পুলিশ ও মানবাধিকার সংস্কারে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্ক যা বললেন ড. ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকার বিধ্বস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার ব্যবস্থা সংস্কার শুরু করেছে। রক্তাক্ত জুলাইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন দমনে দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশের ভূমিকা ছিল। সরকার বিচার বিভাগীয় সংস্কার, পুলিশ পুনর্গঠন, মানবাধিকার সুরক্ষায় 'সেল', স্বচ্ছ জিজ্ঞাসাবাদ, বডি-ক্যামেরা ও জাতিসংঘের নীতি অনুযায়ী প্রশিক্ষণ চালু করেছে। ১৬টি সংস্কার সম্পন্ন, ৪৩টি চলমান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারকে জানানো, আইনজীবীর সাক্ষাৎ ও চিকিৎসার বিধান যুক্ত হয়েছে। অনলাইনে জিডি গ্রহণ চালু হয়েছে। ৫ আগস্ট মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এসব তথ্য জানান।
