Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
June 19, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, JUNE 19, 2026
‘আমি বাংলাদেশি, কিন্তু আমার ভাষা বাংলা না’

বাংলাদেশ

সৈকত আমীন
21 February, 2021, 06:05 pm
Last modified: 21 February, 2021, 06:21 pm

Related News

  • মিরপুরের বিহারী ক্যাম্প এলাকায় কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণ, শিশু আহত
  • কোন ভাষাগুলো শেখা সবচেয়ে কঠিন?
  • ঢাকার বেশিরভাগ বিশ্বের গ্রাফিতি রাজধানীতে পরিণত হয়েছে: ড. ইউনূস
  • ‘ভাসা ভাষা ভালোবাসা’য় ২১টি দেয়াল হলো বিভিন্ন ভাষার ক্যানভাস!
  • মাতৃভাষা শিক্ষার মাধ্যম হওয়া উচিত: প্রধানমন্ত্রী

‘আমি বাংলাদেশি, কিন্তু আমার ভাষা বাংলা না’

দীর্ঘ সাইত্রিশ বছর স্বাধীন বাংলাদেশে অমীমাংসিত অবস্থায় আটকে থাকার পর এক রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের আদেশে ২০০৮ সালে সকল উর্দুভাষী বিহারীদের নাগরিকত্ব তথা ভোটাধিকার প্রদান করা হয়
সৈকত আমীন
21 February, 2021, 06:05 pm
Last modified: 21 February, 2021, 06:21 pm
২১ এর প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছে এদেশে বসবাসরত উর্দুভাষীর জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা। ছবি: সৈকত আমীন/ টিবিএস

প্রশাসনিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হলেও, সামাজিকভাবে বিহারীরা অবহেলিত। বিশেষ করে, মাতৃভাষা চর্চার ক্ষেত্রে তারা আজও বৈষম্যের স্বীকার বলে মনে করেন ৫ লাখ মানুষের এই জনগোষ্ঠীর তরুণ প্রজন্ম।

দীর্ঘ সাইত্রিশ বছর স্বাধীন বাংলাদেশে অমীমাংসিত অবস্থায় আটকে থাকার পর এক রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের আদেশে ২০০৮ সালে সকল উর্দুভাষী বিহারীদের নাগরিকত্ব তথা ভোটাধিকার প্রদান করা হয়।
 
নিজেদের মাতৃভাষা নিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর কাছে উর্দুভাষী তরুণ প্রজন্মের অনুভূতি তুলে ধরে উর্দুভাষী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সভাপতি মোঃ ইমরান খান বলেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উর্দু বিষয়ে পড়ার সুযোগ থাকলেও, পাঠ্যক্রমে কোথাও আমাদের মাতৃভাষার চর্চার সুযোগ নেই। মিরপুরে ক্যাম্প এলাকায় শাহীন স্কুল ও মিল্লাত ক্যাম্প স্কুলসহ ৩টি বিদ্যালয় আছে যেখানে বিহারি শিশুদের জন্য উর্দু ভাষায় পাঠ্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নিজ জনগোষ্ঠীর অভ্যন্তরে আমরা মাতৃভাষা চর্চা করতে পারলেও, ক্যাম্প এলাকার বাহিরে গিয়ে যখন আমরা আমাদের ভাষায় কথা বলি, তখন মানুষ খুবই বাজে দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। থানায় যখন আমরা কোনো অভিযোগ নিয়ে যাই, শুধুমাত্র উর্দুভাষী বলে সেখানেও বৈষম্যের শিকার হতে হয় আমাদের। ভোটাধিকার থাকলেও, নাগরিক মর্যাদা থেকে আজ'ও আমরা বঞ্চিত।"

প্রভাত ফেরিতে উর্দুভাষী ছাত্র যুব আন্দোলন। ছবি: সৈকত আমীন/ টিবিএস

তিনি আরো বলেন, "মাতৃভাষার চেতনাকে আমরা শ্রদ্ধা করি। শ্রদ্ধা করি বাংলা ভাষার জন্য এদেশের মানুষের সংগ্রামকে। ভাষা শহীদদের সম্মানে আমরা প্রত্যেক বছর প্রভাতফেরী করে ২১ এ ফেব্রুয়ারী ফুল দেই শহীদ মিনারের বেদিতে। ফুল দিতে যাবার সময় বাংলার পাশাপাশি উর্দুতেও লেখা থাকে আমাদের ব্যানার।"
 
