রাশিয়ার বিরুদ্ধে আকাশ প্রতিরক্ষা কৌশলে পরিবর্তনের সূচনা করেছিল ইউক্রেন, তবু হামলা ঠেকানো যাচ্ছে না
বছর তিনেক আগে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি থেকে উন্নত প্রশিক্ষণ শেষ করে স্বদেশে ফিরেছিলেন ইউক্রেনীয় সেনারা। আকাশ প্রতিরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়মে তারা সে সময়ে বেশ পারদর্শী ছিলেন। কিন্তু প্যাট্রিয়টের মিসাইল ও লঞ্চারের সীমিত সরবরাহ এবং রাশিয়ার অবিরাম হামলার মুখে তারা দ্রুতই বুঝতে পারেন যে, যুদ্ধের এই চেনা নিয়মগুলো তাদের নতুন করে লিখতে হবে।
ফলে ইউক্রেনীয়রা নতুন সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে।
যেমন ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি ব্যাটারি বা ফায়ারিং ইউনিটে ইন্টারসেপ্টর (ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র) থাকে, যা ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূমিতে তার আঘাত হানার আগেই মাঝআকাশে ধ্বংস করার জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এই অত্যন্ত ব্যয়বহুল অস্ত্রের তীব্র সংকটের কারণে, ধেয়ে আসা ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে সাধারণত দুই বা ততোধিক ইন্টারসেপ্টর মিসাইল ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও, ইউক্রেনীয়রা বেশিরভাগ সময়েই মাত্র একটি ইন্টারসেপ্টর নিক্ষেপ করার কৌশল বেছে নেয়।
এ ছাড়া ধীরগতির এবং কম খরচের ড্রোন—যেগুলো অন্য উপায়েও ধ্বংস করা সম্ভব, সেগুলোর বিরুদ্ধে মূল্যবান ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের নিক্ষেপ এড়াতে— তারা প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থাকে 'ম্যানুয়াল মোডে' সেট করে রাখে। অর্থাৎ, প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষার রাডার কোনো হুমকি চিহ্নিত করলেও—মানব অপারেটর ইন্টারসেপ্টর উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছোড়া হবে না। কম খরচের ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বহুতল ভবনের ছাদ, ট্রাকের পেছনের অংশ এবং হেলিকপ্টার থেকে মেশিনগান চালিয়ে ড্রোন ভূপাতিত করার কৌশল রপ্ত করেছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে তারা ব্যবহার করছে ইন্টারসেপ্টর ড্রোন, যা মাঝআকাশেই রুশ ড্রোনগুলোকে আঘাত হেনে ধ্বংস করতে পারে।
এভাবে ইউক্রেনীয় বাহিনী মূলত কেবল তীব্র গতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করার জন্যই প্যাট্রিয়ট সিস্টেমের প্রতিরোধকারী মিসাইলকে সংরক্ষিত রাখতো।
ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোর কমান্ডার ও বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকারে উঠে আসা এই কৌশলগুলোকে একসময় সীমিত সম্পদের এক লড়াকু সামরিক বাহিনীর 'শেষ ভরসা' হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু ইউক্রেনের শহরগুলো যখন রাশিয়ার একের পর এক ভয়াবহ হামলার মুখোমুখি হচ্ছে (যেমনটি গত সোমবারের হামলায় দেখা গেছে), তখন এই ধরনের অভিযোজন বা কৌশলগত পরিবর্তন ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
ইরান যুদ্ধ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার কারণে, বিশ্বজুড়ে যখন সবচেয়ে উন্নত প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের বৈশ্বিক সরবরাহ ফুরিয়ে আসছে, তখন এই বিবর্তন রণক্ষেত্রের একটি অপরিহার্য মডেলে পরিণত হচ্ছে।
ড্রোনের গতিবিধি রোধে সস্তা ও কার্যকর কৌশল শেখাতে, ইউক্রেনীয় সেনারা ইতোমধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে গিয়ে স্থানীয় বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তাছাড়া, বেশ কয়েকটি দেশ ইউক্রেনের কাছে প্যাট্রিয়টের 'ডিকয়' বা নকল প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা রপ্তানির অনুরোধ জানিয়েছে। এই ডিভাইসগুলোর একজন শীর্ষস্থানীয় প্রস্তুতকারক নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই তথ্য জানিয়েছেন। তার কারখানাগুলো এখন রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
