Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
June 16, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, JUNE 16, 2026
ইতিহাসের কুখ্যাত নারী সিরিয়াল কিলার এলিজাবেথ বাথোরি: সত্যিই খুনি নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার?

আন্তর্জাতিক

ন্যাশনাল জিওগ্রাফি
07 November, 2025, 04:40 pm
Last modified: 07 November, 2025, 05:17 pm

Related News

  • কারাগারে মারা গেছেন সাভারের সেই আলোচিত ‘সিরিয়াল কিলার’ সম্রাট
  • সাত শিশুকে হত্যার দায়ে আমৃত্যু জেলে কাটাতে হবে সিরিয়াল কিলার নার্সকে
  • যার ভয়াবহ অপরাধ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হয়েছিল ‘সাইলেন্স অভ দ্য ল্যাম্বস’ সিনেমা
  • ‘দ্য সারপেন্ট’খ্যাত সিরিয়াল কিলারকে ফ্রান্সে পাঠালো নেপাল  
  • নেপালের কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ‘দ্য সারপেন্ট’খ্যাত কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার

ইতিহাসের কুখ্যাত নারী সিরিয়াল কিলার এলিজাবেথ বাথোরি: সত্যিই খুনি নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার?

বলা হয়, তিনি তার বিলাসবহুল দুর্গে ৬০০-এরও বেশি তরুণীর জীবন কেড়ে নিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন কুমারী মেয়েদের তাজা রক্তে স্নান করলে তিনি লাভ করবেন চিরযৌবন। কিন্তু আজকাল, পণ্ডিতদের কষ্টিপাথরে এই শিহরণ জাগানো উপাখ্যানের সত্যতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। অনেকের মতে, বাথোরির বিরুদ্ধে একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তার অপরাধগুলোকে সম্ভবত ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বলা হয়েছিল।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি
07 November, 2025, 04:40 pm
Last modified: 07 November, 2025, 05:17 pm
এলিজাবেথ বাথোরি। ছবি: কিথ করিগ্যান

ইতিহাসের পাতায় হাঙ্গেরীয় কাউন্টেস এলিজাবেথ বাথোরিকে (১৫৬০-১৬১৪) প্রায়শই সবচেয়ে নৃশংস নারী সিরিয়াল কিলার হিসেবে চিত্রিত করা হয়। বলা হয়, তিনি তার বিলাসবহুল দুর্গের জমাট অন্ধকারে ৬০০-এরও বেশি তরুণীর জীবন কেড়ে নিয়েছিলেন। লোকমুখে প্রচলিত গল্পগুলো দাবি করে, তিনি বিশ্বাস করতেন কুমারী মেয়েদের তাজা রক্তে স্নান করলে তিনি লাভ করবেন চিরযৌবন। কিন্তু এর বদলে, তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে রইলেন এক ভয়ঙ্কর দানবী হিসেবে। বাথোরির এই কথিত পৈশাচিকতা চলচ্চিত্র, নাটক, অপেরা, টেলিভিশন শো, এমনকি ভিডিও গেমের অনুপ্রেরণা যুগিয়ে চলেছে আজও।

কিন্তু আজকাল, পণ্ডিতদের কষ্টিপাথরে এই শিহরণ জাগানো উপাখ্যানের সত্যতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। কেউ কেউ মনে করেন, এলিজাবেথ বাথোরি ছিলেন এক উন্মাদ খুনি। আবার অনেকের মতে, তিনি ছিলেন পরিবার এবং শত্রুদের পাতা মাকড়সার জালে আটকে পড়া এক অসহায় নারী, যারা তার বিশাল সম্পদ গ্রাস করার জন্য ছিল মরিয়া। তারা মনে করছেন, বাথোরির বিরুদ্ধে একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তার অপরাধগুলোকে সম্ভবত ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বলা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও, বাথোরির এই রক্তমাখা গল্পের টানে আজও পর্যটকরা হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া এবং অস্ট্রিয়া জুড়ে তার গল্পের পিছু নেয়, ঘুরে দেখে তার অভিশপ্ত দুর্গ, সমাধি আর জাদুঘর।

পশ্চিম স্লোভাকিয়ার চাখতিৎসে শহরের ওপর ভগ্নপ্রায় চাখতিৎসে দুর্গের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়, যা রাজধানী ব্রাতিসলাভার থেকে উত্তরপূর্বে প্রায় ৫০ মাইল দূরে অবস্থিত। ছবি: লুবোশ বালাজোভিচ

হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে প্রায় ১৭০ মাইল পূর্বে নিইরবাতোর শহরে গেলে, পর্যটকরা বাথোরি দুর্গ এবং মোমের জাদুঘরে কাউন্টেসের চোখের দিকে সরাসরি তাকাতে পারেন, যেখানে বাথোরি এবং তার আত্মীয়দের মোমের মূর্তি নিথর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই জাদুঘরটি সেই সংস্কার করা দুর্গের ভেতরেই অবস্থিত, যেখানে ১৫৬০ সালে তিনি এক প্রভাবশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যারা তখন রোমানিয়ার একটি অংশ ট্রান্সিলভেনিয়া শাসন করত।

তবে বাথোরির এই প্রাচুর্যময় শৈশব ছিল সহিংসতা এবং শারীরিক যন্ত্রণায় জর্জরিত, এমনটাই মনে করেন পোল্যান্ডের গবেষক আলেক্সান্দ্রা বার্তোশেভিচ। তিনি বলেন, 'মাত্র চার বা পাঁচ বছর বয়সেই তিনি মৃগীরোগের শিকার হন, তার মেজাজ ক্ষণে ক্ষণে বদলে যেত এবং তিনি অসহ্য মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় ভুগতেন।'

বাথোরি ছোটবেলা থেকেই প্রত্যক্ষ করেছেন পাশবিক নৃশংসতা। সেই যুগে চাকর-বাকরদের ওপর অত্যাচার ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা এবং মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি একটি প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড নিজের চোখে দেখেছিলেন। ১৩ বছর বয়সে, হাঙ্গেরির আরেক ক্ষমতাশালী পরিবারের ১৮ বছর বয়সী কাউন্ট ফেরেঙ্ক নাদাসদির সাথে তার বাগদান হয় এবং দুই বছর পরে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে চারটি সন্তান ছিল।

বিয়ের পর তারা পশ্চিম হাঙ্গেরির সারভারে চলে যান, যেখানে নাদাসদি তার স্ত্রীকে নির্যাতন ও নিষ্ঠুরতার পাঠ দেন। গবেষক বার্তোশেভিচ বলেন, তাদের দুর্গটি ছিল তাদের পৈশাচিক কর্মকাণ্ডের এক ভয়াল মঞ্চ। বাথোরির মনোরঞ্জনের জন্য, নাদাসদি একবার একটি মেয়েকে বেঁধে, তার সারা গায়ে মধু মাখিয়ে হিংস্র পোকামাকড় দিয়ে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি কাউন্টেসকে উপহার দিয়েছিলেন ধারালো নখযুক্ত দস্তানা, যা দিয়ে তিনি তার চাকরদের সামান্য ভুলের জন্য রক্তাক্ত শাস্তি দিতেন। বাথোরির বিকৃত মানসিকতাকে আরও উসকে দিয়েছিলেন তার চাচী ক্লারা, যিনি তাকে উদ্দাম পার্টি এবং যাদুকর, ডাইনি ও আলকেমিস্ট হিসেবে পরিচিত এক রহস্যময় চক্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

নাদাসদি দুর্গের এই রাজকীয় কক্ষে সাজানো ফ্রেস্কোচিত্রগুলোতে ১৫৯১ থেকে ১৬০২ সালের মধ্যে ফেরেন্চ নাদাসদি দ্বিতীয়ের নেতৃত্বে লড়াই করা যুদ্ধের দৃশ্যগুলো প্রদর্শিত হয়েছে।

বাথোরির পাশবিকতা তার চূড়ান্ত রূপ পায় আরেকটি বিশাল দুর্গে। চাখতিৎসে দুর্গের সেই ধ্বংসাবশেষ এখন স্লোভাকিয়ার এক ভয়ঙ্কর পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটকরা এই উঁচু ধ্বংসস্তূপে ঘুরে বেড়াতে পারেন, যেখান থেকে ১৬০০-এর দশকের শুরুতে শিউরে ওঠার মতো সব গুজব শোনা যেত।

১৬০৪ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর বাথোরি চাখতিৎসে চলে আসেন। কর্মীদের প্রতি তার নিষ্ঠুরতার গল্প এতটাই মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল যে স্থানীয় পরিবারগুলো তাদের মেয়েদের তার সেবার জন্য পাঠাতে আতঙ্কিত হতো, বলেন কিংস কলেজ লন্ডনের ভাষাবিদ এবং 'কাউন্টেস ড্রাকুলা' বইয়ের লেখক টনি থর্ন।