বাংলাদেশে অনেক ভাষাভাষী মানুষ আছে। যাদের অনেকেই ভাষাগতভাবে সংখ্যালঘু। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী'রাও কিন্তু ভাষাগত ভাবে সংখ্যালঘু এবং বৈষম্যের শিকার। কিন্তু, তাদের সাথে হওয়া বৈষম্যের বিরুদ্ধে অনেকে সোচ্চার থাকলেও,‌ আমাদের নিয়ে কেউ কথা বলে না। যখন চাকরি ক্ষেত্রে গিয়ে নিজেদের উর্দুভাষী হিসেবে পরিচয় দেই; তখন সরকারি চাকরি তো দূরে থাক, বেসরকারি চাকরিতেও আমাদের নেওয়া হয় না। এমন পরিস্থিতি ভাষাগত চর্চা টিকিয়ে রাখা খুবই কষ্টকর, তাই ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভাষাগত সংস্কৃতি।"

মোঃ ইমরান খানের কথার সাথে সুর মিলিয়ে আরো ভয়াবহ বাস্তবতা তুলে ধরেন ২১ বছর বয়সী উর্দুভাষী চা বিক্রেতা ফরহাদ ইসলাম। তিনি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'কে বলেন-

"আমার বাবা পাকিস্তান দেখে নাই, আমার জন্মও বাংলাদেশে। বাংলাদেশে আমার জন্ম, আমি বাংলাদেশি, কিন্তু বাংলা আমার ভাষা না। আমাদের বাপ-দাদাদের পড়াশোনা করার সুযোগ ছিল না, তাই তারা জীবনে ভালো কিছু করতে পারে নাই। শিক্ষিত হতে পারে নাই। দারিদ্র্য আর অশিক্ষার সুযোগ নিয়ে প্রভাবশালীরা আমাদের অনেক খারাপ কাজে ব্যবহার করছে। যার বদনাম পড়ছে আমাদের পুরো বিহারী জনগোষ্ঠীর উপর।"

চা বিক্রেতা ফরহাদ ইসলাম। ছবি: সৈকত আমীন/টিবিএস

ফরহাদ আরো বলেন, "কারো সাথে বিবাদ হলেই আমাদের পাকিস্তানি বলা হয়৷ আমরা তো পাকিস্তানি না, আমরা বিহারী। আমার দাদা ভারতের বিহার থেকে এসেছিলেন এখানে। পাকিস্তানের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নাই, সম্পর্ক থাকলে তো আমরা পাকিস্তানেই থাকতাম।"

এবিষয়ে বাংলাদেশে উর্দুভাষীদের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন সংগঠন স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিস জেনারেল রিপ্যাট্রিয়েশন কমিটির সাথে যোগাযোগ করা হলে সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল জব্বার খান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'কে বলেন, "পাকিস্তানেও অনেক বাঙালী আছে, তাদের আমাদের মতো অবস্থায় পড়তে হয় না।"

অসুস্থ থাকায় তিনি এবিষয়ে আর কথা বলতে রাজি হননি।

বাংলাদেশে উর্দুভাষীদের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন সংগঠন স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিস জেনারেল রিপ্যাট্রিয়েশন কমিটির ব্যানার। ছবি: সৈকত আমীন/ টিবিএস

যদিও বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, পাকিস্তানে থাকা ২৮ লক্ষ বাঙালীর জীবন কাটছে বহুমুখী বৈষম্যের ভেতর দিয়ে।

প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের বিহারী নাগরিকদের মাতৃভাষা চর্চার সুযোগ না থাকায়, এ জনগোষ্ঠীর ভাষার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এর পরিচালক (ভাষা, গবেষণা ও পরিকল্পনা) মোঃ শাফীউল মুজনবীন মুঠোফোনে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড'কে বলেন, "নানান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষাসহ বাংলাদেশে ৪০টি ভাষা আছে, যার অনেকগুলো ভাষারই লেখ্যরূপ নেই। ১৪টি ভাষা ইতোমধ্যেই বিপন্ন অবস্থায় আছে। সেগুলোর মাঝে বেশ কয়েকটি ভাষায় প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের বই ছাপানো হয়েছিল। যতদূর জানি, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ঐ ভাষাভাষী শিক্ষক নিজেই তার ভাষায় শিক্ষাদান করতে পারছেন না। যেহেতু তারা বাংলায় শিক্ষিত, তাদের ভাষায় তারা কথা বলতে পারলেও, সে ভাষায় তাদের অক্ষরজ্ঞান নেই।" 

