Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
June 19, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, JUNE 19, 2026
ভারতে এক দশকে বাঘের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ

আন্তর্জাতিক

টিবিএস ডেস্ক
01 February, 2025, 06:50 pm
Last modified: 01 February, 2025, 10:33 pm

Related News

  • যে কারণে হঠাৎ করে টেলিগ্রাম অ্যাপ বন্ধ করল ভারত 
  • দিল্লি থেকে ফেরত আসা ‘ইনস্ট্যান্ট প্রতিবাদ’: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ
  • এনসিপিআই নামের কোন অজানা দলে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বিদ্রোহীরা’?
  • দিল্লি বিমানবন্দরে বাধা পেয়ে ফিরে আসলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ, ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
  • দিল্লি বিমানবন্দরে বাধা, দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

ভারতে এক দশকে বাঘের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ

বর্তমানে দেশটির ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ বন্যপ্রাণী বসবাস করছে, যা যুক্তরাজ্যের প্রায় অর্ধেক আয়তনের সমান। 
টিবিএস ডেস্ক
01 February, 2025, 06:50 pm
Last modified: 01 February, 2025, 10:33 pm
ছবি: ইউএনবি

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বাঘের বসবাস এখন ভারতে। সর্বাধিক জনবসতিপূর্ণ এ দেশে বৈশ্বিক বাঘের আবাসস্থলের মাত্র ১৮ শতাংশ থাকার পরেও দেশটি বাঘ সংরক্ষণে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। খবর বিবিসির। 

গত এক দশকে দেশটিতে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ৩ হাজার ৬০০-এর বেশি হয়েছে, যা বিশ্বের মোট বাঘের ৭৫ শতাংশ। বর্তমানে দেশটির ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার (৫৩ হাজার ৩৬০ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে এ বন্যপ্রাণী বসবাস করছে, যা যুক্তরাজ্যের প্রায় অর্ধেক আয়তনের সমান। 

এসব অঞ্চলে প্রায় ৬ কোটি মানুষের বসবাস থাকলেও বাঘদের সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

প্রখ্যাত গবেষণা সাময়িকী সায়েন্স-এ প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, বাঘদের পাচার ও আবাসস্থল হারানোর হাত থেকে রক্ষা, শিকারী প্রাণী সুরক্ষা, মানুষের সঙ্গে বন্যপ্রাণী সংঘাত কমানো এবং স্থানীয় জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। 

গবেষণার প্রধান লেখক যদবেন্দ্রদেব বিক্রমসিং ঝালা বলেন, আমরা সাধারণত মনে করি যে মানুষের ঘনবসতি বড় মাপের মাংসাশী প্রাণীদের (যেমন বাঘ) সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, মানুষের সংখ্যা নয়, তাদের দৃষ্টিভঙ্গিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

উদাহরণ হিসেবে মালয়েশিয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে ভারতের তুলনায় জনসংখ্যার ঘনত্ব কম এবং অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হওয়া সত্ত্বেও বাঘ সংরক্ষণে সফলতা আসেনি।

গবেষকদের মতে, ভারতের সাফল্য দেখিয়েছে যে, সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে বাঘ রক্ষা করা সম্ভব, জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীরও উপকার হয়— যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে।

গবেষক যদবেন্দ্রদেব বিক্রমসিং ঝালা, নিনাদ অবিনাশ মুঙ্গি, রাজেশ গোপাল এবং কামার কুরেশির পরিচালিত এক গবেষণায় ২০০৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বাঘের বিস্তৃতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ভারত ২০০৬ সাল থেকে প্রতি চার বছর পরপর ২০টি রাজ্যের বাঘের আবাসস্থল পর্যবেক্ষণ করছে। এতে বাঘ, তাদের শিকারি প্রাণী, খাদ্য সরবরাহ ও পরিবেশের গুণগত মানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

এই সময়ে ভারতে বাঘের আবাসস্থল ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বছরে গড়ে ২ হাজার ৯২৯ বর্গকিলোমিটার।

