Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
July 15, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, JULY 15, 2026
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভিয়েতনামের চেয়েও বড় পরাজয় ইরান

আন্তর্জাতিক

ফরেইন পলিসি
18 June, 2026, 11:05 am
Last modified: 18 June, 2026, 11:56 am

Related News

  • হরমুজের পর এবার ইরানের নতুন হাতিয়ার ‘বাব আল-মান্দেব’, হুতি মিত্রদের দিয়ে প্রণালি বন্ধের সম্ভাবনা
  • ক্ষমতায় ফিরতে যেভাবে কট্টর শত্রু ‘ইসরায়েলের এজেন্ট’ হয়ে উঠেছিলেন আহমেদিনেজাদ: নিউইয়র্ক টাইমস
  • ইরানের ‘পিক্যাক্স মাউন্টেনে’ হামলার হুমকি ট্রাম্পের
  • হরমুজ দিয়ে পরিবাহিত পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
  • পারমাণবিক কর্মসূচির চেয়ে কেন ইরানের কাছে বড় অগ্রাধিকার হয়ে উঠল হরমুজের ‘স্বর্ণাস্ত্র’

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভিয়েতনামের চেয়েও বড় পরাজয় ইরান

ইরান সংঘাতে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত মার্কিন অস্ত্রের কার্যকারিতা ছাপিয়ে গেছে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার সীমাবদ্ধতা। এটি প্রশ্ন তুলেছে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত।
ফরেইন পলিসি
18 June, 2026, 11:05 am
Last modified: 18 June, 2026, 11:56 am
১৯৭৫ সালের ৩০শে এপ্রিল সায়গনের দক্ষিণ ভিয়েতনামী প্রেসিডেন্ট প্যালেসের মূল ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকছে উত্তর ভিয়েতনামী সেনাবাহিনীর একটি ট্যাংক। ছবি: এএফপি

নিজের দ্বিতীয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করে বলেছিলেন, 'আমাদের সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনটি যেন আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মহান ও সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকে।'

উপসাগরীয় যুদ্ধে পরাজিত হয়ে ট্রাম্প সেই লক্ষ্য অর্জন করেছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নিতে তাকে অন্যরা উৎসাহ দিলেও সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ তার নিজের ছিল।

এই সিদ্ধান্ত এমন এক বিপর্যয়ের জন্ম দিয়েছে, যা কৌশলগত দিক থেকে ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের চেয়েও অনেক বড়।

বাহ্যিকভাবে দেখলে ইরান যুদ্ধে পরাজয়কে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য সামরিক পরাজয়ের মতো মনে হবে না। যুদ্ধটির স্থায়ীত্ব এবং দূরবর্তী অবস্থান, পুরো ঘটনাকে একটি অবাস্তব বা কাল্পনিক পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে।

এবার ১৮১৪ সালের মতো হোয়াইট হাউস পুড়ে যায়নি। অস্তিত্বহীন বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরুদ্ধে কোনো বিক্ষোভও দেখা যায়নি।

প্রতিবেদক বলেন, 'যুদ্ধের প্রথম কয়েক সপ্তাহে দোহায় আমার মাথার উপর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে গেছে। কিন্তু সেসময়ের তুলনায় গত কয়েক সপ্তাহে নিজেকে বেশি বিভ্রান্ত মনে হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, বাজারে কেনাকাটা করতে করতে, এখনো তুলনামূলক সস্তা জ্বালানি দিয়ে গাড়ির ট্যাংক ভরতে ভরতে এবং দূরে থাকা সহলেখকদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠক করতে করতে আমি বারবার নিজেকে প্রশ্ন করেছি, 'আমি কি সত্যিই একটি যুদ্ধক্ষেত্রে আছি?'

এই সংঘাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন হতাহতের অনুপস্থিতিও যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের প্রকৃত ব্যাপ্তিকে আড়াল করে রেখেছে।

নিশ্চয়ই যুদ্ধটি প্রাণঘাতী ছিল। যুদ্ধে হাজার হাজার ইরানি—সামরিক সদস্য ও সাধারণ মানুষ—নিহত হয়েছেন। তবে আমেরিকানদের প্রাণহানি ছিল অনেক কম। এ পর্যন্ত ২০ জনেরও কম মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। আর তাদের অনেকেই একটি মাত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

তুলনামূলকভাবে, ভিয়েতনামিরা যাকে 'আমেরিকান যুদ্ধ' বলে, সেই যুদ্ধের ব্যাপ্তি ছিল শ্বাসরুদ্ধকর।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ আকাশ ও জঙ্গলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল, যাদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক। আবার তাদের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার মানুষই ছিলেন আমেরিকান।

