Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
July 26, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, JULY 26, 2026
সকলের সহযোগিতা পেলে ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ

বাসস
28 May, 2026, 10:15 pm
Last modified: 28 May, 2026, 10:20 pm

Related News

  • রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমাতে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার
  • ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ
  • তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল স্থাপন নিয়ে আগামী মাসের মধ্যেই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী
  • একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
  • কারও কর্মদক্ষতায় সন্তুষ্ট না হলে মন্ত্রিসভায় রদবদল করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

সকলের সহযোগিতা পেলে ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বাসস
28 May, 2026, 10:15 pm
Last modified: 28 May, 2026, 10:20 pm
ছবি: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়

সকলের সহযোগিতা পেলে সরকার 'কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ' গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, 'সৈনিকসহ দেশের সাধারণ মানুষ দেশকে যেভাবে কল্পনা করে, সরকার চেষ্টা করছে পর্যায়ক্রমে দেশটাকে সেভাবেই গড়ে তুলতে। আমি বহু বছর দেশে থাকতে পারিনি। কেন পারিনি সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। কারণ সেসময় দেশে ভালো-মন্দ কী হয়েছে, তা নিয়ে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। কিন্তু এখন আমরা দেশকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। '

দেশ গঠনে সবার দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সবারই নির্দিষ্ট কর্তব্য আছে। আমরা যদি যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে সেগুলো পালন করি, তবে অবশ্যই আমাদের কাঙ্খিত দেশটি গড়ে তুলতে সক্ষম হব।'

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান বলেন, 'আজ ঈদের দিনে আসুন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি এবং তাঁর রহমত কামনা করি। তিনি যাতে আমাদের সকলকে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন।'

তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে আমরা যাতে সারাদেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে পারি এবং প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি-আল্লাহর কাছে এটাই চাওয়া।'

ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর 'মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ' ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এই প্রীতিভোজের আয়োজন করে। এতে অফিসার ও সৈনিকরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর অফিসার, সৈনিক এবং তাদের সন্তানদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি 'পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী' ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করে।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতে ঢাকা সেনানিবাসে তাঁর শৈশবকালের স্মৃতি রোমন্থন করেন। তিনি বলেন, 'আমি যখন আসছিলাম, সেসময় হঠাৎ মনে হল আমি প্রায় ৪৫/৪৬ বছর পেছনে চলে গেছি।  আমার সঙ্গে যারা গাড়িতে ছিলেন, তাদেরকেও এই গল্পটা বলছি। ১৯৭৫/৭৬ বা ৭৭ সালের কথা হবে।  সিএমএইচের গেটটা তখন এত বড় ছিল না। গাড়িতে সঙ্গে থাকা এডিসিকে জিজ্ঞেস করলাম, সিএমএইচে ঢোকার পরে ছোট একটা প্যাথোলজি ছিল; ওটার সামনে বাগানের মত একটা জায়গা ছিল; সেখানে দু'তিনটা সিমেন্টের বেঞ্চ ছিল; সেগুলো এখনও আছে? তারপর আবার বললাম, একদম সোজা গেলে হাতের বাঁ দিকে ছিল ফ্যামিলি ওয়ার্ড আর ডানদিকে তখন স্টাফ সার্জন বসতেন। আর টিনের ঘরে স্টাফ সার্জন বসতেন। আমার জ্বর হলে একা একাই চলে যেতাম। এখনও মনে আছে, ওই সময়ে স্টাফ সার্জন ছিলেন মেজর আনোয়ার।'

প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণে আরও উঠে আসে প্রতিদিন বিকেলে শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে সাইকেল চালিয়ে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা।

তারেক রহমান বলেন, 'ওই সময়ে প্রায় প্রতিদিন বিকেল বেলা বন্ধুদের সঙ্গে বের হতাম ৭/৮ টা  সাইকেল নিয়ে। সাইকেল চালাতে চালাতে সিগনালের কাছে মসজিদটার ওখানে যেতাম। সেই মসজিদটা এখন আরও অনেক সুন্দর! তখন পুরোপুরি সাদা চুনের পেইন্ট করা ছিল।'

তিনি আরও বলেন, 'মূল বিষয়টা হচ্ছে যে এই এলাকাটা বহু পুরানো। আমরা যেখানে বসে আছি, একসময় এখানে জঙ্গলের মত ছিল। আপনারা এখন অনেক সুন্দর একটা জায়গা দেখছেন কিন্তু তখন রাস্তাটা সরু ছিল। 

আমি আজ এমন একটা স্থানে এসেছি, যেখানে আমার জীবনের বিরাট একটা বড় অংশ জড়িয়ে আছে। আমার ভালো-মন্দ, কষ্ট-ব্যথা, সুখ-দুঃখের বিশাল স্মৃতি এই পুরো এলকিায় মিশে একাকার আছে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আজকে ঈদ, আনন্দের দিন। আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম কারণ এই জায়গাটায় এলে একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। কারণ ছোটবেলা থেকে এখানে বড় হয়েছি। সৈনিকদের ব্যারাকের ভেতরে ঘুরে বেড়াতাম, তাদের সঙ্গে কথা বলতাম।'

