Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
June 21, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, JUNE 21, 2026
চুক্তি না হলে ইরান উড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প; ট্রিগারে আঙুল রেখে আমরা প্রস্তুত: ইরানের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক

টিবিএস ডেস্ক
19 April, 2026, 09:30 pm
Last modified: 19 April, 2026, 11:40 pm

Related News

  • ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেদের জয়ের হিসাব কষছে চীন
  • পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • তোমাদের বন্ধু বলতে শুধু আমরাই আছি: ইসরায়েলকে জেডি ভ্যান্স
  • ইরান যুদ্ধের খরচ মেটাতে ৮০ বিলিয়ন ডলার চাইল পেন্টাগন
  • ইরান যুদ্ধ বন্ধে শান্তিচুক্তিতে ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের সইয়ের ছবি প্রকাশ

চুক্তি না হলে ইরান উড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প; ট্রিগারে আঙুল রেখে আমরা প্রস্তুত: ইরানের সেনাপ্রধান

টিবিএস ডেস্ক
19 April, 2026, 09:30 pm
Last modified: 19 April, 2026, 11:40 pm
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত

 


চুক্তি না হলে পুরো ইরান উড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার লক্ষ্যে মার্কিন প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি তেহরানকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, 'আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। আলোচনার জন্য আগামীকাল সন্ধ্যায় তারা সেখানে পৌঁছাবেন।'

ইরানকে একটি চুক্তির প্রস্তাব দিয়ে তিনি আরও বলেন, 'আমরা অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত একটি চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছি। আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে। কারণ যদি তারা তা না করে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেবে।'

আলোচনা ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠোর হবে এমন সতর্কবার্তা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, 'তখন আর কোনো দয়া-মায়া দেখানো হবে না।' তিনি আরও যোগ করেন, ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো খুব দ্রুত এবং সহজেই ধ্বংস করে দেওয়া হবে।


নৌ-অবরোধ বহাল থাকলে আলোচনায় বসবে না ইরান: তাসনিম নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কোনো প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান। ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তাসনিম নিউজের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নৌ-অবরোধ বলবৎ থাকবে, ততক্ষণ ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'ইরানি প্রতিনিধি দল জোর দিয়ে বলেছে যে, ট্রাম্পের এই অবরোধের ঘোষণা কার্যকর থাকা অবস্থায় কোনো সমঝোতার টেবিলে যাবে না ইরান।'


হরমুজ প্রণালি বন্ধে 'ক্ষতি নেই' ট্রাম্পের, তবে তেলের বাজারে অশনিসংকেত

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তব চিত্র এবং বিশ্ব বাজারের পরিস্থিতির বড় ধরনের অমিল পাওয়া গেছে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান একটি ফরাসি এবং একটি ব্রিটিশ মালবাহী জাহাজে গুলি চালিয়েছে। তবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত জাহাজ দুটি আসলে ভারতের পতাকাবাহী ছিল।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রণালি বন্ধ করে ইরান আসলে যুক্তরাষ্ট্রকে 'সাহায্য' করছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন এই দাবি সঠিক নয়। মার্কিন নৌবাহিনী মূলত একটি নৌ-অবরোধ তৈরি করেছিল যাতে ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ চলাচল করতে না পারে। কিন্তু ইরান এখন পুরো প্রণালিটিই বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ করার মতো আর কোনো জাহাজ অবশিষ্ট নেই, কারণ কোনো দেশই এখন ওই পথ ব্যবহার করতে পারছে না।

ট্রাম্পের সবচেয়ে বিতর্কিত দাবিটি হলো—হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের 'কিছুই হারাবার নেই' বা কোনো ক্ষতি নেই। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি তেল একটি বৈশ্বিক পণ্য। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের বড় একটি অংশের জ্বালানি সরবরাহ হয়। 


নিরাপত্তা শঙ্কায় পাকিস্তান যাচ্ছেন না জেডি ভ্যান্স: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত আলোচনায় যোগ দিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। মূলত 'নিরাপত্তা' জনিত উদ্বেগের কারণেই তার এই সফর বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ভ্যান্সের সফর বাতিলের কারণ হিসেবে নিরাপত্তা ইস্যুটিকে সামনে আনেন। তিনি বলেন, 'এটি শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণে। জেডি অসাধারণ একজন মানুষ (সফরের জন্য প্রস্তুত ছিলেন)।'

এর আগে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ এবং জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, সোমবার থেকে ইসলামাবাদের শুরু হতে যাওয়া এই আলোচনার মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন জেডি ভ্যান্স।


ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, তবে শান্তি চুক্তি হবেই: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, ইরান যুদ্ধবিরতির 'গুরুতর লঙ্ঘন' করেছে। তবে এই লঙ্ঘন সত্ত্বেও তিনি একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদী। এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্লের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।

এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্লকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'শান্তি চুক্তি হবেই। ভালো পথে হোক বা কঠোর পন্থায়—যেকোনো ভাবেই এটি ঘটবে। এটি নিশ্চিত।'


হরমুজ প্রণালিতে দুই ট্যাঙ্কারকে ফিরিয়ে দিল ইরান, ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি তেলের ট্যাঙ্কারকে বাধা দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে ইরানি বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধের প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তেহরান জানিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, বতসোয়ানা এবং অ্যাঙ্গোলার পতাকাবাহী জাহাজ দুটিকে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ইরান এই ঘটনাকে কৌশলগত এই জলপথে 'অননুমোদিত প্রবেশ' হিসেবে অভিহিত করেছে।

শনিবার ইরান ঘোষণা করেছে যে, তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করছে। একইসঙ্গে তারা নাবিকদের সতর্ক করে দিয়েছে যে, গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি রুটটি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ করে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে 'ব্ল্যাকমেইল' করতে পারবে না।


ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত ইরান: ইরানের সেনাপ্রধান

ইরানের স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তা রক্ষায় শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সামরিক প্রধান আমির হাতামি।

তিনি জানিয়েছেন, স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—যেকোনো পথেই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। আমির হাতামি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সকল শাখা যেকোনো শত্রুকে চূড়ান্তভাবে মোকাবিলা করতে এবং সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

ইরানি বাহিনীর মনোবল অত্যন্ত চাঙ্গা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের সেনারা 'জিহাদ' এবং ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত। তারা তাদের দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হবে না।

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হাতামি আরও বলেন, 'আমাদের বাহিনীর আঙুল এখন বন্দুকের ট্রিগারে। যেকোনো ত্যাগের বিনিময়ে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তারা শত্রুর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।'


'ইরানকে পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?'—প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রশ্ন

পারমাণবিক অধিকার থেকে ইরানকে বঞ্চিত করার কোনো এখতিয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝেই ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করে এই মন্তব্য করেন তিনি। পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতবিরোধ চলছেই।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: রয়টার্স

রোববার ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনার এক প্রতিবেদনে পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়। ইসনার প্রতিবেদনে পেজেশকিয়ানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, 'ট্রাম্প বলছেন, ইরান তার পারমাণবিক অধিকার ভোগ করতে পারবে না। কিন্তু ঠিক কী অপরাধের জন্য পারবে না, সেটা তিনি বলছেন না। একটি জাতিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?'  

তথ্যসূত্র: রয়টার্স


আগামী সপ্তাহেই পাকিস্তানে শুরু হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ২য় দফা আলোচনা

আগামী শুক্রবারের আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের দুটি নিরাপত্তা সূত্র। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আল জাজিরাকে তারা জানান, কয়েকটি কারণে তারা এমন ধারণায় পৌঁছেছেন।

প্রথমত, তারা উল্লেখ করেছেন যে, 'যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ভারী সামরিক পরিবহন বিমান, সি-১৭ গ্লোবমাস্টার, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের নিকটবর্তী রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে।'

তারা আরও জানিয়েছেন যে, 'বিমানবন্দর থেকে ইসলামাবাদের 'রেড জোন' পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা উচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়।'

সবশেষ কারণ হিসেবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, 'ইসলামাবাদের সেরেনা এবং ম্যারিয়ট—উভয় হোটেল থেকেই অতিথিদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং শুক্রবারের আগে নতুন কোনো বুকিং নেওয়া হচ্ছে না।'

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদের এই সেরেনা হোটেলেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফার ঐতিহাসিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা


হরমুজে ফি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগও বন্ধ করল ইরান, নিষেধাজ্ঞা না মানলে হামলা

জাহাজ চলাচলের জন্য নির্ধারিত 'নিরাপদ' করিডোরসহ পুরো হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

হরমুজ প্রণালি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানের বন্দর এবং জাহাজগুলোর ওপর থেকে তাদের নৌ-অবরোধ তুলে না নেবে, ততক্ষণ এই নৌপথটি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে ইরান তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। এর আগে জানানো হয়েছিল যে, ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং নির্দিষ্ট ফি প্রদানের মাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।

আইআরজিসি-র নৌবাহিনী সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যদি কোনো জাহাজ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচল করার চেষ্টা করে, তবে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


