই খালি জাহাজ ভিড়ছে ইরানের বন্দরে, লাখ লাখ ব্যারেল তেল ভরে বন্দরও ছাড়ছে

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
18 April, 2026, 02:25 pm
Last modified: 18 April, 2026, 02:27 pm

১৬ এপ্রিলের স্যাটেলাইট চিত্র। ছবি: ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

তেহরানের ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করতে নৌ-অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। কিন্তু তার মাঝেই পারস্য উপসাগরে ইরানের বন্দরগুলোতে গত কয়েক দিনে পাঁচটি খালি ট্যাংকার ভিড়েছে। সেগুলোতে লাখ লাখ ব্যারেল তেল ভরার কাজও শুরু হয়েছে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর রিভিউ করা স্যাটেলাইট চিত্র ও বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হরমুজ প্রণালির অন্য প্রান্তে, ওমান উপসাগরে ঘুরঘুর করছিল পাঁচটি ট্যাংকার। ইরানের একেবারে পূর্ব প্রান্তের বন্দরের বাইরে থাকা ওই জাহাজগুলোকে চলতি সপ্তাহের শেষের দিক থেকে স্যাটেলাইট চিত্রে আর দেখা যাচ্ছে না। মোট ৯০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে ওই ট্যাংকারগুলো এখন ঠিক কোথায় রয়েছে, তা অজানা। যদিও মার্কিন  কর্মকর্তাদের দাবি, গত সোমবার অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো জাহাজই সেই বেড়াজাল ভাঙতে পারেনি।

স্যাটেলাইট চিত্র, জাহাজ চলাচলের তথ্য ও একাধিক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে করা ওয়াশিংটন পোস্টের বিশ্লেষণ থেকে মার্কিন অবরোধের ভেতরে চলা সামুদ্রিক কার্যকলাপের একটি আংশিক চিত্র পাওয়া যায়। বিশ্লেষণে মোট ১০টি জাহাজকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলোর গতিবিধি অবরোধের আওতাভুক্ত বলেই মনে করা হচ্ছে। এতে স্পষ্ট যে, জাহাজগুলো অবরোধের ঘেরাটোপে থাকলেও ইরানের স্থাপনাগুলো থেকে তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। শুক্রবার তারা ঘোষণা দিয়েছে, নৌপথটি ফের খুলে দেওয়া হচ্ছে। এর কিছুক্ষণ পরেই সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, প্রণালি খুলে দেওয়া হলেও ইরানের সঙ্গে 'লেনদেন শতভাগ সম্পন্ন হওয়ার আগপর্যন্ত' অবরোধ বহাল থাকবে। 

ইউএস সেন্ট্রাল কম্যান্ড জানিয়েছে, এই অবরোধে ১০ হাজার মার্কিন সেনা, ডজনখানেকের বেশি নৌবাহিনীর জাহাজ এবং একগুচ্ছ যুদ্ধবিমান ও ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। অবরোধ ঘোষণার সময় মার্কিন  কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ইরানের বন্দর বা উপকূল থেকে আসা-যাওয়া করা যেকোনো দেশের জাহাজের ওপরেই এই কড়াকড়ি বলবৎ হবে। তবে যেসব জাহাজের গন্তব্য বা উৎস ইরানের কোনো বন্দর নয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই অবরোধ কার্যকর হবে না।

বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে জয়েন্ট চিফস অভ স্টাফ-এর চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন একটি মানচিত্র তুলে ধরেন। তাতে ওমান উপসাগরজুড়ে বিস্তৃত একটি 'অবরোধ রেখা' দেখানো হয়। উত্তরে ইরান-পাকিস্তান সীমান্ত থেকে দক্ষিণে ওমানের রাস আল হাদ্দ উপদ্বীপ পর্যন্ত ওই রেখা বিস্তৃত।

তবে অবরোধ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত একজন মার্কিন  কর্মকর্তা স্বীকার করে নিয়েছেন যে, ইরানের বন্দরগুলোর আশেপাশে এখনও যথেষ্ট সক্রিয় রয়েছে একাধিক ট্যাংকার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, অবরোধ-সীমানার মধ্যে থাকা সন্দেহভাজন বহু জাহাজের—সংখ্যায় যা দুই অঙ্কের—ওপর নজর রাখছে মার্কিন বাহিনী। উপসাগরে ইতিমধ্যেই আমেরিকার বেশ কয়েকটি 'ডেস্ট্রয়ার' মোতায়েন করা হয়েছে। তার দাবি, প্রয়োজন বুঝলেই সন্দেহভাজন জাহাজগুলোর পথ আটকাবে সেগুলো।

ছবি: ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

ওই  কর্মকর্তা বলেন, 'ভৌগোলিক অবস্থানকেই আমরা নিজেদের সুবিধার্থে কাজে লাগাচ্ছি।'

