ফ্লোর প্রাইস উঠতেই বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের বড় দরপতন; ক্রেতা সংকটে লেনদেন স্থগিত
দীর্ঘ চার বছর পর ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন মূল্যসীমা প্রত্যাহারের পরদিনই পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের শিকার হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেড এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। মঙ্গলবার (৯ জুন) লেনদেনের শুরুতেই শেয়ার দুটির দাম সর্বনিম্ন সীমায় (লোয়ার সার্কিট) নেমে গেলেও ক্রেতা না থাকায় লেনদেন স্থগিত হয়ে যায়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, লেনদেন শুরুর প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যেই বেক্সিমকোর শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে ৯৯ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। এই সময়ে মাত্র ২ হাজার ৩৮১টি শেয়ার কেনাবেচা হয়। লেনদেনের শুরুতে প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার বিক্রির আদেশ (সেল অর্ডার) থাকলেও এই দামে কোনো ক্রেতা পাওয়া যায়নি।
একই চিত্র দেখা গেছে ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রেও। ব্যাংকটির শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ কমে ২৯ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এই সময়ে মাত্র ২০ হাজার ১১৯টি শেয়ার লেনদেন হয়। প্রায় ১৬ লাখ শেয়ার বিক্রির বিপরীতে কোনো ক্রেতা মেলেনি।
ক্রেতা ও বিক্রেতার এই চরম ভারসামহীনতার কারণে পুঁজিবাজার কর্তৃপক্ষ দুটি শেয়ারেরই লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেয়।
এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বেক্সিমকো এবং ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইসের কড়াকড়ি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
পুঁজিবাজারে চলমান অস্থিরতা ও পতনের ধারা রোধ করতে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই শেয়ার দুটির ওপর এই সর্বনিম্ন মূল্যসীমা বা ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়েছিল।
