Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
June 30, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, JUNE 30, 2026
ট্রাম্প যদি ইরান যুদ্ধে জিতেই থাকেন, তবে কেন বিদেশি জাহাজের সাহায্য প্রয়োজন?

আন্তর্জাতিক

সিএনএন
16 March, 2026, 05:40 pm
Last modified: 16 March, 2026, 05:48 pm

Related News

  • যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫০ লাখ ডলার জরিমানা ট্রাম্পের
  • ট্রাম্প নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলকে ‘নজিরবিহীন অপমানের’ মুখোমুখি করেছেন: সাবেক ইসরায়েলি মন্ত্রী
  • নিজের কাঁধে বইছেন পৃথিবী: যিশুর পর এবার অ্যাটলাস রূপে নিজের ছবি পোস্ট করলেন ট্রাম্প
  • ভারতে ট্রাম্পের নামে সড়কের নামকরণ, ধন্যবাদ জানালেন আপ্লুত মার্কিন প্রেসিডেন্ট
  • আটক অর্থ দিয়ে মার্কিন পণ্য কেনার দাবি মিথ্যা: ইরানের স্পিকার

ট্রাম্প যদি ইরান যুদ্ধে জিতেই থাকেন, তবে কেন বিদেশি জাহাজের সাহায্য প্রয়োজন?

যুদ্ধের সামগ্রিক প্রভাব বিচার করার সময় এখনো আসেনি। এটি সম্ভব, এমনকি সম্ভবত এটিই সত্য যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি এবং বহির্বিশ্বকে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদি এটি নিশ্চিত হয়, তবে ট্রাম্পের কাছে বিশ্বকে নিরাপদ করার একটি জোরালো যুক্তি থাকবে।
সিএনএন
16 March, 2026, 05:40 pm
Last modified: 16 March, 2026, 05:48 pm
ইরানের তেহরানে গত রবিবার এক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ির ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। ছবি: মজিদ আসগরিপুর/ওয়ানা নিউজ এজেন্সি/রয়টার্স

মাত্র এক সপ্তাহ আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনকে বলেছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজ পাঠিয়ে কষ্ট করার দরকার নেই, কারণ তিনি ইতিমধ্যে ইরান যুদ্ধে জিতে গেছেন। কিন্তু এখন তিনি আমেরিকার 'বিশেষ সম্পর্ক' থাকা মিত্র দেশ, ন্যাটো রাষ্ট্র এবং এমনকি চীনের কাছেও হরমোজ প্রণালী উন্মুক্ত করতে জাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যদি সাহায্য না আসে তবে ইউরোপের জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা (ডিফেন্স আমব্রেলা) এবং এ মাসেই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে তার নির্ধারিত সম্মেলন ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের এই কড়া কথাগুলোই নতুন সংকেত দিচ্ছে যে, তার পক্ষ থেকে বারবার জয়ের দাবি জানানো সত্ত্বেও যুদ্ধ এখনো শেষ হওয়ার অনেক বাকি। এটিই প্রথম মার্কিন সামরিক অভিযান নয় যা ওয়াশিংটনের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দীর্ঘায়িত হচ্ছে। সম্ভবত এই কারণেই প্রশাসনের কর্মকর্তারা এখন সাধারণ মানুষ ও বিশ্ববাজারকে এটি বোঝাতে চেষ্টা করছেন যে, এই সংঘাত খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ গত রোববার সিএনএন-এর 'স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন' অনুষ্ঠানে মার্কিন সেনারা কবে দেশে ফিরবে তা বলতে অস্বীকার করেন। যদিও তিনি দাবি করেছেন, আধুনিক মার্কিন সামরিক ইতিহাসে দেখা যায়নি এমন এক 'বিরাট বিজয়' অর্জন করেছেন তারা। জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট ছিলেন অনেক বেশি আশাবাদী। এবিসি নিউজকে তিনি বলেন, "আমি মনে করি এই সংঘাত নিশ্চিতভাবেই আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে, এমনকি এর আগেও শেষ হতে পারে।"