অবশেষে যা এই বিধবা কাউন্টেসের পতন ডেকে আনে, তা হলো উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়েদের ওপর তার নির্যাতন। ওয়াশিংটন স্টেটের ইতিহাসের অধ্যাপক র্যাচেল ব্লেডসো বলেন, 'ভূমিদাস এবং চাকরদের হত্যা করা, যাদের অধিকার ছিল সামান্যই, তা একজন অভিজাতের জন্য অশোভন হলেও বেআইনি ছিল না। কিন্তু নিজের শ্রেণীর অভিজাতদের, এমনকি তারা নিম্ন পদের হলেও, হত্যা করা ছিল এক গুরুতর অপরাধ, যা উপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না।'

অবশেষে, ১৬১০ সালে, হাঙ্গেরির রাজা ম্যাথিয়াস দ্বিতীয়ের নির্দেশে চাখতিৎসের কয়েক ডজন সন্দেহজনক মৃত্যু এবং নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে এক তদন্ত শুরু হয়। কয়েক ডজন সাক্ষীর জবানবন্দির ভিত্তিতে,৮০ জন তরুণীকে হত্যার অভিযোগে বাথোরিকে চাখতিৎসে দুর্গে গ্রেপ্তার এবং কারারুদ্ধ করা হয়। কিছু সাক্ষী তার হত্যার সংখ্যা ৬০০-এরও বেশি বলে দাবি করেছিলেন। তবুও, কাউন্টেসকে কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। পরিবর্তে, বাথোরির চারজন চাকরকে তার দুর্গে তরুণীদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এদিকে, কাউন্টেস ১৬১৪ সালে ৫৪ বছর বয়সে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার বিশাল কারাগারে বন্দী জীবন কাটান।

১৫৭৫ সালে, বাথোরি কাউন্ট ফেরেন্চ নাদাসদির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি ছিলেন খ্যাতনামা কিন্তু নির্মম একজন সৈনিক। ছবি: হুলটন ফাইন আর্ট কালেকশন

১৯৮০-এর দশকে এই প্রচলিত গল্পটি প্রথম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে শুরু করে। স্লোভাকিয়ার আর্কাইভিস্ট জোসেফ কোসিসের একটি বই বাথোরির জীবনের এমন কিছু নতুন দিক তুলে ধরে, যা পরবর্তীকালে বেশ কিছু গবেষক তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। কেউ কেউ তো বাথোরিকে একজন 'অসহায় বিধবা' হিসেবেও চিত্রিত করেছেন।

তবে বার্তোশেভিচ এবং থর্নের মতো অন্যরা আরও সংযত। তারা বলেন, বাথোরির অপরাধগুলোকে সম্ভবত তাকে বদনাম করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাড়িয়ে বলা হয়েছিল। এটি ছিল তার আত্মীয় এবং সেই সময়ের ইউরোপের একচ্ছত্র অধিপতি হ্যাবসবার্গ রাজবংশের একটি গভীর ষড়যন্ত্র।

হ্যাবসবার্গ শাসক রাজা ম্যাথিয়াস দ্বিতীয়ের কাছে বাথোরির একটি বিশাল ঋণ ছিল, তাই তার পতন রাজার জন্য ছিল অত্যন্ত লাভজনক। রাজা তাকে একজন রাজনৈতিক হুমকি হিসেবেও দেখতেন।

কাউন্টেসের কারাবাস শুধু তার শত্রুদেরই নয়, বরং তার কাছের মানুষদেরও সুবিধা করে দিয়েছিল। বাথোরি জেলে যাওয়ার পর, তার এক মেয়ে তার সম্পত্তি থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়, আর তার জামাইরা তার স্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা না করেই উত্তরাধিকার লাভের জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠে।

বিবাহের পর, বাথোরি তার স্বামীর বাড়িতে স্থানান্তরিত হন, যা এখন সারভার, হাঙ্গেরিতে নাদাসদি দুর্গ নামে পরিচিত।। ছবি:জে এফ ফটোগ্রাফি

তবে ব্লেডসো এই ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে পুরোপুরি বিশ্বাসী নন। তিনি বলেন, কাউন্টেসের স্বামীর মৃত্যুর পর, তার ছেলেই তার সম্পত্তি এবং ঋণ দুটোই উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল।