ইউক্রেনীয়দের গ্রহণ করা অন্যান্য কৌশলের মধ্যে রয়েছে 'শুট অ্যান্ড স্কুট'। এই কৌশলের আওতায়, পাল্টা হামলায় রাশিয়া যাতে প্যাট্রিয়ট ব্যাটারিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে না পারে, সেজন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরপরই তারা ব্যাটারি বা লঞ্চারকে দ্রুত সরিয়ে নেয়। রুশ বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের আক্রমণকে আসল লক্ষ্যবস্তু থেকে দূরে সরিয়ে নিতে তারা ছদ্মবেশ বা চাতুর্যের আশ্রয়ও নিচ্ছে। আসল প্যাট্রিয়ট ব্যাটারিগুলো ছদ্মাবরণে লুকিয়ে রেখে তারা এমন নিখুঁত নকল প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা (ডিকয়) ব্যবহার করছে, যা তৈরিতে খরচ পড়ে মাত্র ৩০ হাজার ডলার। অথচ একটি সম্পূর্ণ সমরাস্ত্রে সজ্জিত আসল প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থার মূল্য প্রায় ১০০ কোটি ডলার।
ইউক্রেনের একটি প্যাট্রিয়ট ইউনিটের কমান্ডার ভিয়াচেস্লাভ আহিয়েভ বলেন, "শুরুতে আমরা আমাদের সেই কৌশল ও জ্ঞান ব্যবহার করেছিলাম, যা আমাদের আমেরিকায় শেখানো হয়েছিল।" তিনি ওকলাহোমার ফোর্ট সিলে এই ব্যবস্থার ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।
তিনি জানান, কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে বাস্তব যুদ্ধে নামার পর ইউক্রেনীয়রা বুঝতে পারে, "আমাদের নিজস্ব কিছু অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা এখানে যুক্ত করতে হবে এবং ব্যবহারের কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে; অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের যে গৎবাঁধা নিয়ম শেখানো হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।"
তবে এই উদ্ভাবনের পরও, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য ইউক্রেনের এই প্রয়াস মোটেও যথেষ্ট নয়।
রাশিয়া নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে একযোগে বড় ধরনের হামলা চালায়, যা ইউক্রেনের ক্লান্ত, অতিরিক্ত খাটুনিতে জর্জরিত এবং বিপজ্জনকভাবে রসদ-সংকটে থাকা আকাশ প্রতিরক্ষা অপারেটরদের পরাস্ত করে দেয়। তাছাড়া মস্কো ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদনও বহুগুণ বাড়িয়েছে।
ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজ মিসাইলের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে চলে এবং ইউক্রেনের অস্ত্রাগারে থাকা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে একমাত্র প্যাট্রিয়টই এটি ভূপাতিত করতে সক্ষম। তাই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার জন্য ইউক্রেনের কাছে অন্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার ভোরের দিকে চালানো এক হামলায় রাশিয়া ইউক্রেনে ৬৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৫১টি ড্রোন নিক্ষেপ করে, এতে অন্তত ১২ জন নিহত হন। সেই হামলায় ধেয়ে আসা ২৩টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটিও প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি, তবে বেশিরভাগ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রই ভূপাতিত করা হয়।
গত বুধবার রাতে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে আরেকটি হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে অনেকেই বহুতল আবাসিক ভবন ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিলেন। ওই হামলায় ধেয়ে আসা ২৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ইউক্রেন মাত্র ৪টি ইন্টারসেপ্ট বা প্রতিরোধ করতে পেরেছিল।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি ডেটাসেট অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের দিকে ৫২১টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ইউক্রেন এর মধ্যে মাত্র ১৬৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পেরেছে।
অন্যান্য দেশ বিভিন্ন ধরনের ইন্টারসেপ্টর সিস্টেম তৈরি করলেও বিশ্বব্যাপী প্যাট্রিয়ট এবং এর সবচেয়ে উন্নত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র 'প্যাক-৩'-এর তীব্র ঘাটতি রয়েছে। ইউক্রেন তাদের অবশিষ্ট মজুদের পরিমাণ প্রকাশ করে না, তবে বেশিরভাগ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তাদের হিমশিম খাওয়া এবং নতুন চালানের জন্য তাদের জরুরি আকুতি ইঙ্গিত করে যে, তাদের হাতে থাকা অবশিষ্ট সরবরাহ ফুরিয়ে এসেছে।
সাম্প্রতিক রুশ হামলার পর, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি উৎপাদন লাইসেন্সের আবেদন দ্রুত অনুমোদনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন, যা কিয়েভকে নিজ দেশে আরও প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি ও ইন্টারসেপ্টর তৈরির সুযোগ দেবে। এই প্রযুক্তির স্বত্ব সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের এবং অনুমোদন ছাড়া অন্য কোনো দেশের এটি উৎপাদন বা এর নকলও করতে পারে না। আপাতত কেবল জার্মানি ও জাপানেরই এই ব্যবস্থা তৈরির অনুমতি রয়েছে।