এদিকে ইসরায়েল সিএনএন-কে জানিয়েছে যে, ইরানের সামরিক ও গোয়েন্দা লক্ষ্যবস্তুগুলোতে তাদের বিধ্বংসী বিমান হামলা অন্তত আরও তিন সপ্তাহ চলতে পারে। মার্কিন ভোটার বা নেতাদের তুলনায় ইহুদি রাষ্ট্রটি দীর্ঘস্থায়ী সামরিক অভিযানে অনেক বেশি অভ্যস্ত।

যুদ্ধের ভাগ্য প্রথম কয়েক সপ্তাহে নির্ধারিত হয় না

যুদ্ধের সামগ্রিক প্রভাব বিচার করার সময় এখনো আসেনি। এটি সম্ভব, এমনকি সম্ভবত এটিই সত্য যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি এবং বহির্বিশ্বকে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদি এটি নিশ্চিত হয়, তবে ট্রাম্পের কাছে বিশ্বকে নিরাপদ করার একটি জোরালো যুক্তি থাকবে। তা ছাড়া, যুদ্ধের বয়স মাত্র দুই সপ্তাহ। যেকোনো মানদণ্ডেই এটি খুব বেশি দীর্ঘ সময় নয়। এই যুদ্ধ নিয়ে গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের স্বল্পমেয়াদী মনোযোগের কারণে সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে যদি কোনো হতাশা থাকে, তবে তা অস্বাভাবিক নয়।

কিন্তু আধুনিক ইতিহাস বলে যে, একটি যুদ্ধের প্রকৃতি সাধারণত প্রথম কয়েক সপ্তাহে নির্ধারিত হয় না—যখন আমেরিকার বিশাল সামরিক শক্তি থাকে সবচেয়ে কার্যকর অবস্থানে। তাই হোয়াইট হাউস এখন এই যুদ্ধ থেকে দ্রুত মার্কিন বাহিনীকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে নানা সংশয়ের মুখে রয়েছে।

ট্রাম্প দেশবাসীকে এই যুদ্ধের জন্য খুব সামান্যই প্রস্তুত করেছেন এবং তিনি তার পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের মাধ্যমে বিভ্রান্তি বাড়িয়ে চলেছেন। তিনি জোরালোভাবে দাবি করছেন যে, যুদ্ধে ইতিমধ্যে জয়ী হয়েছে। আবার তিনি এও বলছেন যে, যুদ্ধ কেবল তখনই শেষ হবে যখন তিনি তা মনেপ্রাণে অনুভব করবেন। যদি বিজয় অর্জিত হয়েই থাকে, তবে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে যে—অপারেশন চলাকালে এ পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর পরেও কেন সেনারা এখনো বিপদের মুখে রয়েছে?

বর্তমান প্রশাসন একটি অন্ধকার ঐতিহাসিক ছায়ার নিচে রয়েছে। এই যুদ্ধটি এখনো ইরাক ও আফগানিস্তানের 'অন্তহীন যুদ্ধের' সাথে সরাসরি তুলনীয় নয়। তবে উভয় ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল যে, প্রাথমিক মার্কিন বিজয়গুলো পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব এবং বিদেশি দেশ সম্পর্কে ভুল ধারণার কারণে ব্যাহত হয়েছিল। ইরানেও এমন যথেষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যা একটি সম্ভাব্য 'চোরাবালিতে' আটকে যাওয়ার বিষয়ে জনমনে উদ্বেগকে সত্য প্রমাণ করে। একই সাথে ট্রাম্পের এমন কিছু দ্বিধা রয়েছে যা তাঁর চিরচেনা জয়ের ঘোষণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে যদি সেগুলো সমাধান না করা যায়—যা কাটিয়ে উঠতে কয়েক সপ্তাহের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে।

