‘নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়াও বড় ব্যবধানে হেরেছে’
জয়ের কথা না বললেও লড়াইয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সামান্যতম লড়াইও করতে পারেনি সাকিব আল হাসানের দল। রাইলি রুশো ও কুইন্টন ডি ককের ব্যাটিং ঝড়ে বড় সংগ্রহ গড়ে প্রোটিয়ারা। জবাবে হতশ্রী ব্যাটিংয়ে অল্পতেই থামে বাংলাদেশ। অসহায় আত্মসমর্পণ করার ব্যাপারটি স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন সাকিব। বরং বাংলাদেশ অধিনায়ক মনে করালেন, সিডনিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়াও বড় ব্যবধানে হেরেছে।
বৃহস্পতিবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। যা এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বাংলাদেশ একমাত্র দল, যারা ১০০ রানের বেশির ব্যবধানে হারলো। আর টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয়বারের মতো ১০০ রানের বেশি ব্যবধানে হারলো তারা।
পরিকল্পনার পথে এগোনো হয়নি বাংলাদেশের। এদিন কোনো কিছুই মনমতো হয়নি তাদের। ম্যাচের পর এমন হারের কারণ ব্যাখ্যায় সাকিব বলেন, 'নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়াও এখানে (সিডনি) বড় ব্যবধানে হেরেছে, এ রকম হবেই। টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলোতে এ রকম হয়। এটা খুব স্বাভাবিক। অস্বাভাবিক কিছু না। খেলাটা অনেক রোমাঞ্চকর, চিত্তবিনোদনকর। সেই সঙ্গে এ রকম কঠিন ফলগুলোও আপনাকে হজম করতে হবে।'
হারকে স্বাভাবিক বললেও ব্যাটিংয়ে উন্নতি করার তাড়া অনুভব করছেন সাকিব। তার ভাষায়, 'ব্যাটিংয়ে আমাদের অনেক উন্নতি করতে হবে। বাউন্স ও পেসের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। প্রথম ১০ ওভারে যদি আমরা ভালো ব্যাটিং করি, উইকেট হাতে রাখি, তাহলে শেষদিকে ব্যাট করা সহজ হয়। আমি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে সেটাই দেখছি। যে দলগুলো শেষ ১০ ওভারে উইকেট হাতে রাখছে, তারাই বড় রান করছে।'
আগে ব্যাটিং করা দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচসেরা রুশোর ঝলমলে সেঞ্চুরি ও কুইন্টন ডি ককের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ২০৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এক মুস্তাফিজ ছাড়া এদিন বাংলাদেশের কোনো বোলারই ভালো করতে পারেননি। বড় লক্ষ্য তাড়ায় হতশ্রী ব্যাটিংয়ে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেওয়া বাংলাদেশ ১৬.৩ ওভারে ১০১ রানেই অলআউট হয়ে যায়, হাতে থেকে যায় ২১ বল। লিটন কুমার দাস ছাড়া কেউ-ই রানের দেখা পাননি।
