Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
July 05, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, JULY 05, 2026
ইরানে সরকার পরিবর্তন চায় ইসরায়েল, তাকিয়ে আছে ট্রাম্পের দিকে

আন্তর্জাতিক

বিবিসি
01 February, 2026, 10:20 am
Last modified: 01 February, 2026, 11:35 am

Related News

  • ট্রাম্পের ক্রিপ্টো কয়েন কিনে ৩৮০ কোটি ডলার লোকসান গুনেছেন প্রায় ১০ লাখ বিনিয়োগকারী
  • যুক্তরাষ্ট্রের চাপে খামেনির জানাজায় অংশ নেয়নি অন্তত ১৩ দেশ: ইরানি গণমাধ্যম
  • নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমার বোঝাপড়া চমৎকার, ও জানে ‘আসল বস কে’: ট্রাম্প
  • ২৫০ বছরে আমেরিকা: একই সঙ্গে জৌলুস আর অবক্ষয়ের দোলাচল
  • যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

ইরানে সরকার পরিবর্তন চায় ইসরায়েল, তাকিয়ে আছে ট্রাম্পের দিকে

চলতি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কিছু মন্তব্য করলেও, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে খুব কমই কথা বলেছেন।
বিবিসি
01 February, 2026, 10:20 am
Last modified: 01 February, 2026, 11:35 am
ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালালে তারা 'তাৎক্ষণিক ও নজিরবিহীন' জবাব দেবে। ছবি: ইপিএ

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি বাড়ানোর বিষয়ে বিশ্বজুড়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চললেও ইসরায়েলের নেতারা এ নিয়ে প্রকাশ্যে অস্বাভাবিক নীরবতা বজায় রেখেছেন।

চলতি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কিছু মন্তব্য করলেও, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে খুব কমই কথা বলেছেন। তার সরকারও একইভাবে নীরব রয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগে ২৫ বছর দায়িত্ব পালন করা এবং বর্তমানে ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের সিনিয়র ইরান গবেষক ড্যানি সিট্রিনোভিচ বলেন, 'এটি প্রমাণ করে যে নেতানিয়াহু এই মুহূর্তটিকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন।'

তিনি বলেন, 'উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সেনা উপস্থিতি এবং ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের খুব কাছাকাছি চলে আসা—নেতানিয়াহুর জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ, যা তিনি হাতছাড়া করতে চান না।'

ইসরায়েলের সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সাবেক উপ-পরিচালক আসাফ কোহেনের মতে, এই নীরবতার পেছনে কৌশলগত কারণও রয়েছে। তিনি বলেন, 'ইসরায়েলি নেতৃত্ব মনে করে, এবার আমেরিকানদেরই পথ দেখাতে দেওয়া উচিত। কারণ তারা বেশি শক্তিশালী, তাদের সক্ষমতা বেশি এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাও অনেক বেশি।'

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরেই ইরানকে ইসরায়েলের জন্য প্রধান হুমকি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন। তার প্রকাশ্য নীরবতার অর্থ এই নয় যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আড়ালে আলোচনা করছেন না।

এই সপ্তাহে ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান শ্লোমি বাইন্ডার ওয়াশিংটনে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, ওই আলোচনায় ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলো নিয়ে কথা হয়েছে।

সিট্রিনোভিচের ধারণা, নেতানিয়াহু গোপনে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে পূর্ণমাত্রার হামলার জন্য চাপ দিচ্ছেন। চলতি মাসের শুরুতে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে থামিয়েছিলেন বলে যে খবর প্রকাশ পায়, সে বিষয়ে তিনি বলেন, নেতানিয়াহু তখন পরিকল্পিত মার্কিন হামলাটিকে 'খুবই ছোট' মনে করেছিলেন।

এর আগে গত বছর ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু ইরানিদের তাদের সরকারের বিরুদ্ধে 'রুখে দাঁড়াতে' আহ্বান জানিয়েছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন। এর মধ্যে সীমিত প্রতীকী হামলা থেকে শুরু করে পূর্ণমাত্রার সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। প্রকাশ্যে তিনি একদিকে সামরিক হুমকি দিচ্ছেন, অন্যদিকে নতুন করে আলোচনার প্রস্তাবও রাখছেন।

অনেক মার্কিন মিত্র দেশ সতর্ক করে দিচ্ছে যে, ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা পুরো অঞ্চলের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে ইসরায়েলের অনেকেই এতে নিজেদের নিরাপত্তার সম্ভাব্য সুবিধা দেখছেন।