ইরান কার্যকরভাবে হরমোজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে—যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট এবং তেলের দরের ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটিয়েছে, যা খোদ মার্কিন রাজনীতিতে ট্রাম্পকে দুর্বল করতে পারে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, সমুদ্রের ড্রোন এবং মাইন স্থাপন কার্যক্রম ধ্বংস করা একটি দীর্ঘমেয়াদী বিষয় হতে পারে। আর এর জন্য মার্কিন সামরিক কার্যক্রমকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে প্রসারিত করে স্থল সেনা মোতায়েনেরও প্রয়োজন হতে পারে। ট্রাম্প এখন এই সরু কৌশলগত জলপথটি খোলার জন্য বিদেশি নৌবাহিনীগুলোর সাহায্য দাবি করছেন। এ পর্যন্ত তার এই আহ্বানে সাড়া দেওয়ার বিষয়ে দেশগুলো অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ট্রাম্প ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন যে, আমেরিকার তুলনায় ইউরোপ ও চীন পারস্য উপসাগরের তেলের ওপর বেশি নির্ভরশীল—যদিও সাধারণ মার্কিন ভোক্তারাও তেলের দাম বাড়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তার এই মন্তব্য বিদেশে এভাবেই দেখা হতে পারে যে, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যে সংকট তৈরি করেছেন, তা সমাধানের জন্য অন্যদের সাহায্য চাইছেন। তবে প্রেসিডেন্ট তার ইউরোপীয় মিত্রদের সেই দুর্বল জায়গায় আঘাত করেছেন যারা তাদের নিরাপত্তার জন্য আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, "যদি কোনো সাড়া না আসে বা নেতিবাচক সাড়া আসে, তবে আমি মনে করি এটি ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুবই খারাপ হবে।"

ইসলামিক রিপাবলিকের কাছে এখনো উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রয়েছে যা দিয়ে তারা ট্রাম্পের শপথকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে যে—ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না; যদিও প্রেসিডেন্ট গত বছর তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি 'নিশ্চিহ্ন' করার দাবি করেছিলেন। আমেরিকার স্পেশাল ফোর্সের তেজস্ক্রিয় পদার্থ উদ্ধারের প্রশিক্ষণ থাকলেও ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে এমন অভিযানের জন্য শত শত সেনার প্রয়োজন হতে পারে এবং শত্রু শিবিরের গভীরে ইরানি বাহিনীর সাথে তা বিপজ্জনক স্থলযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।

ইরানের সরকারের শক্তি চূর্ণ করার একটি উপায় হতে পারে মার্কিন বাহিনীর মাধ্যমে খাগ দ্বীপ দখল করা, যা তেহরানের তেল রপ্তানির কেন্দ্রবিন্দু এবং যে অর্থ দিয়ে তাদের সরকার পরিচালিত হয়। সপ্তাহান্তে দ্বীপটি মার্কিন বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। দেশটির প্রধান অর্থনৈতিক ইঞ্জিনটি সরিয়ে দেওয়া হলে তা ওই প্রশাসনের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারে। ওয়াল্টজ সিএনএন-কে বলেছেন, "আমি অবশ্যই মনে করি যে (ট্রাম্প) সেই অপশনটি হাতে রাখবেন যদি তিনি তাদের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করতে চান।" কিন্তু খাগ দ্বীপে কোনো উভচর হামলা হলে প্রচুর মার্কিন সেনা হতাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এমনকি ইরান যদি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার বদলে নিজেদের তেল স্থাপনা নিজেরাই ধ্বংস করে ফেলে, তবে তা পরিবেশগত বিপর্যয় এবং তেলের বাজারে ধস নামাতে পারে।

কেন আমেরিকানরা প্রশাসনের এই সময়সীমার ওপর ভরসা করতে পারছে না

ইরানের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে যুদ্ধ শেষ করার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা কঠিন। মার্কিন মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের ড্রোন হামলার গতি কিছুটা কমেছে—যা সম্ভবত প্রমাণ করে যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তেহরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। তবে গত রবিবারও বাগদাদ বিমানবন্দর এবং ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি হয়েছে।

এ ছাড়া কূটনৈতিক সমাধানেরও কোনো পথ দেখা যাচ্ছে না। কোনো 'চুক্তি' বা ডিল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই এবং নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি কেউ কানেই তুলছে না। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির মনোনয়ন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই শাসকগোষ্ঠী ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে তাদের কয়েক দশকের প্রতিরোধ বা লড়াই চালিয়ে যেতে চায়। সরকারের ওপর থেকে জনগণের নিয়ন্ত্রণ আলগা হওয়ারও কোনো প্রকাশ্য চিহ্ন নেই। ট্রাম্প যুদ্ধের শুরুতে ইরানিদের বলেছিলেন যে, তিনি তাদের ওপর চেপে বসা দমন-পীড়ন থেকে মুক্তির এক সুবর্ণ সুযোগ করে দিচ্ছেন। কিন্তু সেখানে এখনো কোনো অভ্যুত্থান ঘটেনি, যদিও সম্প্রতি সেদেশের কর্তৃপক্ষ কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা করেছে।