গবেষকরা দেখেছেন, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পার্থক্যের কারণে ভারতে বাঘ ও মানুষের সহাবস্থানের মাত্রা বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন।

মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড ও কর্ণাটকের মতো রাজ্যে উচ্চ জনসংখ্যার মধ্যেও বাঘ ও মানুষ একসঙ্গে বসবাস করছে।

গবেষকরা বলছেন, বাঘের সহাবস্থানের ক্ষেত্রে যেসব এলাকা ভালো কাজ করছে, তা সাধারণত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী জায়গা। এখানে বাঘ-সংক্রান্ত পর্যটন এবং সরকারি সহায়তা রয়েছে, যা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে, উন্নয়নও কখনো কখনো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অর্থাৎ, যেখানে শহরায়ন বেশি, সেখানে বাঘের জন্য ভালো আবাসস্থল হারানোর ভয় থাকে।

তারা আরও বলেছেন, বাঘের সংরক্ষণ সফল হতে হলে শহরায়ন আর দারিদ্র্য যেন একসঙ্গে সমস্যা তৈরি না করে। যদি গ্রামীণ উন্নয়ন সঠিকভাবে হয় এবং মানুষও সচেতন থাকে, তাহলে বাঘের জীবন রক্ষা করা সম্ভব। এটি ভারতের পরিবেশগত দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে খাপ খায়।

সশস্ত্র সংঘাতও বাঘের জন্য বিপজ্জনক, কারণ যুদ্ধক্ষেত্রে শিকারীরা বাঘের আবাসস্থলকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে। যেমন, মাওবাদী সংঘাত যে এলাকায় রয়েছে, যেমন ছত্তিশগড় এবং ঝাড়খণ্ড, সেখানে বাঘের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। তবে, কিছু অঞ্চলে, যেমন নগরজুনসাগর-শ্রীসাইলাম এবং আমরাবাদ, যেখানে সংঘাত কিছুটা কমে এসেছে, সেখানকার বাঘেরা ভালোভাবে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে।

গবেষকরা বলছেন, যদি রাজনীতি শান্তিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসে, তাহলে এইসব অঞ্চলে বাঘের সংখ্যা আবার বৃদ্ধি পেতে পারে।

ভারতে এখনো কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে বাঘ নেই, যেমন ছত্তিশগড়, ওড়িশা, এবং ঝাড়খণ্ড। এই অঞ্চলের মোট আয়তন প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার বর্গকিলোমিটার। 

গবেষকরা বলছেন, যদি বাঘদের পুনরায় ওই অঞ্চলে বসবাসের জন্য প্রস্তুত করা হয় এবং সুরক্ষিত এলাকাগুলোর মধ্যে সংযোগ তৈরি করা হয়, তাহলে প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা আবার বাঘের আবাসস্থল হয়ে উঠতে পারে।

বাঘদের পুনরুদ্ধার একটি বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষত যেখানে মানুষের ঘনত্ব বেশি এবং দারিদ্র্য রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মূল ধারণা আছে—ল্যান্ড স্পেয়ারিং এবং ল্যান্ড শেয়ারিং। প্রথমটি বলছে, মানুষ ও বাঘদের আলাদা রাখা উচিত। আর দ্বিতীয়টি বলছে, মানুষ এবং বাঘদের একসাথে থাকতে হবে। যদিও এই দুটি ধারণাতেই কিছু সমস্যা রয়েছে, গবেষকরা বলছেন, দুটি ধারণাই বাঘ সংরক্ষণের জন্য দরকার।

এদিকে, ভারতের মধ্যে মানুষ-বন্যপ্রাণী সংঘাত বেড়ে চলেছে, যার ফলে বাঘের আক্রমণে মৃত্যুও ঘটছে। কিন্তু এটি বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে কিভাবে সম্পর্কিত?