অভিজ্ঞতাটি এতটাই তিক্ত ছিল যে, পরবর্তী এক প্রজন্ম ধরে আমেরিকানরা যখন 'ভিয়েতনাম' শব্দটি উচ্চারণ করত, তখন তাদের মধ্যে একটি দেশের চিত্র ফুটে উঠতো না।

যুদ্ধের এত বছর পরও তারা দেশটি সম্পর্কে খুব কমই জানত। আমেরিকানদের কাছে 'ভিয়েতনাম' মূলত একটি রূপক বা প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। অনেক সাধারণ আমেরিকানের কাছে এটি ব্যক্তিগত শোকের প্রতীক ছিল। কিছু নীতিনির্ধারক ও অভিজাত ব্যক্তিদের কাছে এটি ছিল ক্ষমতার ঔদ্ধত্য সম্পর্কে একটি সতর্কবার্তা।

অন্যদের কাছে এটি এমন একটি ভুল ছিল, যা বর্তমান সময়ে সঠিক কৌশলগত হিসাব-নিকাশকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।

তবে একটি বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য ছিল। ভিয়েতনাম যুদ্ধ ছিল জাতীয় ইতিহাসের ওপর একটি কলঙ্ক।

২০১৪ সালে শিকাগো কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের এক জরিপে দেখা যায়, ৫৮ শতাংশ আমেরিকান এটিকে 'অন্ধকার সময়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাত্র ১২ শতাংশ এটিকে গর্বের বিষয় বলে মনে করেছেন।

আজ সেই সংঘাত সম্পর্কে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন হতে পারে, যুদ্ধটি যেহেতু ওয়াশিংটনের জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কেন এত জোরালোভাবে সেখানে হামলা চালিয়েছিল?

যুদ্ধ পরিচালনাকারী মার্কিন নীতিনির্ধারকেরা এমন মাত্রার প্রাণহানি মেনে নিয়েছিলেন, যা আজ কল্পনা করাও কঠিন। তবুও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর ওপর খুব কম প্রভাব ফেলেছিল।

১৯৬৪ সালেই মার্কিন সরকারের অভ্যন্তরীণ বিতর্কে তথাকথিত 'ডোমিনো তত্ত্ব' নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, একটি দেশ সাম্যবাদী হলে তার প্রতিবেশীরাও একই পথে যাবে। পরে এই ধারণাটিই ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের অন্যতম যুক্তি হিসেবে পরিচিতি পায়।

যুদ্ধটি শেষ পর্যন্ত আমেরিকানদের জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল না—এ কথা বলার অর্থ এই নয় যে এটি গুরুত্বহীন ছিল।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অস্থিতিশীলতা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কম্বোডিয়ার গণকবরগুলো নীরব সাক্ষী হয়ে রয়েছে এমন এক সংঘাতের, যার প্রভাব ভিয়েতনামের সীমানা ছাড়িয়ে গিয়েছিল এবং শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পরও বহুদিন স্থায়ী হয়েছিল।

যুদ্ধের ফলাফল ভিয়েতনামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তী বছরগুলোতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শরণার্থীদের হতাশা ও দুর্দশাও ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তবুও এসব পর্যবেক্ষণ এই বাস্তবতাকে বদলাতে পারে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ব্যয়বহুল এই পরাজয়ের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত এবং অভ্যন্তরীণ ছিল। আর বৃহত্তর স্নায়ুযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়েছিল। আর আজকের ভিয়েতনামও আশ্চর্যজনকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ শক্তি।

এবার ট্রাম্পের যুদ্ধের পরিণতির সঙ্গে সেই পরিস্থিতির তুলনা করুন। এই ঐচ্ছিক যুদ্ধ শুরু করার আগে যুক্তরাষ্ট্র যে অবস্থানে ছিল, এখন সে অবস্থান নিঃসন্দেহে অনেক দুর্বল। আর তার মৌলিক কৌশলগত লক্ষ্যগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই সংঘাতে এর সামরিক নৈপুণ্যকে, ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের কুয়েত বিজয়কে প্রতিহত করার জন্য মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের যুদ্ধের সাথে তুলনা করুন। দেখবেন, ১৯৯০-৯১ সালের সংঘাতে আপাতদৃষ্টিতে যে সহজভাবে ইরাকের সামরিক বাহিনীকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল, তা বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছিল। কিন্তু ইরান সংঘাতে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত মার্কিন অস্ত্রের কার্যকারিতা ছাপিয়ে গেছে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার সীমাবদ্ধতা।