ওই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা ইরানি জনগণের জন্য একটি বড় জয় হতে পারে এবং এটি ট্রাম্পের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য বয়ে আনতে পারে। তবে অনেক ইরান বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন যে, কেন্দ্রীয় কর্তৃত্বের পতন হলে সেখানে সাম্প্রদায়িক বা গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে এবং ইরানি রাষ্ট্রের পতন ঘটতে পারে। এমন ফলাফল মার্কিন বাহিনীকে এই অঞ্চলে বছরের পর বছর আটকে ফেলতে পারে—অথবা মিত্রদের বিশাল নিরাপত্তা সংকটের মুখে ফেলে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান সরকারের মধ্যে যুদ্ধ হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হতে পারে, কিন্তু এর ফলে সৃষ্ট আন্তর্জাতিক সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

দেশের ভেতরে ট্রাম্পের অন্ধ সমর্থকদের বাইরে যুদ্ধের এই কয়েক সপ্তাহের সময়সীমার পূর্বাভাস নিয়ে সংশয় রয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় বিভিন্ন জরিপে দেখা গিয়েছিল যে, যুদ্ধের নেতৃত্বে ট্রাম্পের ওপর মানুষের আস্থা খুব কম। কংগ্রেসে ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা কমানোর ডেমোক্র্যাটদের চেষ্টার বিরুদ্ধে রিপাবলিকানরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। কিন্তু লড়াই কেবল 'কয়েক সপ্তাহ' চলবে—এমন আশ্বাস রিপাবলিকানদের এই উপলব্ধিকে প্রতিফলিত করে যে, ইরানে দীর্ঘ যুদ্ধ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলের ক্ষতি করতে পারে।

প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ গত সপ্তাহে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সাথে কোনো তুলনা করার বিষয়টিকে বাতিল করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, যা জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং বারাক ওবামার প্রেসিডেন্সিকে তাড়া করে বেড়িয়েছিল। ইরাক ও আফগানিস্তানে কাজ করা সাবেক সেনাসদস্য হেগসেথ বলেন, "এটি সেই সব চোরাবালির মতো অন্তহীন জাতি গঠনের বিষয় নয়... এটি মোটেও তেমন কিছু নয়।"

কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে কংগ্রেসের সাথে আলোচনা করতে অস্বীকার করা, যুদ্ধের অস্পষ্ট লক্ষ্য এবং কোনো প্রস্থান কৌশল না থাকা ইতিমধ্যে ডেমোক্র্যাটদের আক্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে। সম্ভাব্য পরবর্তী ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী পিট বুটিগিগ 'স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন' অনুষ্ঠানে বলেন, "আমি সৈন্য বা যারা সেবা দিচ্ছে তাদের নিয়ে চিন্তিত নই। আমি তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেমন পিট হেগসেথ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে চিন্তিত।"

২০১৪ সালে আফগানিস্তানে দায়িত্বরত সাবেক মার্কিন নৌবাহিনীর রিজার্ভ সদস্য বুটিগিগ আরও বলেন, "আমি ছোটবেলায় এমন এক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জীবন কাটিয়েছি যা আমাদের কাছে মিথ্যা অজুহাতে বিক্রি করা হয়েছিল। এই যুদ্ধটি কোনো অজুহাত ছাড়াই শুরু করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট শুধু এগিয়ে গেছেন এবং এটি করে ফেলেছেন।"

