এনপিএসবির আওতায় মার্চেন্ট পেমেন্টে সর্বনিম্ন এমডিআর ১ শতাংশ নির্ধারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের
দেশে ডিজিটাল লেনদেন আরও উৎসাহিত করতে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) আওতায় মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) ১ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ এমডিআর আগের মতোই ১ দশমিক ১৫ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকবে।
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই সংশোধিত রূপরেখা জারি করে একটি সার্কুলার বা প্রজ্ঞাপন পাঠিয়েছে।
সার্কুলারে অ্যাকোয়ারিং বা পেমেন্ট গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে তারা মার্চেন্ট বা বিক্রেতাদের ক্যাশব্যাক বা অন্যান্য আকর্ষণীয় প্রণোদনা দিতে পারবে।
নতুন এই নির্দেশনার ফলে, বর্তমান মূল্য কাঠামোর তুলনায় মার্চেন্টদের লেনদেন খরচ অনেকটাই কমবে। এটি গ্রাহক ও বিক্রেতা উভয় পর্যায়ে, ডিজিটাল পেমেন্টের পরিধি আরও বাড়াতে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, সংশোধিত এই এমডিআর কাঠামোটি এনপিএসবি নেটওয়ার্কের অধীনে পয়েন্ট-অব-সেল টার্মিনাল, বাংলা কিউআর এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
বিশেষ করে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) কিংবা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ব্যবহার করে, বাংলা কিউআর-এর মাধ্যমে করা মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১ শতাংশ এমডিআর প্রযোজ্য হবে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক ভ্যাট যুক্ত হবে।
ব্যাংকাররা বলছেন, সর্বোচ্চ এমডিআর ১ দশমিক ১৫ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকলেও— সংশোধিত এই কাঠামোর কারণে, একটি সুনির্দিষ্ট ও অনুমানযোগ্য মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। এটি মার্চেন্টদের ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণে আরও বেশি আগ্রহী করে তুলবে।
তারা আরও আশা করছেন যে, ব্যাংক ও অন্যান্য অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলো মার্চেন্টদের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে ক্যাশব্যাকসহ নানাবিধ প্রমোশনাল অফার চালু করবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের ক্যাশলেস ইকোনমি বা নগদ লেনদেনবিহীন অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যকে ত্বরান্বিত করবে।