তেহরানে সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে ইসরায়েল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি এবং ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের আশঙ্কা—দুটিই দূর করার আশা করছে।

এতে ইরানের অনুগত বা প্রক্সি মিলিশিয়া বাহিনীগুলোকেও দুর্বল করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা। এর মধ্যে হিজবুল্লাহও রয়েছে। ইসরায়েলের আলমা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মতে, লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর কাছে এখনো প্রায় ২৫ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট মজুত রয়েছে।
অন্যদিকে কিছু ইসরায়েলি আইনপ্রণেতার আশঙ্কা, সীমিত হামলা বা ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য আরও বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কারণ এতে বর্তমান ইরানি সরকার ক্ষমতায় থেকেই যাবে।

ইসরায়েলি পার্লামেন্টের প্রতিরক্ষা কমিটির সদস্য এবং বিরোধী দল 'ইশ আতিদ'-এর সাংসদ মোশে তুর-পাজ বলেন, 'যখন আপনি চরম মন্দের মুখোমুখি হন, তখন সীমিত পরিসরে কাজ করা যায় না।'

তিনি আরও বলেন, 'একটি ঐকমত্য রয়েছে যে ইসরায়েলের আরও কঠোর হওয়া উচিত এবং পশ্চিমা বিশ্বেরও তাই করা উচিত। ইরানের মতো আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রুর বিষয়ে আমাদের মধ্যে বড় কোনো মতভেদ নেই। আমরা সবাই এই হুমকিটা বুঝি।'

অনেকে মনে করছেন, আরেকটি সংঘাতের পরও যদি ইরানি সরকার টিকে যায়, তবে ইরানের পাল্টা হামলার যে মূল্য দিতে হবে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল। তখন ইরান পাল্টা শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইসরায়েলি শহরগুলোর দিকে। এর মধ্যে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে তেল আবিবের আবাসিক ভবনে আঘাত হানে। এতে অন্তত ২৮ জন নিহত হন।

১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পেরেছিল। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শুরু থেকেই বড় ধরনের হতাহতের আশঙ্কা করে প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরান নিজেকে আগের তুলনায় বেশি অরক্ষিত মনে করছে। সে কারণেই ইরানের প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই সংঘাত থেকে শিক্ষা নিয়েছে। যুদ্ধ যত গড়িয়েছে, ততই তারা নিজেদের কৌশল বদলেছে। প্রায় ছয় মাস পর এখন ইরান আবারও তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ গড়ে তুলছে।

এই সপ্তাহে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায়, তাহলে তেল আবিবকে 'তাৎক্ষণিক এবং নজিরবিহীন' প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

বিশ্লেষক সিট্রিনোভিচ বলেন, 'নেতানিয়াহু ভয় পাচ্ছেন যে সরকার পরিবর্তন ছাড়াই ইসরায়েলকে আবারও হামলার যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি বন্ধ করতে হলে সরকার পরিবর্তন করতে হবে। কিন্তু সরকার পরিবর্তন কেবল যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমেই সম্ভব।'

আরেক বিশ্লেষক কোহেন বলেন, ইরানি সরকারের জন্য এই সময়টি একই সঙ্গে দুর্বলতা ও সুযোগ তৈরি করেছে। ১২ দিনের যুদ্ধের পর দেশটির সামরিক প্রতিরক্ষা কমে গেছে। আঞ্চলিক প্রক্সি বাহিনীগুলো দুর্বল হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভেতরে শাসনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে।

কোহেন বলেন, 'ইরান এখন সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এটি এমন একটি সুযোগ, যা আর নাও আসতে পারে। অনেকেই মনে করেন, এখনই সময়—হয় এখন, নয়তো কখনোই না।'

তেল আবিবের বাসিন্দারাও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। গত জুনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে যারা এখনো বসবাস করছেন, তারা নতুন সংঘাতের আশঙ্কা করছেন।

২০ বছর বয়সী যুবক নেরিয়া বলেন, 'আমি আশা করি আমাদের নেতারা এই সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না।'

তিনি বলেন, 'হামলার মাধ্যমে হোক বা অন্য কোনো উপায়ে—আমি জানি না। তবে অবশ্যই আমাদের পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে সরকার পরিবর্তন করা উচিত। বোমার মুখোমুখি আমরা প্রথমবার হচ্ছি না। এটা সুখকর নয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে যদি এতে আমরা নিরাপদ বোধ করি, তাহলে আমাদের এই পথ দিয়েই যেতে হবে।'