গত সপ্তাহের শেষ দিকে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই সব সংবাদমাধ্যমকে তুলোধোনা করেছেন যারা তার যুদ্ধের পরিকল্পনা এবং এটি কবে শেষ হতে পারে সে সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য জানতে চেয়েছিল। এমন প্রশ্ন তোলা যুক্তিযুক্ত, কারণ এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের কর্মকাণ্ড—যার মধ্যে রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা এবং হরমোজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেওয়া—প্রশাসনকে বারবার অবাক করে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

তবে এই প্রশ্নগুলো বিশেষত সেই সব অগণিত মার্কিন পরিবারের কাছে অনেক বেশি জরুরি যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন একবিংশ শতাব্দীর সেসব বিদেশের অভিযানে, যা ট্রাম্প আর না ঘটানোর শপথ করেছিলেন। সেই বেদনাদায়ক আধুনিক ইতিহাস নতুন এই যুদ্ধগুলোকে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে যার শেষ সম্পর্কে কারোরই কোনো ধারণা নেই।

Related Topics

টপ নিউজ

ট্রাম্প / বিদেশি জাহাজ / সাহায্য

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফ্রান্সের চামোনিক্সে প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে মুখে পানির ঝাপটা দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। ২৫ জুন, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
    অসহনীয় গরমেও ইউরোপে এসির ব্যবহার এত কম কেন?
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    ব্যবসার ৭ খাতে ব্যাংক হিসাব খোলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক হলো বিআইএন দাখিল
  • জাপানের মেয়র শোকো কাওয়াতা। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস
    জাপানের ইতিহাসে প্রথম মাতৃত্বকালীন ছুটি নিচ্ছেন একজন মেয়র; মানতে পারছেন না কিছু পুরুষ
  • জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী/ফাইল ছবি
    দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় পুরনোদের ফেরার সুযোগ থাকছে না
  • ফ্রান্সের প্যারিসে আইফেল টাওয়ারের কাছে ট্রোকাদেরো ফোয়ারায় নেমে তীব্র গরম থেকে স্বস্তি নিচ্ছেন মানুষ। ছবি: গনজালো ফুয়েন্তেস
    প্রাণঘাতী দাবদাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ফ্রান্স
  • সংসদ ভবন। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    অর্থবিল পাস: করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, থাকছে না কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

Related News

  • যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫০ লাখ ডলার জরিমানা ট্রাম্পের
  • ট্রাম্প নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলকে ‘নজিরবিহীন অপমানের’ মুখোমুখি করেছেন: সাবেক ইসরায়েলি মন্ত্রী
  • নিজের কাঁধে বইছেন পৃথিবী: যিশুর পর এবার অ্যাটলাস রূপে নিজের ছবি পোস্ট করলেন ট্রাম্প
  • ভারতে ট্রাম্পের নামে সড়কের নামকরণ, ধন্যবাদ জানালেন আপ্লুত মার্কিন প্রেসিডেন্ট
  • আটক অর্থ দিয়ে মার্কিন পণ্য কেনার দাবি মিথ্যা: ইরানের স্পিকার

Most Read

1
ফ্রান্সের চামোনিক্সে প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি পেতে মুখে পানির ঝাপটা দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। ২৫ জুন, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

অসহনীয় গরমেও ইউরোপে এসির ব্যবহার এত কম কেন?

2
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ব্যবসার ৭ খাতে ব্যাংক হিসাব খোলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক হলো বিআইএন দাখিল

3
জাপানের মেয়র শোকো কাওয়াতা। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস
আন্তর্জাতিক

জাপানের ইতিহাসে প্রথম মাতৃত্বকালীন ছুটি নিচ্ছেন একজন মেয়র; মানতে পারছেন না কিছু পুরুষ

4
জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী/ফাইল ছবি
অর্থনীতি

দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় পুরনোদের ফেরার সুযোগ থাকছে না

5
ফ্রান্সের প্যারিসে আইফেল টাওয়ারের কাছে ট্রোকাদেরো ফোয়ারায় নেমে তীব্র গরম থেকে স্বস্তি নিচ্ছেন মানুষ। ছবি: গনজালো ফুয়েন্তেস
আন্তর্জাতিক

প্রাণঘাতী দাবদাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ফ্রান্স

6
সংসদ ভবন। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

অর্থবিল পাস: করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, থাকছে না কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]