এটি প্রশ্ন তুলেছে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত।

এই যুদ্ধের উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর লড়াইয়ের স্থায়ী প্রতীক হয়ে থাকবে তথ্যভাণ্ডারের একটি সম্ভাব্য ভুলের কারণে নিহত ইরানি স্কুলছাত্রীদের রক্তমাখা ব্যাগ।

আর যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও একমুখী আক্রমণকারী ড্রোনের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করেছে, তবুও ইরান সেসব প্রতিরক্ষা ভেদ করে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছে।

এতে প্রশ্ন উঠেছে, আরও মনোযোগী শত্রুর বিরুদ্ধে বা দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে এসব ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে।

কৌশলগত দিক থেকে ফলাফল আরও ভয়াবহ। যুক্তরাষ্ট্র এক ধরনের শাসনে পরিবর্তন ঘটাতে পেরেছে বটে। কিন্তু তেহরানকে অনুগত অংশীদারে পরিণত করার বদলে যুদ্ধটি ইরানকে আরও কট্টরপন্থী করে তুলেছে।

ফলে দেশটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এখন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর হাতে চলে গেছে।

যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে ইসরায়েলি ও মার্কিন অস্ত্র যতই নিষ্ঠুরভাবে কার্যকর হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সেগুলো সামরিক শক্তিনির্ভর সমাধানের সীমাবদ্ধতাই প্রমাণ করেছে। আর তা ইরানের জন্যই লাভজনক হয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইতোমধ্যে দুই দফা যৌথ ইসরায়েলি-মার্কিন বিমান হামলা সহ্য করেছে। তৃতীয় দফা হামলাও এর চেয়ে ভালো ফল দেবে বলে মনে হয় না। বৈশ্বিক ব্যবস্থায় মার্কিন নেতৃত্বের ওপর এর প্রভাব আরও বেশি গভীর বা সুদূরপ্রসারী হয়েছে।

আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে অনেকেই এই অভিযানের বা যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। কিন্তু লড়াইয়ের খরচের মূল ধাক্কা বা বোঝা তাদেরই বহন করতে হয়েছে।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, ইরান এটি জানতে পেরেছে যে হরমুজ প্রণালিকে অবরুদ্ধ করার ক্ষমতা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রভাব বা সুবিধা এনে দিতে পারে।

নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি মূল কৌশলগত লক্ষ্য ছিল; ১৮০০-এর দশকের শুরুতে ভূমধ্যসাগরীয় শক্তিগুলোকে কর বা শুল্ক প্রদান বন্ধ করতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন নৌবাহিনী পাঠিয়েছিলেন।

হরমুজ প্রণালিতে মুক্ত চলাচলের সম্ভাব্য অবসান বাণিজ্য পথগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের ইঙ্গিত দিতে পারে, যা বিশ্ব বাণিজ্যের স্থায়ী এবং সম্ভাব্য মারাত্মক ক্ষতি করবে।

একটি যুদ্ধ কীভাবে শেষ হয়, তা কখনো কখনো কীভাবে শুরু হয়েছিল তার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।

আমেরিকান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র মূলত ভিয়েতনাম ও তার প্রতিবেশীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অঞ্চলে মনোযোগ দিতে পেরেছিল।

যদিও সবুজ জ্বালানির দিকে বৈশ্বিক ঝোঁক এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদন ওয়াশিংটনের কিছু অংশের কাছে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরে আসাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে, তবুও ভিয়েতনামের মতো সেই পরবর্তী মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার চাল পুনরাবৃত্তি করা কঠিন হবে।

কারণ, আজকের বিশ্ব অর্থনীতি ১৯৭০-এর দশকের তুলনায় অনেক বেশি আন্তঃনির্ভরশীল এবং উপসাগরীয় অঞ্চল আজকের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কে সেই সময়কার ইন্দোচীনের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশ্বব্যাপী সরবরাহব্যবস্থা শুধু উপসাগরীয় জ্বালানির ওপর নয়, সেখানকার হিলিয়াম, সার ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপরও নির্ভরশীল।

এই সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিক নয়। ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সম্পর্ক অঞ্চলটি থেকে সম্পূর্ণ প্রস্থানকে অসম্ভব করে তুলেছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ও আরও তীব্র সংঘাতের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উন্নয়ন এবং সম্ভাব্য পারমাণবিক অগ্রগতি শুধু এই অঞ্চল নয়, ইউরোপ ও দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও ২০৩০-এর দশককে আরও উদ্বেগজনক করে তুলতে পারে।

