পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানের পরিকল্পনা কী?
ইরানে সামরিক আগ্রাসন চালানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্যই ছিল পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকানো। যা এখন আলোচনার টেবিলেও বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে যুদ্ধের পর ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে অন্য যেকোনো সময়ের চাইতে অনেক বেশি সতর্ক তেহরান। বিশেষ করে নির্ধারিত সীমার বাইরে কোনো পদক্ষেপ নিতেই আগ্রহী নয় ইরান। যে কারণে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক না করেই পাকিস্তান ছেড়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ফলে বাধ্য হয়ে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তান সফর বাতিল করতে হয়েছে ট্রাম্পকে। যার কারণ হিসেবে ট্রাম্প ইরানের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অভিযোগ আনলেও- নিজেদের ঐক্যবদ্ধ দেখানোর চেষ্টা করছে তেহরান। সত্যিই কী ঐক্যবদ্ধ ইরান; নাকি বাড়ছে বিভাজন?
