ইভিএম ক্রয় প্রকল্পের ব্যয় কমছে, সংশোধিত প্রস্তাব পাঠানো হবে রোববারে
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ক্রয়ের ব্যয় কমিয়ে আগামী রোববার পরিকল্পনা কমিশনের কাছে সংশোধিত প্রস্তাব পাঠাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (৯ নভেম্বর) একথা জানান কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।
এর আগে ১৯ অক্টোবর আগামী জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশনে একটি প্রস্তাব পাঠায় নির্বাচন কমিশন। এতে প্রায় ২ লাখ ইভিএম ক্রয়ের প্রস্তাব ছিল।
মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশন ওই প্রকল্প প্রস্তাবের ব্যয় যৌক্তিক করার পরামর্শ দিয়ে সেটি সংশোধন করে জমা দিতে বলে।
পরিকল্পনা কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, 'প্রকল্প শুরুর পর সংশোধন নয়। একটা প্রকল্প হয়ে গেলে প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি (সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন) প্রয়োজন হয়। আমাদের সম্ভব্যতা অধ্যয়ন হয় নাই। বিকল্প কী করতে হবে সেটা তারা (পরিকল্পনা কমিশন) বলে দিয়েছে। এ বিষয়ে একটা টেকনিক্যাল কমিটি আছে। সেই কমিটিতে বুয়েট ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা রয়েছেন। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার মিটিং হবে। তারা এবিষয়ে সুপারিশ করবে'।
ব্যয় কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, 'সার্বিক ব্যয় সামান্য কমাতে বলা হয়েছে, তবে প্রকল্পের কোনো খাত বাতিল করা হয়নি'।
এর আগে বুধবার নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, আগামী বছরের মধ্য-জানুয়ারির মধ্যে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্প পাস না হলে দেড়শ আসনে ইভিএমে ভোট করা সম্ভব হবে না।
নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'মধ্য-জানুয়ারির মধ্যে অর্ডার দিতে হবে। জানুয়ারির মধ্যে যদি না পাই, তাহলে এলসি খোলা, সেগুলো দেশে আনা, কোয়ালিটি কন্ট্রোল করা, প্রশিক্ষণ দেয়া, ফিল্ডে পাঠানো সম্ভব হয়ে উঠবে না'।
ইসি আলমগীর আরও বলেন, 'পরিকল্পনা কমিশনের দেওয়া পর্যবেক্ষণ প্রকল্প পরিচালক খতিয়ে দেখবেন। পরামর্শগুলি আমাদের পরিকল্পনার পক্ষে সহায়ক হলে, আমরা অবশ্যই সেসব গ্রহণের চিন্তাভাবনা করব'।