গবেষক যাদবেন্দ্রদেব বিক্রমসিং ঝালা বলেন, 'প্রতি বছর ৩৫ জন মানুষ বাঘের আক্রমণে মারা যান, আর ১৫০ জন মারা যান চিতাবাঘের আক্রমণে। এর সঙ্গে, বন্য শূকরও অনেক মানুষের ক্ষতি করছে। এর পাশাপাশি, ৫০ হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যায় এবং প্রায় দেড় লাখ মানুষ মারা যায় গাড়ির দুর্ঘটনায়'। 

তিনি আরও বলেন, 'দুইশ বছর আগে, শিকারী প্রাণীর আক্রমণে মানুষের মৃত্যু ছিল স্বাভাবিক, কিন্তু আজকের দিনে এটি অস্বাভাবিক, এবং এজন্যই এটি সংবাদে আসে। আসলে, বাঘ সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে আপনি মারা যেতে পারেন গাড়ির দুর্ঘটনায়, বাঘের আক্রমণে নয়'। 

Related Topics

টপ নিউজ

বাঘ সংরক্ষণ / ভারত / বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: রাজীব ধর
    ফুটবলে সমর্থনের বাইরে: বাংলাদেশের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কে এগিয়ে কে, ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা?
  • কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি: রয়টার্স
    কাটছে ভিসা জটিলতা, কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনছে মার্কিন প্রশাসন
  • ছবি: রয়টার্স
    এআই’তে আমেরিকাকে টেক্কা নয়, চীন সম্পূর্ণ এক ভিন্ন খেলায় নেমেছে
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইভি খাতে বড় বিনিয়োগ চাইবে ঢাকা
  • ছবি: রয়টার্স
    চুক্তির খসড়া প্রকাশ: ৩০০ বিলিয়নের তহবিল, নিষেধাজ্ঞা শিথিলসহ বড় ছাড় পাচ্ছে ইরান
  • হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ইউএফসি ম্যাচে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    হোয়াইট হাউসে ইউএফসি ম্যাচে স্নাইপার-ড্রোন হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দিল এফবিআই; টার্গেট ছিলেন ট্রাম্প, মাস্ক ও নেতানিয়াহু

Related News

  • যে কারণে হঠাৎ করে টেলিগ্রাম অ্যাপ বন্ধ করল ভারত 
  • দিল্লি থেকে ফেরত আসা ‘ইনস্ট্যান্ট প্রতিবাদ’: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ
  • এনসিপিআই নামের কোন অজানা দলে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বিদ্রোহীরা’?
  • দিল্লি বিমানবন্দরে বাধা পেয়ে ফিরে আসলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ, ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
  • দিল্লি বিমানবন্দরে বাধা, দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

Most Read

1
ছবি: রাজীব ধর
অর্থনীতি

ফুটবলে সমর্থনের বাইরে: বাংলাদেশের সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্কে এগিয়ে কে, ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা?

2
কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ছবি: রয়টার্স
খেলা

কাটছে ভিসা জটিলতা, কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনছে মার্কিন প্রশাসন

3
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

এআই’তে আমেরিকাকে টেক্কা নয়, চীন সম্পূর্ণ এক ভিন্ন খেলায় নেমেছে

4
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
অর্থনীতি

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইভি খাতে বড় বিনিয়োগ চাইবে ঢাকা

5
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

চুক্তির খসড়া প্রকাশ: ৩০০ বিলিয়নের তহবিল, নিষেধাজ্ঞা শিথিলসহ বড় ছাড় পাচ্ছে ইরান

6
হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ইউএফসি ম্যাচে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হোয়াইট হাউসে ইউএফসি ম্যাচে স্নাইপার-ড্রোন হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দিল এফবিআই; টার্গেট ছিলেন ট্রাম্প, মাস্ক ও নেতানিয়াহু

EMAIL US
[email protected]
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - [email protected]

For advertisement- [email protected]