Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
June 12, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, JUNE 12, 2026
সময়ের প্রতিফলন: জনগণের প্রত্যাশা ও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ

বাংলাদেশ

শাখাওয়াত লিটন
14 February, 2026, 01:45 pm
Last modified: 14 February, 2026, 01:46 pm

Related News

  • বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • এক নজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট
  • সরকারের প্রথম বাজেটে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • সশস্ত্র বা‌হিনীর মর্যাদা রক্ষায় পেশাদা‌রিত্ব, ঐক্য ও শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্ব দি‌লেন প্রধানমন্ত্রী

সময়ের প্রতিফলন: জনগণের প্রত্যাশা ও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ

বাংলাদেশের রুগ্ন অর্থনীতির জন্য এই নির্বাচনের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। গত আঠারো মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিক্ষিপ্ত ‘মব ভায়োলেন্স’ এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ব্যবসায়িক আস্থা, বিনিয়োগ প্রবাহ ও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে।
শাখাওয়াত লিটন
14 February, 2026, 01:45 pm
Last modified: 14 February, 2026, 01:46 pm
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের রায় ছিল সুস্পষ্ট ও জোরালো। গভীর অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলার প্রেক্ষাপটে ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষেই মত দিয়েছেন। এই ফলাফল স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশের রুগ্ন অর্থনীতির জন্য এই নির্বাচনের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। গত আঠারো মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিক্ষিপ্ত 'মব ভায়োলেন্স' এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ব্যবসায়িক আস্থা, বিনিয়োগ প্রবাহ ও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ফলাফল আসতে শুরু করলে ব্যবসায়ী মহল এবং দেশের একটি বড় অংশ স্বস্তি প্রকাশ করে। তাদের প্রত্যাশা, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দ্রুত শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন করবে।

ভোটাধিকারের প্রত্যাবর্তন

এই দ্ব্যর্থহীন রায় আবারও একটি বহুল আলোচিত ধারণাকে সামনে এনেছে—ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষ সচেতন সিদ্ধান্ত নেন। অনেকের মতে, এই রায় ভোটারদের বহু বছর ধরে সংকুচিত থাকা রাজনৈতিক পছন্দ বা ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ারও প্রতীক। ২০১৪ সাল থেকে শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত টানা তিনটি নির্বাচনে প্রতিযোগিতার অভাব নিয়ে সমালোচনা ছিল। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হাসিনার পতন হলো; আর এক দশকেরও বেশি সময় পর ভোটাররা প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের সুযোগ পান এবং দৃঢ়ভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করেন।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যখন সঠিক বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে বাংলাদেশের ভোটাররা অত্যন্ত স্বচ্ছভাবে তাদের রায় দেন। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের জুন, ২০০১ এবং ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত চারটি নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছিল। এসব নির্বাচন প্রমাণ করেছে, প্রয়োজনে রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সক্ষমতা ভোটারদের রয়েছে। বৃহস্পতিবারের ফলাফলও সেই ধারারই অংশ বলে মনে হচ্ছে।

ইনফোগ্রাফ: টিবিএস

শেখ হাসিনা জনগণকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করেছিলেন। ২০১৪ সাল থেকে টানা তিনটি নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে তিনি ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন। কিন্তু অধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাওয়া মাত্রই বাংলাদেশিরা তাদের বিচারবুদ্ধি কাজে লাগিয়েছেন।

ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চেয়ে মধ্যপন্থায় আস্থা

নির্বাচনি প্রচার শেষে মূল লড়াইটা জমে উঠেছিল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এবং আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে।

ভোটাররা একটি সূক্ষ্ম বার্তা দিয়েছেন। বাংলাদেশ গভীরভাবে ধর্মপ্রাণ সমাজ হলেও, ভোটাররা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তারা কট্টর ধর্মভিত্তিক শাসনব্যবস্থা মেনে নিতে ইচ্ছুক নন। বিএনপি নিজেকে বহুত্ববাদী ও তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী শক্তি হিসেবে সফলভাবে তুলে ধরেছে। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আসনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামায়াতে ইসলামী এখন পর্যন্ত তাদের সেরা নির্বাচনি ফল করেছে। তারা ৬৮টি আসন এবং ৩২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। তা সত্ত্বেও তারা ক্ষমতায় যেতে পারেনি। ১৯৭১ সালের ঘটনার সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততা এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে রক্ষণশীল অবস্থান—এসব কারণে সাধারণ ভোটারদের বড় অংশের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা সীমিত হয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে।

তবে ফলাফলে উগ্র ডানপন্থী ভোটারদের বড় ধরনের একজোট হওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে। জামায়াত এখন প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই ঘটনা সংসদের সমীকরণ বদলে দেবে।