কাছেই থাকা তরুণী শানি বলেন, 'আমি জানি ইরানি জনগণের অনেকেই চায় যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করুক। আমি শুধু আশা করি সবাই নিরাপদ থাকবে। রাজনীতিবিদদের সাধারণ মানুষের কথা ভাবা উচিত। প্রতিটি সিদ্ধান্তেরই পরিণতি আছে।'

ইসরায়েলে পরিচালিত জনমত জরিপগুলোতে দেখা গেছে, ইহুদি বাসিন্দাদের একটি শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ সমর্থন করে। গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের পরও এই মনোভাব অপরিবর্তিত রয়েছে।

তবে সরকার পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকেই যায়। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির চারপাশে থাকা সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের জোটে এখনো কোনো স্পষ্ট বিভাজন দেখা যায়নি। একই সঙ্গে বিরোধী আন্দোলনও বিভক্ত। ফলে সরকার পতন হলে দেশটির নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে, তা পরিষ্কার নয়।

এ ছাড়া একই শাসকগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা তুলনামূলক কম বয়সী কোনো উত্তরসূরি যে ইসরায়েলের প্রতি নমনীয় হবেন, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। গৃহযুদ্ধ শুরু হলে তা শুধু ইরানের জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যই বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।

প্রতিরক্ষা খাতের একাধিক অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, সাধারণত কেবল বিমান হামলার মাধ্যমে কোনো সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হয় না।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এ বছর নির্বাচনের মুখোমুখি হচ্ছেন। হামাসের হামলার পর থেকে 'মিস্টার সিকিউরিটি' হিসেবে তার ক্ষুণ্ণ ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে তিনি কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন। ইরানে সরকার পরিবর্তন বা খামেনির হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিকভাবে লাভজনক হতে পারে। তবে ঝুঁকিও কম নয়।

সিট্রিনোভিচ বলেন, 'এটি একটি জুয়া, তবে হিসাব করেই নেওয়া।'

তিনি আরও বলেন, 'খামেনির পর কী হবে, তা নিয়ে নেতানিয়াহুর কোনো আগ্রহ নেই। তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে মিলে দেখাতে চান যে, তিনি ইরানি শাসনব্যবস্থা ধ্বংস করেছেন। তিনি যদি নিশ্চিত হন যে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে, তবে এই ঝুঁকি নিতে তিনি রাজি। সমস্যা হলো ট্রাম্প।'

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—দুই পক্ষই আলোচনার জন্য প্রস্তুতির কথা বলেছে। তবে ট্রাম্প আলোচনার শর্ত হিসেবে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ, আঞ্চলিক প্রক্সিদের সহায়তা বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার দাবি জানিয়েছেন। এসব শর্ত ইরানি সরকারের কাছে 'রেড লাইন' হিসেবে বিবেচিত।

ইসরায়েলের নেতৃত্ব যেকোনো চুক্তির কঠোর বিরোধী। ইসরায়েলি বিশ্লেষকদের মধ্যেও আদৌ কোনো চুক্তি সম্ভব কি না, সে বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।

কোহেন মনে করেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান—উভয়ই একটি চুক্তি চায়। তবে দ্রুত কোনো সমাধান না হলে যুক্তরাষ্ট্র হামলার পথে যেতে পারে।

তিনি বলেন, 'ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি মিল আছে। আসলে তাদের কোনো স্থায়ী রেড লাইন নেই। ২০১৩ সালের আলোচনার সময় আমরা এগুলোকে "পিঙ্ক লাইন" বলতাম, কারণ সেগুলো বদলাত।'

তিনি আরও বলেন, 'আমরা সবসময় ইরানকে শয়তান হিসেবে দেখি। কিন্তু তারা খুবই যুক্তিবাদী। তারা বোঝে, পরিস্থিতি বদলাতে হলে এমন কিছু করতে হবে, যা তারা আগে করেনি।'

এর বিপরীতে সিট্রিনোভিচ বলেন, 'তারা আপস করতে পারে, তারা উত্তর কোরিয়া নয়। তবে এই সরকারের নিজস্ব কিছু রেড লাইন আছে।' তিনি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ শুরু হলে তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে, 'কারণ ইরানিরা এটিকে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ হিসেবে দেখবে।'

এমন ইঙ্গিত মিলছে, ট্রাম্প হয়তো আলোচনার শর্ত শিথিল করে শুধু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে মনোযোগ দিচ্ছেন। যদি তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খুলে যায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের বড় অংশ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে। তবে ইসরায়েলের অনেক মানুষ তখন শঙ্কায় অপেক্ষা করবে।