অফিসার ও সৈনিকদের দেশমাতৃকার প্রতি দায়িত্ববোধের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আপনারা দেশের প্রয়োজনে অনেকেই হয়ত আজ ছুটিতে যেতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবে ঈদের সময় মানুষ পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চায়। আপনাদের স্যাক্রিফাইসের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই।'

তিনি আরও বলেন, 'দেশ এবং জাতি আপনাদের এই আত্মত্যাগকে অবশ্যই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।'

সেনা সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, 'আপনাদের দায়িত্ব পালন ও কল্যাণের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সরকার অবগত রয়েছে। সাম্প্রতিক একটা ভিডিওকে আপনাদের সাফল্যের মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

কয়েক মাস আগে একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছিল; দুটি পত্রিকা অফিসে আগুন ধরানো হয়েছিল। আপনারা সেখান থেকে প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করেছিলেন। এটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।'

তিনি বলেন, দেশের এবং দেশের মানুষের প্রয়োজনে সৈনিকরা জীবন দেয়। আর আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, সেই জীবন এবং সেই আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করা। আর সেটির প্রথম শর্ত হচ্ছে নিজের দেশ সম্পর্কে সবার আগে চিন্তা করা। কারণ আমরা সবাই এই দেশটাকে ভালো অবস্থানে দেখতে চাই।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সমাজের সকল স্তরের মানুষ চায়, তাদের সন্তানেরা যেনো সুন্দরভাবে লেখাপড়া করার সুযোগ পায় এবং পরিবারের সদস্যরা যাতে সুচিকিৎসার সুযোগ পায়। সাধারণত মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে, আমরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি।'

Related Topics

টপ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী / সেনানিবাস

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • পুরান ঢাকার বাদামতলী পাইকারি ফল বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচা ‘আরবের খেজুর’ নিলামে তুলছেন ব্যবসায়ীরা। মৌসুমি চাহিদা বেশি থাকায় সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভিড় করেন ক্রেতারা। ছবি: রাজীব ধর
    মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি ব্যয়বহুল হওয়ায় ভারতে উৎপাদিত কাঁচা খেজুরে সয়লাব দেশের বাজার
  • ছবি: ইউএনবি
    তৈরি পোশাকের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত: প্রধানমন্ত্রী
  • একটি কুয়েতি ইউরোফাইটার টাইফুন ইউএসএএফ। ছবি: সংগৃহীত
    গোপনে যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে প্রথমবারের মতো ইরানে সরাসরি হামলা চালিয়েছে বাহরাইন ও কুয়েত
  • ছবি: রয়টার্স
    ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে ডায়েট কোকের ক্যান বড় করতে বাধ্য হলো কোকা-কোলা, বাড়ল দামও 
  • ছবি: সংগৃহীত
    মতিঝিলে মেট্রো স্টেশনের নিচে ছাতার মধ্যে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু উদ্ধার
  • সিগারেটের সরবরাহ চেইনে গায়েব ৪ হাজার কোটি টাকা: বাড়তি টাকা যাচ্ছে কার পকেটে?
    সিগারেটের সরবরাহ চেইনে গায়েব ৪ হাজার কোটি টাকা: বাড়তি টাকা যাচ্ছে কার পকেটে?

Related News

  • রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমাতে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার
  • ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ
  • তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল স্থাপন নিয়ে আগামী মাসের মধ্যেই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী
  • একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
  • কারও কর্মদক্ষতায় সন্তুষ্ট না হলে মন্ত্রিসভায় রদবদল করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

Most Read

1
পুরান ঢাকার বাদামতলী পাইকারি ফল বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচা ‘আরবের খেজুর’ নিলামে তুলছেন ব্যবসায়ীরা। মৌসুমি চাহিদা বেশি থাকায় সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভিড় করেন ক্রেতারা। ছবি: রাজীব ধর
বাংলাদেশ

মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি ব্যয়বহুল হওয়ায় ভারতে উৎপাদিত কাঁচা খেজুরে সয়লাব দেশের বাজার

2
ছবি: ইউএনবি
বাংলাদেশ

তৈরি পোশাকের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত: প্রধানমন্ত্রী

3
একটি কুয়েতি ইউরোফাইটার টাইফুন ইউএসএএফ। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

গোপনে যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে প্রথমবারের মতো ইরানে সরাসরি হামলা চালিয়েছে বাহরাইন ও কুয়েত

4
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে ডায়েট কোকের ক্যান বড় করতে বাধ্য হলো কোকা-কোলা, বাড়ল দামও 

5
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

মতিঝিলে মেট্রো স্টেশনের নিচে ছাতার মধ্যে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু উদ্ধার

6
সিগারেটের সরবরাহ চেইনে গায়েব ৪ হাজার কোটি টাকা: বাড়তি টাকা যাচ্ছে কার পকেটে?
অর্থনীতি

সিগারেটের সরবরাহ চেইনে গায়েব ৪ হাজার কোটি টাকা: বাড়তি টাকা যাচ্ছে কার পকেটে?

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]