তিনি আরো যোগ করেন, "নিজেদের ভাষা রক্ষার জন্য তাদের নিজেদের এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের ভাষার অধিকার যেমন অন্য কেউ এসে রক্ষা করেনি, আমাদের নিজেদেরই করতে হয়েছে। আমরা যদি আগামী অর্থবছরে গবেষণা বরাদ্দ পাই, তাদের জনগোষ্ঠীর কেউ যদি তাদের ভাষার ভবিষ্যৎ নিয়ে গবেষণা করতে এগিয়ে আসে, আমরা তাতে সহযোগিতা করতে পারি।"

এর আগে ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. জীনাত ইমতিয়াজ ‌আলী গবেষণায় উঠে আসা তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বলেছিলেন, "পৃথিবীতে মোটা দাগে দু'রকম ভাষা আছে। একটা হল সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা, আর একটি সংখ্যালঘুদের ভাষা। সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা সব সময় সংখ্যালঘুর ভাষাকে হত্যা করে। বৃহত্তর যোগাযোগের জন্য সংখ্যালঘু ভাষাভাষীকে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা শিখতে হয়।"

"মানুষের মৌলিক যতগুলো পরিচয়চিহ্ন রয়েছে; সেসবের মধ্যে ভাষা অন্যতম। একটি জাতি আলাদা হচ্ছে তার সংস্কৃতির জন্য। এ সংস্কৃতির অপরিমাপ্য উপাদান বা সম্পদই হচ্ছে তার মাতৃভাষা।"

 

Related Topics

টপ নিউজ

মাতৃভাষা / বিহারী জনগোষ্ঠী

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: রাজীব ধর
    ফুটবলে সমর্থনের বাইরে: বাংলাদেশের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কে এগিয়ে কে, ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা?
  • কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি: রয়টার্স
    কাটছে ভিসা জটিলতা, কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনছে মার্কিন প্রশাসন
  • ছবি: রয়টার্স
    এআই’তে আমেরিকাকে টেক্কা নয়, চীন সম্পূর্ণ এক ভিন্ন খেলায় নেমেছে
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইভি খাতে বড় বিনিয়োগ চাইবে ঢাকা
  • ছবি: রয়টার্স
    চুক্তির খসড়া প্রকাশ: ৩০০ বিলিয়নের তহবিল, নিষেধাজ্ঞা শিথিলসহ বড় ছাড় পাচ্ছে ইরান
  • হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ইউএফসি ম্যাচে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    হোয়াইট হাউসে ইউএফসি ম্যাচে স্নাইপার-ড্রোন হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দিল এফবিআই; টার্গেট ছিলেন ট্রাম্প, মাস্ক ও নেতানিয়াহু

Related News

  • মিরপুরের বিহারী ক্যাম্প এলাকায় কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণ, শিশু আহত
  • কোন ভাষাগুলো শেখা সবচেয়ে কঠিন?
  • ঢাকার বেশিরভাগ বিশ্বের গ্রাফিতি রাজধানীতে পরিণত হয়েছে: ড. ইউনূস
  • ‘ভাসা ভাষা ভালোবাসা’য় ২১টি দেয়াল হলো বিভিন্ন ভাষার ক্যানভাস!
  • মাতৃভাষা শিক্ষার মাধ্যম হওয়া উচিত: প্রধানমন্ত্রী

Most Read

1
ছবি: রাজীব ধর
অর্থনীতি

ফুটবলে সমর্থনের বাইরে: বাংলাদেশের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কে এগিয়ে কে, ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা?

2
কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি: রয়টার্স
খেলা

কাটছে ভিসা জটিলতা, কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনছে মার্কিন প্রশাসন

3
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

এআই’তে আমেরিকাকে টেক্কা নয়, চীন সম্পূর্ণ এক ভিন্ন খেলায় নেমেছে

4
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
অর্থনীতি

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইভি খাতে বড় বিনিয়োগ চাইবে ঢাকা

5
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

চুক্তির খসড়া প্রকাশ: ৩০০ বিলিয়নের তহবিল, নিষেধাজ্ঞা শিথিলসহ বড় ছাড় পাচ্ছে ইরান

6
হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ইউএফসি ম্যাচে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হোয়াইট হাউসে ইউএফসি ম্যাচে স্নাইপার-ড্রোন হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দিল এফবিআই; টার্গেট ছিলেন ট্রাম্প, মাস্ক ও নেতানিয়াহু

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]