নারী ভোটার এবং আকাঙ্ক্ষার রাজনীতি

মোট ভোটারের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন নারী। ফলাফলেও তাদের সেই প্রভাব স্পষ্ট দেখা গেছে। প্রচারণায় নারীর নেতৃত্ব ও জনজীবনে তাদের অংশগ্রহণকে খাটো করে যেসব বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা বুমেরাং হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

রাজনীতি ও কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণকে 'নৈতিক অবক্ষয়' হিসেবে দাঁড় করানোর যে বয়ান দেওয়া হয়েছিল, অনেক নারী ও পুরুষ ভোটার তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। দেশ পরিচালনার লড়াইয়ে থাকা একটি রাজনৈতিক দলের এমন সেকেলে বা অদ্ভূত অবস্থান পুরুষ ভোটারদেরও বিমুখ করেছে।

বিএনপি এই মনস্তত্ত্বকে কাজে লাগিয়েছে। নির্বাচনি প্রচারণায় তারেক রহমানের কন্যার সক্রিয় অংশগ্রহণ দলের নারী-বান্ধব ও ভবিষ্যৎমুখী ভাবমূর্তি গড়ার প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করেছে। এটি 'জেন্ডার ইনক্লুশন' বা নারী-পুরুষ সমতার বৈশ্বিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ।

সামগ্রিকভাবে বিএনপি নিজেদের নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। তারেক রহমান ও তার প্রচার দল তারুণ্যনির্ভর আধুনিক কৌশল বেছে নেয়। তাদের বার্তায় দেশকে 'পেছনের দিকে নয়, বরং সামনের দিকে' এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। 'মবক্র্যাসি' বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে জনমনে যে উদ্বেগ ছিল, তার বিপরীতে দলটি স্থিতিশীলতা, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও সহনশীলতার ওপর গুরুত্ব দেয়। এই অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।

নির্বাচনে হারলেও ফলাফলে উগ্র ডানপন্থী ভোটারদের উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে। নিজেদের ইতিহাসের সেরা ফলাফল নিয়ে জামায়াত এখন সংসদে প্রধান বিরোধী দল হতে যাচ্ছে।

এখন কেবল এটাই আশা করা যায় যে, গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শগুলো সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।

বিজয়ী ও বিজিত

এই নির্বাচন ছিল তীব্রভাবে ব্যক্তিকেন্দ্রিক—তারেক রহমান বনাম শফিকুর রহমান। দুজনেই প্রথমবারের মতো সংসদে প্রবেশ করলেন। একজন সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, আর অন্যজন বিরোধীদলীয় নেতার ভূমিকায় থাকবেন।

লন্ডনে ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে তারেক রহমানের দেশে ফেরা দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেছে। মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তিনি বিএনপির পূর্ণ দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। দেশজুড়ে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারও চালান। এই নিরঙ্কুশ বিজয় দলের ওপর তার কর্তৃত্বকে সুসংহত করেছে। তবে বড় পরীক্ষাটি এখন সামনে—তিনি রাজনৈতিক বিজয়ী থেকে একজন রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হতে পারেন কি না।

অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম স্থগিত এবং নির্বাচনে তাদের অযোগ্য ঘোষণার ফলে সৃষ্ট শূন্যতা জামায়াতকে বড় স্বপ্ন দেখার সুযোগ দিয়েছিল। তবে এবার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ২৮৪টি আসনের ফলাফল নিয়ে টিবিএস-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ১৯৯১ সালের নির্বাচনে। সেবার তারা ১৮টি আসন এবং মোট প্রদত্ত ভোটের ১২.১৩ শতাংশ পেয়েছিল।

রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পরিবর্তন

এই নির্বাচন দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক মানচিত্রেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে।

জুলাইয়ের তারুণ্যনির্ভর গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) 'নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের' আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নির্বাচনি লড়াইয়ে নামে। তবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কৌশলগত জোট দলটির সংস্কারবাদী ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তারা মাত্র ছয়টি আসন পায়। ভোটের হারও তিন শতাংশের নিচে থাকে। ফলে বিশ্বাসযোগ্য তৃতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার লক্ষ্যে দলটি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। জামায়াতের সঙ্গে জোট বেঁধে ক্ষমতায় যাওয়ার যে আশা ছিল, তাও বাস্তবায়িত হয়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এনসিপির চেয়ে একটি আসন বেশি জিতেছেন।

এদিকে একসময়ের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি জাতীয় পার্টি এবার প্রায় বিলুপ্তির মুখে পড়েছে। ১৯৯১ সালের পর থেকে নির্বাচনে ঐতিহাসিকভাবে তৃতীয় বৃহত্তম দল হলেও, নিজেদের শক্ত ঘাঁটি রংপুরেও তারা একটি আসন পায়নি। শেখ হাসিনার আমলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠতা, বিশেষ করে ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা, দলটির বিশ্বাসযোগ্যতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটাররা এবার তাদের বিরুধে কঠোর রায় দিয়েছেন।