মার্কিন নৌ-অবরোধ যুদ্ধবিরতির শর্তের লঙ্ঘন: ইরান

ইরানের নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধ 'যুদ্ধবিরতির শর্তের এক চরম লঙ্ঘন'।

চলতি মাসের শুরুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। ওই চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল, এই সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।

হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি ইরান আবারও বন্ধ করে দিয়েছে। দেশটির নৌবাহিনী ঘোষণা করেছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া না হবে, ততক্ষণ এই পথ বন্ধই থাকবে।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী তাদের সর্বশেষ বিবৃতিতে বলেছে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের 'কোনো বৈধতা নেই'। তবে এটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঠিক কোন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এর আগে শনিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের নেতারা এই প্রণালি বন্ধ করতে চাইছেন, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই 'ব্ল্যাকমেইল' সফল হতে দেবে না।

তথ্যসূত্র: বিবিসি


ইসরায়েলে নেতানিয়াহু ও তার সরকারের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ, ৭ অক্টোবরের ঘটনার তদন্ত দাবি

শনিবার রাতে তেল আবিবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ছবি: এএফপি

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া রাফায়েল পেনিইনা জানান, তিনি প্রতি সপ্তাহের এই সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন কারণ নেতানিয়াহু 'আমাদের সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করছেন' এবং ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক নষ্ট করছেন।

তিনি বলেন, 'এখানকার মানুষ বর্তমান এবং পরবর্তী সরকারের কাছে গত ৭ অক্টোবর ও তার পরবর্তী সময়ে কী ঘটেছিল, তার তদন্ত দাবি করছে। কারণ, আমাদের সবারই সত্য জানার অধিকার আছে।'

সামাজিক কর্মী লি হফম্যান-আজিভ বলেন, 'আমি আজ রাতে এখানে এসেছি মূলত সেই পরিবারগুলোকে সমর্থন দিতে, যারা ৭ অক্টোবর এবং তারপর থেকে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চালিয়ে যাওয়া এই অন্তহীন যুদ্ধে তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন।'

চায়ম ত্রিভ্যাক্স নামে অন্য এক বিক্ষোভকারী বলেন, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল বড় ভুল করেছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, নেতানিয়াহু 'দেশের জন্য লড়ছেন না, তিনি জেল থেকে বাঁচতে পালাচ্ছেন।'

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ট্রাম্প যুদ্ধে জড়িয়েছেন: কমলা হ্যারিস

সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস অভিযোগ করেছেন যে, ইসরায়েলি নেতার প্ররোচনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি যুদ্ধ শুরু করেছেন যা 'আমেরিকার জনগণ চায় না' এবং এর মাধ্যমে তিনি মার্কিন সেনাদের বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন।

কমলা হ্যারিস। ছবি: রয়টার্স

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হওয়া সাবেক এই ভাইস প্রেসিডেন্ট শনিবার ডেট্রয়েটে ডেমোক্রেটিক পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প এই যুদ্ধে জড়িয়ে মার্কিন স্বার্থ ও সেনাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন।

তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে যুদ্ধে টেনে আনার এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন। গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, 'কেউ কি আসলেই মনে করেন যে কেউ একজন এসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলে দিতে পারে তাঁর কী করা উচিত?'

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা


বাব আল-মানদাব প্রণালি বন্ধের হুমকি দিল হুতিরা

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা হুশিয়ারি দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি 'শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা' দেওয়া অব্যাহত রাখেন, তবে তারা বাব আল-মানদাব প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে।

ছবি: সংগৃহীত

সানার বিদ্রোহী সরকারের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুসেইন আল-এজি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, 'সানা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মানুষ বা জিন—কারও পক্ষেই তা আবার খোলা সম্ভব হবে না।' 

তিনি আরও বলেন, 'তাই ট্রাম্প—এবং সহযোগী বিশ্বের—উচিত হবে অবিলম্বে শান্তি বিঘ্নিতকারী সকল কর্মকাণ্ড ও নীতি বন্ধ করা এবং আমাদের জাতি ও জনগণের অধিকারের প্রতি প্রয়োজনীয় সম্মান প্রদর্শন করা।'

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বাব আল-মানদাব প্রণালি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সাথে যুক্ত করেছে। এটি বিশ্ব বাণিজ্যের একটি প্রধান নৌপথ, বিশেষ করে পারস্য উপসাগর, ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবহনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এর আগে বিভিন্ন সময় এই অঞ্চলে জাহাজে হামলা চালিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা তৈরি করেছে হুতিরা। নতুন করে এই হুমকির ফলে লোহিত সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