যে প্রশাসনই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, যুক্তরাষ্ট্রকে এসব পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে, যখন দেশটি নিজেই অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই দুর্বল হয়ে পড়বে।

তার মিত্ররা তার সক্ষমতার ওপর আস্থা কম রাখবে। তার জনগণ ফলপ্রসূ আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার খরচ বহন করতে কম আগ্রহী হবে। তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা ওয়াশিংটনের সংকল্পকে আরও বেশি চ্যালেঞ্জ জানাতে উৎসাহিত হবে। এসব ফলাফল ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার চেয়ে অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুতর হবে।

তবে একটি বিষয় একই থাকবে। দশক পরে যখন শিক্ষার্থীরা এই মার্কিন সংঘাতকে বুঝতে ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাবে, তখন তারা ভিয়েতনাম যুদ্ধ সম্পর্কে যে প্রশ্নটি করেছিল, ঠিক সেই প্রশ্নটিই করবে—'কেন?'

গবেষকেরা এর অনেক সুগভীর ও তথ্যসমৃদ্ধ ব্যাখ্যা দেবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যাই তাদের কাছে পুরোপুরি সন্তোষজনক বলে মনে হবে না।

Related Topics

টপ নিউজ

ইরান / ভিয়েতনাম যুদ্ধ / যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয় / ইরান চুক্তি / ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি
    ক্ষমতায় ফিরতে যেভাবে কট্টর শত্রু ‘ইসরায়েলের এজেন্ট’ হয়ে উঠেছিলেন আহমেদিনেজাদ: নিউইয়র্ক টাইমস
  • ট্যাক্সিডার্মি করা একটি র‍্যাকুন হাতে আর্লিং হলান্ড। ছবি: এপি
    বিশ্বকাপ থেকে ব্যতিক্রমী স্মারক নিয়ে ফিরলেন নরওয়ে তারকা আর্লিং হলান্ড
  • গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। ছবি: সংগৃহীত
    ঢাকার কাছে ‘সেকেন্ডারি সিটি’ গড়ার লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে সরকার: গৃহায়ণমন্ত্রী
  • গত বছর ১৩ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে রিয়াদে স্বাগত জানান সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স
    ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে ইয়েমেনে হুথিদের ওপর হামলা চালালেন সৌদি যুবরাজ
  • সাইন্সল্যাবে সড়ক অবরোধ করেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ছবি: টিবিএস
    শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকাসহ ৬ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ   

Related News

  • হরমুজের পর এবার ইরানের নতুন হাতিয়ার ‘বাব আল-মান্দেব’, হুতি মিত্রদের দিয়ে প্রণালি বন্ধের সম্ভাবনা
  • ক্ষমতায় ফিরতে যেভাবে কট্টর শত্রু ‘ইসরায়েলের এজেন্ট’ হয়ে উঠেছিলেন আহমেদিনেজাদ: নিউইয়র্ক টাইমস
  • ইরানের ‘পিক্যাক্স মাউন্টেনে’ হামলার হুমকি ট্রাম্পের
  • হরমুজ দিয়ে পরিবাহিত পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
  • পারমাণবিক কর্মসূচির চেয়ে কেন ইরানের কাছে বড় অগ্রাধিকার হয়ে উঠল হরমুজের ‘স্বর্ণাস্ত্র’

Most Read

1
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি
আন্তর্জাতিক

ক্ষমতায় ফিরতে যেভাবে কট্টর শত্রু ‘ইসরায়েলের এজেন্ট’ হয়ে উঠেছিলেন আহমেদিনেজাদ: নিউইয়র্ক টাইমস

2
ট্যাক্সিডার্মি করা একটি র‍্যাকুন হাতে আর্লিং হলান্ড। ছবি: এপি
খেলা

বিশ্বকাপ থেকে ব্যতিক্রমী স্মারক নিয়ে ফিরলেন নরওয়ে তারকা আর্লিং হলান্ড

3
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

ঢাকার কাছে ‘সেকেন্ডারি সিটি’ গড়ার লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে সরকার: গৃহায়ণমন্ত্রী

4
গত বছর ১৩ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে রিয়াদে স্বাগত জানান সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে ইয়েমেনে হুথিদের ওপর হামলা চালালেন সৌদি যুবরাজ

5
সাইন্সল্যাবে সড়ক অবরোধ করেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকাসহ ৬ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ   

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]