একচ্ছত্র ক্ষমতার ঝুঁকি

বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা যেমন নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনি কিছু ঝুঁকির বিষয়ও সামনে এনেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এ ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা দেয়। অতীতে সংসদে নিরঙ্কুশ আধিপত্য নিয়ে গঠিত সরকারগুলো—বিশেষ করে ২০০১ ও ২০০৮ সালের সরকার—দাম্ভিকতা, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও বিরোধী মত দমনের অভিযোগে জনরোষের মুখে পড়েছিল।

১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলেও বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়নি। তবে ২০০১ ও ২০০৮ সালে দুই দলই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে। বিশ্লেষকদের মতে, সংখ্যাগুরুত্বের প্রভাব এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ সে সময় সংকটকে তীব্র করেছিল।

ইনফোগ্রাফ: টিবিএস

শক্তিশালী জনসমর্থন বা ম্যান্ডেট সংস্কারের পথ সহজ করতে পারে। তবে সংযম ছাড়া প্রয়োগ হলে প্রাতিষ্ঠানিক 'চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স' দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ভিন্নমত, সংসদীয় কার্যপ্রণালি ও শাসন সংস্কারের ক্ষেত্রে নতুন প্রশাসনের পদক্ষেপগুলো তাই নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে থাকবে।

সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে, জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রায় ৫০ শতাংশ ভোটের অংশীদারিত্ব সেখানেও তাদের প্রভাব জোরদার করতে পারে। এতে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

গণতান্ত্রিক পুনর্যাত্রা নাকি মেরুকরণের নতুন অধ্যায়?

এই নির্বাচন বহু বছরের সীমিত প্রতিযোগিতার পর এক ধরনের গণতান্ত্রিক 'রিসেট' হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতি নতুন করে গতি পেয়েছে এবং একটি সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে রক্ষণশীল রাজনীতির ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী বিরোধী পক্ষও দৃশ্যমান হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করবে নাকি সংখ্যাগুরু আধিপত্যের নতুন চক্রের সূচনা করবে, তা নির্ভর করবে ক্ষমতার প্রয়োগের ওপর। ভোটাররা তাদের রায় স্পষ্টভাবে দিয়েছেন। এখন দায়িত্ব তাদের, যাদের ওপর এই আস্থার ভার অর্পিত হয়েছে।

Related Topics

টপ নিউজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন / বিএনপি / জামায়াত / তারেক রহমান

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রতীকী ছবি/সংরক্ষিত
    বেতন-ভাতায় বরাদ্দ ৮৯,৩৮০ কোটি টাকা, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে নেই বাড়তি বরাদ্দ
  • প্রতীকী ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে বড় কর ছাড়, পেট্রল-ডিজেলচালিত গাড়িতে বাড়ছে শুল্ক
  • ছবি- রয়টার্স
    সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ছে
  • টেলিটকের সাথে একীভূত হতে চায় বাংলালিংক, বিটিসিএলের সাথে অংশীদারিত্বের প্রস্তাব
    টেলিটকের সাথে একীভূত হতে চায় বাংলালিংক, বিটিসিএলের সাথে অংশীদারিত্বের প্রস্তাব
  • ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার মুহাম্মদ আল-বকরি। ছবি: আল জাজিরা
    'ওরা কুকুর লেলিয়ে দিত': ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনিদের ধর্ষণের ভয়াবহ বিবরণ আল জাজিরার নতুন তথ্যচিত্রে
  • ছবি: সংগৃহীত
    প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা

Related News

  • বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • এক নজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট
  • সরকারের প্রথম বাজেটে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • সশস্ত্র বা‌হিনীর মর্যাদা রক্ষায় পেশাদা‌রিত্ব, ঐক্য ও শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্ব দি‌লেন প্রধানমন্ত্রী

Most Read

1
প্রতীকী ছবি/সংরক্ষিত
বাংলাদেশ

বেতন-ভাতায় বরাদ্দ ৮৯,৩৮০ কোটি টাকা, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে নেই বাড়তি বরাদ্দ

2
প্রতীকী ফাইল ছবি: রয়টার্স
অর্থনীতি

ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে বড় কর ছাড়, পেট্রল-ডিজেলচালিত গাড়িতে বাড়ছে শুল্ক

3
ছবি- রয়টার্স
অর্থনীতি

সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ছে

4
টেলিটকের সাথে একীভূত হতে চায় বাংলালিংক, বিটিসিএলের সাথে অংশীদারিত্বের প্রস্তাব
বাংলাদেশ

টেলিটকের সাথে একীভূত হতে চায় বাংলালিংক, বিটিসিএলের সাথে অংশীদারিত্বের প্রস্তাব

5
ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার মুহাম্মদ আল-বকরি। ছবি: আল জাজিরা
আন্তর্জাতিক

'ওরা কুকুর লেলিয়ে দিত': ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনিদের ধর্ষণের ভয়াবহ বিবরণ আল জাজিরার নতুন তথ্যচিত্রে

6
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]