এবাদতের ব্রেক থ্রুর পর ক্যাচ হাতছাড়ার আক্ষেপ
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। আবার একেবারেও খারাপ শুরু হয়নি। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৮ রান যোগ করেন অধিনায়ক ডিন এলগার ও সারেল আরভিয়া। এই জুটি ভেঙে ব্রেক থ্রু এনে দেন এবাদত হোসেন। যদিও উইকেট পাওয়ার আনন্দ বেশি সময় থাকেনি বাংলাদেশ শিবিরে। পরের কয়েক ওভারের মধ্যেই সহজ কয়েকটি ক্যাচ ছাড়ার হতাশায় ডুবতে হয় মুমিনুল হকের দলকে।
ডারবানের কিংসমিড স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৩ ওভারে ১ উইকেটে ১০৫ রান তুলেছে। টেস্ট ক্যারিয়ারের ২১তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া এলগার ৬২ ও কিগান পিটারসেন ২১ রানে ব্যাটিং করছেন। প্রথম ইনিংসেই ৬৯ রানের লিড পাওয়া স্বাগতিকদের ১৭৪ রানের লিড তুলে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেছে।
প্রোটিয়া অধিনায়ক অবশ্য অনেক আগেই ফিরে যেতে পারতেন। কিন্তু বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ব্যর্থতার সেটা হয়নি। ৩৪ রানে ব্যাটিং করছিলেন এলগার, বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ। ওভারের প্রথম বলেই স্লিপে ক্যাচ তোলেন এলগার, কিন্তু সহজ ক্যাচটি নিতে পারেননি স্লিপে দাঁড়ানো নাজমুল হোসেন শান্ত।
এরপর আবারও সুযোগ আসে স্বাগতিক দলের অধিনায়কের উইকেট তুলে নেওয়ার। ৪৪ রানে ব্যাটিং করছিলেন এলগার, এবার বোলার এবাদত হোসেন। এবারও স্লিপেই ক্যাচ দেন তিনি। শান্তর মতো ইয়াসির আলী রাব্বিও ক্যাচটি নিতে ব্যর্থ হন। প্রথম ইনিংসেও এবাদতের বলে ক্যাচ ফেলেছিলেন রাব্বি।
এর আগে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে ২৯৮ রান তোলে। ১৩৭ রানের ইনিংস খেলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার ইতি টানেন তিনি। দেশটির বিপক্ষে এবং তাতদের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেন তিনি। এ ছাড়া লিটন কুমার দাস ৪১, নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৮, মেহেদী হাসান মিরাজ ২৯ ও ইয়াসির আলী রাব্বি ২২ রান করেন।