এর সত্যতা নিয়ে যতই সন্দেহ থাকুক না কেন, সিরিয়াল কিলার কাউন্টেসের এই ভয়ঙ্কর কিংবদন্তি সম্ভবত চিরকাল মানুষের মনে টিকে থাকবে, বলেন থর্ন।

'মানুষের প্রতীকের প্রয়োজন হয়, যারা আমাদের জীবনের নাটকীয় শক্তিগুলোকে মূর্ত করে তোলে, আর আমরা, দোষী বা নির্দোষ যাই হোক না কেন, যারা সীমা ছাড়িয়ে যায়, তাদের বাড়াবাড়িতে রোমাঞ্চিত হই। ইতিহাসে ভয়ঙ্কর পুরুষ চরিত্রের অভাব নেই। কিন্তু খুব পরিচিত শয়তান নারী খুব কমই আছে। বাথোরি ভয়াবহতার ইতিহাসে সেই শূন্যস্থানটি পূরণ করে।'

Related Topics

টপ নিউজ

এলিজাবেথ বাথোরি / নারী সিরিয়াল কিলার / সিরিয়াল কিলার

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    ইসলামী ব্যাংকের পুরো পর্ষদ ভেঙে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  • ছবি: সায়েতা/গেটি
    যে কারণে হাইতির বিশ্বকাপের জার্সি নিষিদ্ধ করল ফিফা
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ‘নেতানিয়াহু হ্যাজ নো ফাকিং জাজমেন্ট’, ইরান চুক্তি হচ্ছেই: লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর ক্ষোভ ট্রাম্পের
  • পোল্যান্ডে মোতায়েন একটি প্যাট্রিয়ট অ্যান্তি মিসাইল লঞ্চার সিস্টেম। ছবি: শণ গ্যালাপ
    একটি প্যাট্রিয়ট মিসাইল তৈরি করতেই কেন দুই বছরের বেশি সময় লেগে যায়?
  • ইলন মাস্ক। ছবি: রয়টার্স
    ধর্ষকের প্রাণদণ্ড বহালে পাকিস্তানের বিচার ব্যবস্থার প্রশংসায় ইলন মাস্ক; পশ্চিমাদেরও অনুসরণের পরামর্শ
  • ছবি: রয়টার্স
    খসড়া চুক্তিতে ইরানের অবরুদ্ধ ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় করতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র, তুলে নেবে সব নিষেধাজ্ঞা

Related News

  • কারাগারে মারা গেছেন সাভারের সেই আলোচিত ‘সিরিয়াল কিলার’ সম্রাট
  • সাত শিশুকে হত্যার দায়ে আমৃত্যু জেলে কাটাতে হবে সিরিয়াল কিলার নার্সকে
  • যার ভয়াবহ অপরাধ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হয়েছিল ‘সাইলেন্স অভ দ্য ল্যাম্বস’ সিনেমা
  • ‘দ্য সারপেন্ট’খ্যাত সিরিয়াল কিলারকে ফ্রান্সে পাঠালো নেপাল  
  • নেপালের কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ‘দ্য সারপেন্ট’খ্যাত কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার

Most Read

1
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংকের পুরো পর্ষদ ভেঙে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

2
ছবি: সায়েতা/গেটি
আন্তর্জাতিক

যে কারণে হাইতির বিশ্বকাপের জার্সি নিষিদ্ধ করল ফিফা

3
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

‘নেতানিয়াহু হ্যাজ নো ফাকিং জাজমেন্ট’, ইরান চুক্তি হচ্ছেই: লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর ক্ষোভ ট্রাম্পের

4
পোল্যান্ডে মোতায়েন একটি প্যাট্রিয়ট অ্যান্তি মিসাইল লঞ্চার সিস্টেম। ছবি: শণ গ্যালাপ
আন্তর্জাতিক

একটি প্যাট্রিয়ট মিসাইল তৈরি করতেই কেন দুই বছরের বেশি সময় লেগে যায়?

5
ইলন মাস্ক। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ধর্ষকের প্রাণদণ্ড বহালে পাকিস্তানের বিচার ব্যবস্থার প্রশংসায় ইলন মাস্ক; পশ্চিমাদেরও অনুসরণের পরামর্শ

6
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

খসড়া চুক্তিতে ইরানের অবরুদ্ধ ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় করতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র, তুলে নেবে সব নিষেধাজ্ঞা

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]