ওমান উপসাগর অবরোধ করে রাখলে পারস্য উপসাগরের তুলনামূলক অগভীর ও সঙ্কীর্ণ জলপথ এড়িয়ে যেতে পারবে মার্কিন বাহিনী। পাশাপাশি ডেস্ট্রয়ারগুলোর গতিরও পুরো সুবিধা তোলা যাবে। কারণ, এই যুদ্ধজাহাজগুলো ঘণ্টায় ৩০-৩৫ মাইল বেগে ছুটতে পারে। অন্যদিকে সাধারণ তেলের ট্যাংকারগুলোর গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫ মাইলের কাছাকাছি বা তার থেকে সামান্য বেশি।

বৃহস্পতিবার কেইন দাবি করেছেন, ইরানের জলসীমা ও আন্তর্জাতিক জলপথ—সর্বত্রই এই অবরোধ বহাল থাকবে। মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে ভারত মহাসাগর বা অন্যত্র পাড়ি দেওয়া যেকোনো ইরানি জাহাজ অথবা তেহরানকে সাহায্যকারী যেকোনো জাহাজেরই পিছু ধাওয়া করবে মার্কিন বাহিনী।

কেইন বলেন, অবরোধের শর্ত ভেঙে কোনো জাহাজ ওই এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করলেই সতর্কবার্তা দেবে পাহারায় থাকা আমেরিকার প্রধান জাহাজটি। আর বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থেকে বিমান সহযোগিতাও আসবে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মোট ১৯টি জাহাজ অবরোধের মুখে পড়ে ঝুঁকি না নিয়ে ফিরে গেছে।

খালি জাহাজ পৌঁছাচ্ছে

বৃহস্পতিবারের স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, 'হিলডা ১', 'সিলভিয়া ১' ও 'আম্বার'—এই তিনটি ইরানি ট্যাংকার খারগ দ্বীপে নোঙর করেছে। ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই হয় এই দ্বীপ থেকে। 

তেল পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী স্বাধীন সংস্থা ট্যাংকার ট্র্যাকার্স-এর তথ্যমতে, ওই তিনটি জাহাজে মোট ৫০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ভরা হয়েছে।

ছবি: ওয়াশিংটন পোস্ট

ইরানের তেল রপ্তানি অবকাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ খারগ। মূল ভূখণ্ড থেকে অপরিশোধিত তেল এই টার্মিনালের মজুতাগারে এসে পৌঁছায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও বিপুল খরচের ধাক্কা এড়াতে স্টোরেজে মজুত হওয়া তেল খালাস অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি।

লন্ডনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক থিঙ্কট্যাঙ্ক রয়্যল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট-এর গবেষক পেট্রাস কাটিনাস বলেন, এই জাহাজগুলো আদতে ভাসমান স্টোরেজ হিসেবেই কাজ করে। তেলের জোগান যাতে এক জায়গায় আটকে না থাকে, জাহাজগুলো তা নিশ্চিত করে। এতে মজুতাগারে অতিরিক্ত তেল জমে গিয়ে গোটা অবকাঠামো বা উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

ট্যাংকার ট্র্যাকার্স-এর তথ্য অনুযায়ী, সেখান থেকে প্রায় ১০০ মাইল দূরে, পারস্য উপসাগরে ইরানের সর্বউত্তরের বন্দর মাহশাহরেও একটি ট্যাংকারে জ্বালানি তেল ভরা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের স্যাটেলাইট-চিত্রে 'আর্নিকা' নামে ওই চতুর্থ ইরানি ট্যাংকারটিকে দেখা গেছে। এছাড়াও বুধবার বন্দর মাহশাহরের দক্ষিণ-পুবে আসালুয়েহ বন্দরের স্যাটেলাইট চিত্রে চীনের মালিকানাধীন আরও একটি জাহাজকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পানামার পতাকাবাহী ওই জাহাজটির নাম 'ইয়ং তাই'। ট্যাংকার ট্র্যাকার্স জানিয়েছে, ওই জাহাজে ক্রুড বিভিন্ন পণ্য বোঝাই করা হচ্ছিল।

অতীতে ইরানের তেল পরিবহন করেছে, এমন বেশ কিছু ট্যাংকার গত কয়েক দিনে হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে ঢুকেছে। যদিও সামুদ্রিক তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা কেপলার-এর জাহাজ চলাচলের পরিসংখ্যান বলছে, সেগুলো এখনও কোনো বন্দরে নোঙর করেনি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জাহাজগুলোর অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য বিকৃত করাও সম্ভব। এর ফলে ভুয়া কোঅর্ডিনেটস সম্প্রচার করে জাহাজগুলো অনায়াসে নিজেদের আসল অবস্থান গোপন করতে পারে।

জাহাজ চলাচলের তথ্য বলছে, ডাচ-ক্যারিবিয়ান দ্বীপ কুরাসাওয়ের পতাকাবাহী সুপারট্যাংকার 'আলিসিয়া' বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে পশ্চিম অভিমুখে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা জাহাজটি ইরানের জলসীমা ঘেঁষে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে এগিয়েছে। কৌশলগত ওই জলপথে তেহরান কড়াকড়ি শুরুর পর থেকে এই এলাকাটি ইরানের টোল বুথ হিসেবেই পরিচিত।

