গাজায় নিহতের সংখ্যা দুইশ’ ছাড়াল, যুদ্ধবিরতির আহবানে যোগ দিল মিশর ও ফ্রান্স
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত শুরুর পর থেকে এপর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এক সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া এই সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছে ৫৯ জন ফিলিস্তিনি শিশু ও ৩৫ জন নারী। আহত হয়েছে ১,৩০৫ জন।
বেসামরিক নাগরিক প্রাণহানি নিয়ে টুঁ-শব্দ না করলেও, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা গাজায় ১৩০ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে।
অন্যদিকে, একইসময় গাজা থেকে হামাস ও অন্যান্য সংগঠনের ছোঁড়া রকেটের আঘাতে এক সেনা এবং দুই শিশুসহ ১০ ইসরায়েলি নাগরিকের মৃত্যু হয়।
ইসরায়েলের দাবি তারা হামাসের গোপন সুড়ঙ্গ ধ্বংস করতেই বিমান হামলা চালাচ্ছে। গাজায় রাতভর তীব্র বোমাবর্ষন অব্যাহত রয়েছে। একে এপর্যন্ত সবচেয়ে ভারি বোমা হামলা বলেই উল্লেখ করেছে বিবিসি।
এদিকে ইসরায়লে এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সহিংসতা বন্ধের আহবানে যোগ দিয়েছে ফ্রান্স ও ইসরায়েল।
মিশরের প্রেসিডেন্ট সুদানকে নিয়ে এক বৈঠকে অংশ নিতে বর্তমানে ফ্রান্সের প্যারিসে আছেন।
তিনি ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন। এরপর ফরাসী প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এলিসি প্রাসাদ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, "উভয় রাষ্ট্রপতিই চলমান সংঘাত এবং বেসামরিক নাগরিকদের দুর্দশা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।"
বিবাদমানে দুই পক্ষের মধ্যে 'দ্রুত যুদ্ধবিরতি' বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার এবং জাতিসংঘের কূটনীতিকদের সঙ্গে তারাও একযোগে চেষ্টা চালাবেন বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়।
- সূত্র: বিবিসি