কোহেন বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মতো বিষয়ে এমন সমঝোতার পথ আছে, যা সাময়িকভাবে নতুন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পারে এবং একই সঙ্গে ইরানকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর সুযোগ দিতে পারে।

তিনি বলেন, 'আমাদের সঙ্গে ইরানিদের মূল পার্থক্য হলো—আমরা দ্রুত ফল চাই, আর ইরানিদের ধৈর্য অসীম। তারা বলে, আমরা এখানে ২ হাজার বছর ধরে আছি। পারমাণবিক অস্ত্র পেতে যদি আরও ৩০ বছরও লাগে, তাতেও আমাদের সমস্যা নেই।'

Related Topics

টপ নিউজ

ইরান / ইসরায়েল / যুক্তরাষ্ট্র / ডোনাল্ড ট্রাম্প / সরকার পরিবর্তন

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • একটি বিভার। ছবি: সিবিসি
    বন্যা সমস্যার সমাধানে ৪০০ বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া এক প্রাণীকে ফিরিয়ে এনেছে এই শহর
  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকা ফেরত দিতে পারছে না আইসিবি, গ্যারান্টির মেয়াদ আরও ৩ বছর বাড়ানোর আবেদন
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকা ফেরত দিতে পারছে না আইসিবি, গ্যারান্টির মেয়াদ আরও ৩ বছর বাড়ানোর আবেদন
  • পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রাপথে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ছবি: এক্স/শ্রীলঙ্কান নেভি
    পাকিস্তানের প্রথম উন্নত স্টেলথ সাবমেরিন যেভাবে ভারতের সঙ্গে শক্তির সমীকরণ বদলে দিতে পারে
  • ইনফোগ্রাফ: টিবিএস
    ৫ বছরের মন্দা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের মোটরসাইকেল বাজার
  • রাশিয়ার মস্কোয় একটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত
    মস্কোকে 'বাঁচাতে' চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া, বেতন দেড় লাখ রুবল
  • নতুন গবেষণা অনুসারে, বিশ্ব উত্তপ্ত হওয়ার সাথে সাথে অ্যাসপারগিলাস নামক ছত্রাকের বিস্তার বাড়তে পারে। ছবি: রয়টার্স
    শরীরকে 'ভেতর থেকে খেতে শুরু করে' ছত্রাক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে বাড়তে পারে এর বিস্তার

Related News

  • ট্রাম্পের ক্রিপ্টো কয়েন কিনে ৩৮০ কোটি ডলার লোকসান গুনেছেন প্রায় ১০ লাখ বিনিয়োগকারী
  • যুক্তরাষ্ট্রের চাপে খামেনির জানাজায় অংশ নেয়নি অন্তত ১৩ দেশ: ইরানি গণমাধ্যম
  • নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমার বোঝাপড়া চমৎকার, ও জানে ‘আসল বস কে’: ট্রাম্প
  • ২৫০ বছরে আমেরিকা: একই সঙ্গে জৌলুস আর অবক্ষয়ের দোলাচল
  • যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

Most Read

1
একটি বিভার। ছবি: সিবিসি
আন্তর্জাতিক

বন্যা সমস্যার সমাধানে ৪০০ বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া এক প্রাণীকে ফিরিয়ে এনেছে এই শহর

2
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকা ফেরত দিতে পারছে না আইসিবি, গ্যারান্টির মেয়াদ আরও ৩ বছর বাড়ানোর আবেদন
অর্থনীতি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকা ফেরত দিতে পারছে না আইসিবি, গ্যারান্টির মেয়াদ আরও ৩ বছর বাড়ানোর আবেদন

3
পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রাপথে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ছবি: এক্স/শ্রীলঙ্কান নেভি
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের প্রথম উন্নত স্টেলথ সাবমেরিন যেভাবে ভারতের সঙ্গে শক্তির সমীকরণ বদলে দিতে পারে

4
ইনফোগ্রাফ: টিবিএস
অর্থনীতি

৫ বছরের মন্দা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের মোটরসাইকেল বাজার

5
রাশিয়ার মস্কোয় একটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

মস্কোকে 'বাঁচাতে' চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া, বেতন দেড় লাখ রুবল

6
নতুন গবেষণা অনুসারে, বিশ্ব উত্তপ্ত হওয়ার সাথে সাথে অ্যাসপারগিলাস নামক ছত্রাকের বিস্তার বাড়তে পারে। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

শরীরকে 'ভেতর থেকে খেতে শুরু করে' ছত্রাক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে বাড়তে পারে এর বিস্তার

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]