‘বিশ্বসুন্দরী’র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিলেন প্রযোজক অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০-এর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে 'বিশ্বসুন্দরী'। এ চলচ্চিত্রের প্রযোজক হিসেবে বুধবার (২৩ মার্চ) অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু এ পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। এর আগে ২০০৯ সালে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পাওয়া 'মনপুরা' চলচ্চিত্রের প্রযোজক ছিলেন তিনি।
'মনপুরা' ৬টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিল। এবার 'বিশ্বসুন্দরী' পেয়েছে ৮টি পুরস্কার; যার মধ্যে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের সম্মাননা ছাড়াও পুরস্কৃত হয়েছেন শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সিয়াম আহমেদ, পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু, গীতিকার কবির বকুল, সুরকার ও গায়ক ইমরান মাহমুদুল, গায়িকা দিলশাদ নাহার কনা ও প্রয়াত নৃত্য পরিচালক সুমন রহমান।
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পদ্যোক্তাদের একজন অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে দুই দশকের বেশি সময় ধরে শিল্প-সংস্কৃতি-শিক্ষা-ক্রীড়া সর্বক্ষেত্রেই বিশেষ ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছেন।
২০০১ সালে প্রযোজনা করেন তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত ছবি 'লালসালু'। ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিল ছবিটি। পরবর্তীতে তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত 'লালন' প্রযোজনা করেন তিনি, যা ১টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়। একই বছর আবু সাইয়ীদ পরিচালিত 'শঙ্খনাদ'-এর সঙ্গে যুক্ত হন প্রযোজক অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু। ছবিটি দুটি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়।
২০০৫ সালে প্রয়াত তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত 'অন্তর্যাত্রা' ছবিটিরও বাংলাদেশ অংশের স্বত্ব ক্রয় করেন তিনি। প্রয়াত চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরী'র প্রথম চলচ্চিত্র 'আয়না' (২০০৬) প্রযোজনা করেন অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু।
সুস্থ ধারার চলচ্চিত্রের প্রতি পৃষ্ঠপোষকতার অঙ্গীকার থেকে চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত 'বিশ্বসুন্দরী' চলচ্চিত্রটিও প্রযোজনা করেন তিনি। চিত্রনাট্যকার রুম্মান রশীদ খানের লেখা 'বিশ্বসুন্দরী'র গল্প একজন বীরাঙ্গনা মা'কে নিয়ে।
বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রথম ঢেউ কিছটুা কমে যাবার পর চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি যখন স্থবির হয়ে পড়েছিল, প্রেক্ষাগৃহ মালিক, পরিবেশকদের কথা মাথায় রেখে ২০২০ সালের ১১ ডিসেম্বর চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার ঝুঁকি নেন তিনি।
'বিশ্বসুন্দরী' টানা ১১৭ দিন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছে।
