যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে কেন স্বার্থবিরোধী বলছেন ড. মোস্তাফিজ?
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষর হয় 'অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড-এআরটি। ৩২ পৃষ্ঠার এই চুক্তিতে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১৩১ বার শ্যাল শব্দটি ব্যবহার করে শর্ত দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে সেটি ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র ৬ বার। চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক ৩৭ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও কয়েকদিনের মাথায় সেটি বাতিল করে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। পরে যা ১৫ শতাংশে নির্ধারিত হয়। সেক্ষেত্রে এত শর্ত মেনে এই চুক্তি কার স্বার্থে? এতে বাংলাদেশের লাভ নাকি ক্ষতি সে বিষয়ে কথা বলেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান। কী বলেছেন তিনি চলুন জেনে নেই।
