নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় রোনালদোর পর্তুগাল
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলের নাটকীয় ও রোমাঞ্চকর জয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগাল। ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় গঞ্জালো রামোসের হেডে করা দুর্দান্ত গোলে এই জয় পায় পর্তুগিজরা।
টরন্টোর তীব্র গরমের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে অধিকাংশ সময় ক্রোয়েশিয়া আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিক দুর্দান্ত এক শটে পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিওগো কোস্তাকে পরাস্ত করে ক্রোয়েশিয়াকে প্রথমে এগিয়ে নেন।
এর কয়েক মিনিট পরেই রোনালদো গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। তবে ম্যাচের কিছু সময় পর পেনাল্টি ডি-বক্সে রেনাতো ভেইগাকে ক্রোয়েশিয়ার নিকোলা ভ্লাসিক টেনে ধরলে ভিএআর রিভিউ দেখে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে গোলপোস্টের মাঝ বরাবর নিখুঁত শটে গোল করে পর্তুগালকে সমতায় ফেরান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের এটিই প্রথম গোল। এই ঐতিহাসিক গোলের পর আগামী সোমবার ডালাসে স্পেনের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।
ম্যাচে উভয় পক্ষই বেশ কিছু চমৎকার আক্রমণ চালায়। ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড মাতেও কোভাচিচের একটি নিচু শট গোলরক্ষক দিওগো কোস্তা আঙুলের ডগা দিয়ে পোস্টের বাইরে ঠেলে দেন। এরপর পেতার সুচিচ ক্রোয়েশিয়ার হয়ে গোল পেলেও সহকারী রেফারির অফসাইডের সিদ্ধান্তের কারণে তা বাতিল হয়।
ম্যাচের ৮১ মিনিটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে তুলে নিয়ে রুবেন নেভেসকে মাঠে নামান পর্তুগিজ কোচ। এরপরও ক্রোয়েশিয়া একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় এবং মারিও পাসালিচের করা একটি হেড গোলপোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।
ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের চমৎকার পাস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে বল জালে জড়ান গঞ্জালো রামোস। এতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পর্তুগাল।
তবে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জোসকো গাভার্দিওল গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে সমতায় ফিরিয়েছেন বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু সহকারী রেফারির অফসাইডের সিদ্ধান্তের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
