এনসিএল টি-টেনেও কঠিন সময়ে সাকিব
ভারত সফরে টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ দলের মতো কঠিন সময় যায় সাকিব আল হাসানেরও। দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের প্রথম ইনিংসে নেওয়া ৪ উইকেট বাদ দিলে হোয়াইটওয়াশ হওয়া সিরিজটিতে ব্যাটে-বলে তেমন কিছুই করা হয়নি অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারের। যুক্তরাষ্ট্রের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ টি-টেনেও ভালো শুরু হলো না সাকিবের। ব্যাটে-বলে থেকে গেলেন বিবর্ণ।
৫ অক্টোবর ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে বল হাতে খরুচে থাকেন সাকিব। এক ওভারে দেন ১৮ রান, সবচেয়ে বেশি ইকোনমিতে রান খরচা করা বাঁহাতি এই স্পিনার কোনো উইকেট পাননি। পরে ব্যাট হাতে ১০ ওভারের ম্যাচে টি-টোয়েন্টি মেজাজেও ব্যাটিং করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ৩টি চারে ১৩ রান করে আউট হন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।
সাকিবের অনুজ্জ্বল দিনে তার দল লস অ্যাঞ্জেলেস ওয়েভস ক্রিকেট ক্লাবের বাকিরাও বিশেষ কিছু করতে পারেননি, দলটি হেরেছে ১৯ রানে। আগে ব্যাটিং করে উপুল থারাঙ্গা ও সুরেশ রায়নার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২ উইকেটে ১২৬ রান তোলে নিউ ইয়র্ক লায়ন্স ক্রিকেট ক্লাব। জবাবে ৭ উইকেটে ১০৭ রানে থামে লস অ্যাঞ্জেলেস ওয়েভসের ইনিংস।
ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৫৭ রান করেন সাকিব। বল হাতে আরও বিবর্ণ ছিলেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। অবশ্য আঙুলের চোটের কারণে বেশি ওভার বোলিং করা হয়নি তার, ২১ ওভার করে থাকেন উইকেটশূন্য। এমন পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয় টেস্টে একাদশে সাকিবের জায়গা পাওয়া নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
দ্বিতীয় টেস্টেও অবশ্য তার ওপর ভরসা রাখে বাংলাদেশ। কিন্তু এই ম্যাচেও বিবর্ণ থেকে যান এই মাসেই ঘরের মাঠে শেষ টেস্ট খেলার ঘোষণা দেওয়া সাকিব। প্রথম ইনিংসে ৯ রান করা বাংলাদেশ অলরাউন্ডার পরের ইনিংসে রানের খাতা খুলতে পারেননি। টি-টোয়েন্টি মেজাজে রান করা ভারতের প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট পান সাকিব। দ্বিতীয় ইনিংসে থাকেন উইকেটশূন্য। টেস্ট সিরিজ খেলে এনসিএল টি-টেন খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন তিনি।