বর্তমানে সবচেয়ে উন্নত রাডার সিকারগুলো কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই তৈরি হয়। জেলেনস্কি বলেন, কিয়েভকে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের এই গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ তৈরির অনুমতি দিয়ে উৎপাদন ত্বরান্বিত করলে—তা ওয়াশিংটনকেও "যখনই প্রয়োজন" নিজস্ব সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে।
গত সপ্তাহে জেলেনস্কি বলেন, "মানুষের জীবন বাঁচাতে আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে একটি ইতিবাচক সাড়া পাব বলে আশা করছি।"
কমান্ডার আহিয়েভ ২০২৩ সালে প্যাট্রিয়ট দিয়ে প্রথম ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার জন্য ইউক্রেনের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হন, যা যুদ্ধে এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রমাণ করেছিল। কিন্তু এই ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলো কখনো কখনো অর্ধেক খালি বা তার চেয়েও খারাপ অবস্থায় পড়ে থাকে। একটি কর্মসূচির আওতায় ইউরোপীয় অংশীদাররা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্যাট্রিয়টের রসদ কিনে তা কিয়েভকে দেয়। ফলে ইউক্রেনে এর সরবরাহ আসে অত্যন্ত ধীর গতিতে। আর তাই ইউক্রেনীয় অপারেটররাও তাদের হাতে থাকা ইন্টারসেপ্টর আগের চেয়েও অনেক বেশি হিসাব করে খরচ করতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা এমন কিছু ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা পর্যাপ্ত রসদ থাকা কোনো বাহিনী অনায়াসেই এড়িয়ে যেতে পারত।
পূর্ব ইউক্রেনে কর্মরত আরেকটি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটের কমান্ডার দিমিত্রো বলেন, "শুরুর দিকে, মানসিকভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও সহজ ছিল না। কারণ আপনি প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের মূল্য বা পরিণতি জানেন।" প্যাট্রিয়ট কমান্ডাররা রুশ বাহিনীর প্রধান লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় তিনি কেবল তার প্রথম নাম প্রকাশের শর্তে কথা বলেন দ্য টাইমসের সঙ্গে।
জার্মানিতে প্রশিক্ষণ নেওয়া এই কমান্ডার বলেন, "আমাদের কাজের ফলাফল মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করছে—এই অনুভূতিই আমাকে অনুপ্রাণিত করে।" তারপরও রসদের ঘাটতি তিনি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন। তিনি জানেন, যেকোনো হামলাই তার নিজের বাবা-মায়ের মতো নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে পারে। তার বাবা-মা ইউক্রেনের এমন একটি অঞ্চলে বাস করেন যা তার ইউনিটের নজরদারির আওতাধীন।
তবে অদূর ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থার বড় ধরনের রসদ সরবরাহের সম্ভাবনা ক্ষীণ। ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক টম কারাকো বলেন, ইরানের সাথে যুদ্ধের কারণে (ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুতে) ঘাটতির ফলে ইউক্রেন এখন যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার তালিকায় আরও পিছিয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র গত ছয় মাসে নিজেরা যতগুলো ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার বা খরচ করেছে, তা আবারো পূরণ করতে নিজেদের উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এখন সবাই আরও বেশি অস্ত্র চায়, কিন্তু একই সময়ে সবাইকে সবকিছু দেওয়া সম্ভব নয়।"
এই অবস্থায়, ইউক্রেন নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে, যা হয়তো এখনই প্যাট্রিয়টের মতো কার্যকর হবে না, তবে অন্তত কিছু অতিরিক্ত সুরক্ষা দিতে পারবে। কিন্তু এই সমরাস্ত্র পূর্ণাঙ্গভাবে যুদ্ধের ময়দানে আনতে সময়ের প্রয়োজন, আর এই অন্তর্বর্তী সময়ে রাশিয়ার হামলা নিশ্চিতভাবেই চলতে থাকবে।
কমান্ডার আহিয়েভ বলেন, "বেসামরিক মানুষ মারা যাচ্ছে—উজার হয়ে যাচ্ছে পুরো পরিবার। আমাদের আরও (ইন্টারসেপ্টর) ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োজন। বেচে থাকার জন্য নিঃশ্বাসের যেমন প্রয়োজন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আমাদের ঠিক ততটাই প্রয়োজন।"