কেপলার-এর তথ্যমতে, এর প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে 'আরএইচএন' নামে অপর একটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ট্যাংকারকেও একই পথে যেতে দেখা যায়। সেটিতেও কুরাসাওয়ের পতাকা লাগানো ছিল। কেপলার জানিয়েছে, জাহাজটির নির্দিষ্ট কোনো গন্তব্য দেখানো হচ্ছে না। তবে সম্ভবত তেল ভরার জন্য সেটি খারগ দ্বীপের দিকেই এগোচ্ছে।

ছবি: ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

বন্দর ছাড়ছে তেলবাহী ট্যাংকার

গত কয়েক দিন ধরে অবরোধ-রেখার কাছেই ইরানের চাবাহার বন্দরের আশেপাশে বেশ কয়েকটি ইরানি জাহাজের আনাগোনা দেখা যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবারের স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, ওই এলাকা ছেড়ে ইতিমধ্যেই রওনা দিয়েছে পাঁচটি তেল বোঝাই ট্যাংকার।

'স্নো' ও 'ডিনো ১' নামে দুটি ট্যাংকার প্রায় দু-সপ্তাহ ধরে চাবাহার বন্দরের কাছে নোঙর করে ছিল। অন্তত ১১ এপ্রিল থেকে ওই বন্দরে ছিল 'সেভিন' ও 'ডোরেনা'। ৬ এপ্রিল বা তার আগে থেকে সেখানে ছিল 'হিউজ' নামে আরও একটি জাহাজ। ট্যাংকার ট্র্যাকার্স-এর তথ্য অনুযায়ী, চাবাহার বন্দর ছাড়ার আগে ওই জাহাজগুলোতে সব মিলিয়ে ৯০ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল বোঝাই করা হয়েছে।

ট্যাংকারগুলো এখন ঠিক কোথায় রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। কারণ, স্যাটেলাইট চিত্র অসম্পূর্ণ। কিছু ক্ষেত্রে আবার মেঘের কারণেও ছবি অস্পষ্ট। তার ওপরে জাহাজগুলোও সচরাচর নিজেদের অবস্থান প্রকাশ্যে জানায় না।

জাহাজগুলোর বর্তমান অবস্থান নিয়ে ওই মার্কিন  কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি দাবি করেন, ওই অঞ্চলে ঠিক কী ঘটছে সে বিষয়ে আমেরিকার সেনা কর্তারা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। 

Related Topics

টপ নিউজ

ইরান / ইরান যুদ্ধ / ইরানি তেল / ইরানের তেল / হরমুজ / হরমুজ প্রণালি / যুক্তরাষ্ট্র / ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    দেশে আনঅফিশিয়াল সাবস্ক্রিপশন বাজারের রমরমা ব্যবসা—কিন্তু কেন?
  • ছবি: টিবিএস
    ‘ওড়না বেঁধে ধর্ষণ, আলামত গোপনের জন্য মাথা কাটি’: আদালতে রামিসার ঘাতক সোহেলের জবানবন্দি
  • ছবি: সংগৃহীত
    বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
    ‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা
  • ১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
    ১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
  • ছবি: রয়টার্স
    ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ইথিলিন সংকট, জাপানে খাবার টেবিল থেকে ‘হারিয়ে যেতে পারে’ কলা

Related News

  • মার্কিন নৌ অবরোধে যেভাবে তেল থেকে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব হারাচ্ছে ইরান
  • হরমুজ নিয়ে মার্কিন চাপ উপেক্ষা করেই ইরানের সাথে সম্পর্ক রাখছে ওমান
  • ‘বহু বছর ধরে আমেরিকার কাছ থেকে ফায়দা তুলেছে ভারত, এখন পরিস্থিতি উল্টে গেছে’: ট্রাম্প
  • এখনও মোজতবার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়নি, তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই: ট্রাম্প
  • ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করল হিজবুল্লাহ

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

দেশে আনঅফিশিয়াল সাবস্ক্রিপশন বাজারের রমরমা ব্যবসা—কিন্তু কেন?

2
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

‘ওড়না বেঁধে ধর্ষণ, আলামত গোপনের জন্য মাথা কাটি’: আদালতে রামিসার ঘাতক সোহেলের জবানবন্দি

3
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

4
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

‘বাংলাদেশে কাকে খুন করিয়েছিলেন’ মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা

5
১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি
বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা কলম বিরতি পালনের নির্দেশনা নেই, সেবা না দিলে ব্যবস্থা: ইসলামী ব্যাংকের এমডি

6
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ইথিলিন সংকট, জাপানে খাবার টেবিল থেকে ‘হারিয়ে যেতে পারে’ কলা

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]