সংক্রমণ হারে বিশ্বে অষ্টম রাশিয়া, ১১ মে পর্যন্ত লকডাউন
পৃথিবীজুড়ে সোয়া দুই লাখের বেশি মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রাশিয়ায় মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বাধ্য হয়েই নিজ দেশের অভ্যন্তরে ভাইরাসের বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে দেশটির সরকারকে।
মার্কিন অবরোধে ম্রিয়মাণ রুশ অর্থনীতির জন্য করোনা লকডাউন এক নতুন বিপদ হিসেবে আবির্ভূত হলো।
কোভিড-১৯ রাশিয়ায় আজ বুধবার নাগাদ ৯৫ হাজার ৫৫৮ জনকে আক্রান্ত করেছে, আর এতে মারা গেছেন ৮৬৭ জন। গত এক সপ্তাহে রাশিয়ায় সংক্রমণ ব্যাপক আকার লাভ করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর মস্কো টাইমসের।
এসময় সংক্রমিতের সংখ্যায় দেশটি চীন এবং ইরানকে পেছনে ফেলে বিশ্ব মাঝে অষ্টম স্থানে চলে আসে।
দেশটির ৮৫টি প্রদেশ এবং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের প্রায় সবকটিতেই আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে সিংহভাগ সংক্রমণ ছড়িয়েছে দেশটির সবচেয়ে বড় শহর রাজধানী মস্কোতে।
এই অবস্থায় পূর্ব ঘোষণা দেওয়ার আগ পর্যন্ত আগামী ১১ মে পর্যন্ত জাতীয় লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এসময় তিনি নাগরিকদের প্রতি করোনাভাইরাসের পূর্ণ শক্তির আঘাত আসতে চলেছে বলেও সতর্ক করেন।
টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত ওই ভাষণে পুতিন বলেন, রাশিয়ায় সংক্রমণের হার এখনো সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেনি। এই অবস্থায় আগামীদিনের পথ বেশ কঠিন।
'আমাদের সামনে এখন সংক্রমণের নতুন পর্যায় বা এই লড়াইয়ের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়টি বাকি।' একথার মধ্যে দিয়ে রুশ সরকার যে বিপুল আকারে সংক্রমণের আশঙ্কা করছে তার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন পুতিন।
তিনি আরও বলেছেন, সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি এখন খুবই বেশি। ভাইরাসের এই প্রাণঘাতী হুমকি আগামিদিনেও প্রভাব ফেলতে চলেছে।