যেকোনো মুহূর্তে ফের শুরু হতে পারে যুদ্ধ: ইরান; ইসরায়েলে সর্বোচ্চ সতর্কতা

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং দেশটির প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, তেহরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে। রবিবার ভোরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

দুই দেশের মধ্যে বর্তমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে দীর্ঘদিনের যে অনিশ্চয়তা চলছে, তার মধ্যেই গালিবাফের এই কড়া মন্তব্য সামনে এল। কয়েক দফা আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান না আসায় যুদ্ধবিরতি বজায় থাকা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েলি রেডিওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় দেশটির সেনাবাহিনীকে 'হাই অ্যালার্ট' বা উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনটি তৈরির ক্ষেত্রে ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ: ১২টি যুদ্ধজাহাজ ও ১০ হাজার সেনা মোতায়েন

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ১২টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ, ১০ হাজারেরও বেশি সেনাসদস্য এবং বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ কার্যকর করছে।

সেন্টকম জানিয়েছে, এই কঠোর নৌ-বেষ্টনীর অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত ইরান-সংশ্লিষ্ট ২৩টি জাহাজকে গতিরোধ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কর্মকর্তারা এই অভিযানকে 'মেরিটাইম ইন্টারডিকশন' বা সামুদ্রিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর আওতায় সন্দেহভাজন জাহাজ থামানো এবং সেগুলোর গতিপথ পরিবর্তন করে দেওয়ার মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ফাইল ছবি: যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট। এএফপি

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নৌ-অবরোধের পরিধি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও বিস্তৃত হতে পারে। অতীতে ভেনেজুয়েলা-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার মতো এবারও আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা রয়েছে ওয়াশিংটনের। এতে প্রয়োজনে বিশেষায়িত নেভাল ইউনিট এবং বোর্ডিং টিম (জাহাজে তল্লাশি দল) ব্যবহার করা হতে পারে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের সমুদ্রপথে পরিচালিত প্রায় সব ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রশাসন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানকে আলোচনায় বসাতে এবং হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করতে এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সফরের পর যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া নতুন প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ইরান

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, ওয়াশিংটন 'নতুন এবং অতিরিক্ত' দাবি উত্থাপন করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা কোনো সুনির্দিষ্ট ফলাফল ছাড়াই শেষ হয়েছে। অথচ এর আগে তেহরানের দেওয়া আলোচনার রূপরেখায় (ফ্রেমওয়ার্ক) সম্মত হয়েছিল ওয়াশিংটন।

কাউন্সিল জানিয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে এই আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছিল ইরান। দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে টানা ২১ ঘণ্টা ধরে এই আলোচনা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা আসেনি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল, ২০২৬) তেহরানে পাকিস্তান সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। ছবি: রয়টার্স

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, 'এই দফার আলোচনা কোনো সুনির্দিষ্ট ফল ছাড়াই শেষ হয়েছে। যখন শত্রু তাদের অতিরিক্ত দাবিদাওয়া ত্যাগ করবে এবং যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতার সঙ্গে তাদের দাবিগুলোর সমন্বয় ঘটাবে, তখনই আবার আলোচনা শুরু হবে।' বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া কিছু নতুন প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।

কাউন্সিল তাদের বিবৃতিতে আরও জানায়, 'সম্প্রতি তেহরানে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের মধ্যস্থতায় আমেরিকানদের পক্ষ থেকে নতুন কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বর্তমানে সেগুলো পর্যালোচনা করছে এবং এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি।'

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরান এই শর্তে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল যে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে হামলা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ইরানি নিয়ন্ত্রণে রেখে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য 'শর্তসাপেক্ষে সাময়িকভাবে' খুলে দেওয়া হবে।

ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে তারা জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবে, পারমিট ইস্যু করবে এবং ফি (টোল) আদায় করবে। তবে নৌ-অবরোধের মতো কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হলে তারা আবারও যাতায়াতে বিধিনিষেধ আরোপ করবে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই


যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় অগ্রগতি, তবে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে: গালিবাফ

ইরানের প্রধান আলোচক জানিয়েছেন যে আমেরিকার সাথে সাম্প্রতিক আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে, তবে পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তেহরানের সাথে 'খুব ভালো কথা' হয়েছে, তবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে তাকে ব্লাকমেইল না করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ভঙ্গুর এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে কোনো পক্ষই আলোচনার বিস্তারিত জানায়নি। আট সপ্তাহ ধরে চলা এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ইসরায়েলি হামলা লেবানন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধ থাকায় তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পারাপার হতো।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ছবি: রয়টার্স

ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত সপ্তাহান্তের আলোচনা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, 'আমাদের মধ্যে অগ্রগতি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এখনো আমাদের মাঝে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে। কিছু বিষয়ে আমরা অনড়... তাদেরও (যুক্তরাষ্ট্র) কিছু 'রেড লাইন' বা চূড়ান্ত সীমা আছে। তবে এই অমীমাংসিত বিষয়গুলো হয়তো মাত্র একটি বা দুটি।' উভয় পক্ষ এখনো 'চূড়ান্ত আলোচনার পর্যায় থেকে অনেক দূরে' রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিস্তারিত তথ্য না দিলেও জানিয়েছেন যে দুই দেশের মধ্যে 'খুব ভালো আলোচনা' চলছে।

শনিবার তেহরান হঠাৎই নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলে হরমুজ প্রণালির ওপর আবারও পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে। জ্বালানি পরিবহনের এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়ার ফলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ইরান বলছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমাগত নৌ-অবরোধের জবাবেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা এই অবরোধকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে মনে করছে। ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনেই বলেছেন, ইরানের নৌবাহিনী শত্রুদের 'নতুন এবং তিক্ত পরাজয়' উপহার দিতে প্রস্তুত।

ট্রাম্প যদিও আলোচনার প্রশংসা করেছেন, তবে ইরানের এই নতুন পদক্ষেপকে তিনি 'ব্ল্যাকমেইল' বলে অভিহিত করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ দিনের একটি পৃথক যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর শুক্রবার ইরান সাময়িকভাবে এই প্রণালিটি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

তবে ট্রাম্প মার্কিন নৌ-অবরোধের পক্ষে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, আগামী বুধবার বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যদি উভয় দেশ দীর্ঘমেয়াদী কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারে, তবে তিনি 'পুনরায় বোমা বর্ষণ শুরু করবেন।' 

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

Related Topics

টপ নিউজ

ইরান যুদ্ধ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপে নিচের গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বাড়বে বেশি
  • ছবি: ফেসবুক
    আব্দুল মোনেম সুগারকে সচল রাখতে ১০০% মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের
  • ঢাকা বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল। ফাইল ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/টিবিএস
    ভাঙছে বিমানের একচেটিয়া আধিপত্য, তৃতীয় টার্মিনালে সেবা দিতে নিয়োগ পাবে বৈশ্বিক জায়ান্টরা
  • ছবি: সংগৃহীত
    টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত গর্তে পড়া ছাগল উদ্ধারে গিয়ে একই পরিবারের ৪ জন নিহত
  • ছবি: বাংলাদেশ ব্যাংক
    ব্যাংকে বিধিবিধান পালনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ গভর্নরের
  • ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমার ও দেশটির প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ছবি: সংগৃহীত
    নেইমার তো বিশ্বকাপে রিমোটলি কাজ করছে: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার রসিকতা

Related News

  • ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেদের জয়ের হিসাব কষছে চীন
  • পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • তোমাদের বন্ধু বলতে শুধু আমরাই আছি: ইসরায়েলকে জেডি ভ্যান্স
  • ইরান যুদ্ধের খরচ মেটাতে ৮০ বিলিয়ন ডলার চাইল পেন্টাগন
  • ইরান যুদ্ধ বন্ধে শান্তিচুক্তিতে ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের সইয়ের ছবি প্রকাশ

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপে নিচের গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বাড়বে বেশি

2
ছবি: ফেসবুক
অর্থনীতি

আব্দুল মোনেম সুগারকে সচল রাখতে ১০০% মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

3
ঢাকা বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল। ফাইল ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/টিবিএস
বাংলাদেশ

ভাঙছে বিমানের একচেটিয়া আধিপত্য, তৃতীয় টার্মিনালে সেবা দিতে নিয়োগ পাবে বৈশ্বিক জায়ান্টরা

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত গর্তে পড়া ছাগল উদ্ধারে গিয়ে একই পরিবারের ৪ জন নিহত

5
ছবি: বাংলাদেশ ব্যাংক
অর্থনীতি

ব্যাংকে বিধিবিধান পালনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ গভর্নরের

6
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমার ও দেশটির প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। ছবি: সংগৃহীত
খেলা

নেইমার তো বিশ্বকাপে রিমোটলি কাজ করছে: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার রসিকতা

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]